টুকিটাকি

শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৪

বিয়ে বিচ্ছেদে শত কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ

কাগজ ডেস্ক : নগদ অর্থ ও সম্পদ মিলিয়ে প্রায় ১০০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়া হলেও তা যথেষ্ট বলে মানছেন না যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার তেল ধনকুবের হ্যারল্ড হ্যামের সাবেক স্ত্রী স্যু অ্যান হ্যাম। বিয়ের সময় সম্পত্তির ওপর তার যে অধিকার স্বীকৃত হয়েছিল সেই বিবেচনায় ক্ষতিপূরণে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ দাবিতে আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সু অ্যান। গত বৃহস্পতিবার স্যু অ্যানের একজন আইনজীবী রন বারবের জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আপিল করবেন। চলতি সপ্তাহে হ্যাম দম্পতি বিয়ে বিচ্ছেদের মাধ্যমে পরস্পর থেকে আলাদা হন। তাদের বিয়ে বিচ্ছেদের মামলার রায়ে আদালত নির্দেশ দেয়, হ্যাম দম্পতির ২৬ বছরের বিবাহিত জীবনে কন্টিনেন্টাল রিসোর্সের শেয়ারের মূল্য ১৮ বিলিয়ন ডলারের হলেও রির্সোসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ’৯৪ শতাংশ তার অধীনে রেখে দিতে পারবেন।

আদালতের এ সিদ্ধান্তকে অ্যান ‘অনায্য’ বলে বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন বারবের। গত সোমবার ওকলাহোমা কাউন্ট্রি আদালতের বিচারক হাওয়ার্ড হারালসন, কন্টিনেন্টাল রিসোর্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হ্যারল্ড হ্যামকে তার সাবেক স্ত্রীকে ৯৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেয়ার নির্দেশ দেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি খামার ও ওকলাহোমার বাড়িসহ আরো কয়েক কোটি ডলারের সম্পত্তিও অ্যানের মালিকাধীন থাকবে বলে নির্দেশ দেন আদালত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় তেল ধনকুবের বলে পরিচিত হ্যারল্ড হ্যামকে তার সম্পদের অধিকাংশই নিজের মালিকানাধীনে রাখার সুযোগ দেন আদালত। যৌথ সম্পত্তির একটি ক্ষুদ্র অংশই শুধু পান অ্যান।জাপানে সামরিক নীতি

পরিবর্তনের প্রতিবাদে আত্মহত্যা

কাগজ ডেস্ক : জাপানের সামরিক নীতির বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রতিবাদে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন একজন নাগরিক। হিবিয়া পার্ক থেকে গত মঙ্গলবার একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। টোকিওর ইম্পেরিয়াল প্যালেস ও পার্লামেন্টের কাছেই ওই পার্কের অবস্থান। ওই ব্যক্তি গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মারাত্মক আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। জাপানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, আত্মহত্যাকারী ওই ব্যক্তির কাছে ভিডিও ক্যামেরা একটি চিঠি পাওয়া গেছে।

চিঠিটি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে ও প্রভাবশালী অন্য আইনপ্রণেতাদের লক্ষ করে লেখা। তাতে জাপানের সামরিক নীতির পরিবর্তনের কঠোর সমালোচনা করেন। চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশটির আইনপ্রণেতারা সামরিক নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনেন। এ পরিবর্তনের ফলে জাপানের সেনা সদস্যরা এখন থেকে দেশের বাইরে গিয়েও যুদ্ধ করতে পারবেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় জাপানের যে সংবিধান প্রণীত হয় সেখানে সেনা শক্তি প্রয়োগের পথ সীমাবদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

৬৭ বছর ধরে ওই সংবিধান অনুযায়ীই সবকিছু পরিচালিত করছিল জাপান।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj