ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাশন ও নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক

রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৪

ফ্যাশন ক্যালেন্ডারে সেপ্টেম্বরের বাড়তি কদর। মাসজুড়ে চার ফ্যাশন ক্যাপিটালে অনুষ্ঠিত হয় ফ্যাশনের জমজমাট উৎসব। প্রদর্শিত হয় আসন্ন বসন্ত ও গ্রীষ্মের ফ্যাশন কালেকশন।

নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক স্প্রিং-সামার ২০১৫। পর্দা ওঠে ৪ সেপ্টেম্বর। সপ্তাহব্যাপী ফ্যাশন উৎসবের প্রতিটি শোতে ডিজাইনাররা ঝাঁপি উপুড় করে দেখিয়েছেন তাদের সৃষ্টিবৈচিত্র্য। ডিজাইন থেকে শুরু করে পোশাকের আকার, কাটছাঁট, প্যাটার্ন, রঙ আর নকশায় দেখা গেছে নিরীক্ষামনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি। এবারের নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকে র‌্যাম্প মাতিয়েছে নব্বই দশকের লোগো ম্যানিয়া। আলেকজান্ডার ওয়াঙ এবং ডিকেএনওয়াইয়ের শোতে ছোট-বড় লোগোর ছাপ ফুটে উঠেছিল চামড়া থেকে শুরু করে লেসের তৈরি টপস, ভেস্ট, ওভারকোট ও গøাভসে। ডিকেএনওয়াইয়ের আয়োজনে আরও দৃশ্যমান ছিল ক্রপড টপসের সঙ্গে ওভার সাইজড ব্যাগি টপসের লেয়ারিং। বিভিন্ন ধাঁচের ক্লাসিক বোম্বার জ্যাকেটও ছিল তাদের কালেকশনে। কোনোটা খাটো তো কোনোটা লম্বা। আবার কোনোটা অ্যাবস্ট্রাক্ট শেপের। এর সঙ্গে এ লাইন স্কার্ট এবং আঁটসাঁট মিডিতে বেশ দেখাচ্ছিল মডেলদের। গত বছরের মতো এবারকার স্প্রিং-সামার কালেকশনে ফ্রিঞ্জ নিয়ে খেলেছেন ডিজাইনাররা। তবে আঙ্গিকে সমসাময়িক প্রভাব ছিল সুস্পষ্ট। জোসেফ আলতোজারা তার ডিজাইন করা মিনিড্রেসে ব্যবহার করেছেন লেদার ফ্রিঞ্জ। টিবির শোতে বক্সি পপওভার টপসের সঙ্গে ঝোলানো সিল্কের ফ্রিঞ্জগুলো দেখাচ্ছিল চমৎকার। পাশাপাশি নজরে এসেছে প্লিটসের ব্যবহার। অ্যাসিমেট্রিক্যাল প্লিটে তৈরি স্কার্ট পরে অনেকেই হেঁটেছেন র‌্যাম্পে। আবার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কলারের পোশাক। এবারকার নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকের শোগুলোর রিভিউতে তা সুস্পষ্ট। ছোটবেলার সেই প্রিয় ডাবল স্ট্র্যাপড ক্লাসিক জাম্পশুট দেখা গেছে নিউইয়র্কে, ডিজাইনারদের স্প্রিং-সামার কালেকশনে। সনাতনী ডেনিম থেকে শুরু করে পাঙ্ক ইন্সপায়ারড লেদার জাম্পশুটগুলো দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। করেছে স্মৃতিতাড়িত। স্পোর্টি পোশাকের কালেকশনও ছিল এবার চোখে পড়ার মতো। টমি হিলফিগার, মার্ক জ্যাকবস, ভেরা ওয়াঙের শোতে দেখা গেছে নানা রঙা জার্সি, হুডি জ্যাকেট, বয়ফ্রেন্ড জ্যাকেট আর বক্সি টপসের সংগ্রহ। আরামদায়ক পোশাকগুলো বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে ফ্যাশনবোদ্ধাদের।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ

নারীর প্রিয় বাহন স্কুটিগত এক দশকে প্রজন্মের বাহন হিসেবে মোটর সাইকেলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে কয়েক গুণ। চলতি পথে কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো ও গতিময়তার সম্মিলনে প্রিয় বাহন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে মোটর সাইকেল। বর্তমানে কোথাও যেতে হলে পোহাতে হয় যানজটের ঝক্কি, তার ওপর সময়মতো গাড়ি পাওয়া যায় না, আর পেলেও প্রায়ই গুনতে হয় ডাবল ভাড়া। ফলে অফিস কিংবা গন্তব্যে যেতে প্রায়ই দেরি হয়ে যায়, পোহাতে হয় সীমাহীন দুর্ভোগ। এ সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে নিজের একটি বাহন এখন বেশ দরকারি। তাই পুরুষের পাশাপাশি আধুনিক অনেক নারীরই বাহন হিসেবে বেছে নিচ্ছেন পছন্দসই একটি মোটর সাইকেল। এ ক্ষেত্রে স্কুটিই এখন অনেক নারীর প্রথম পছন্দ-

Bhorerkagoj