তর্জন-গর্জন

রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৪

যদি কর্মক্ষেত্রে সব সময় বসের বকাঝকার অন্যতম ভিকটিম আপনি হয়ে থাকেন, তবে মানসিক যন্ত্রণা কমানোর উপায় জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বসের তর্জন-গর্জনের মনঃকষ্ট মনে পুষে না রেখে যদি কোনো কাছের সহকর্মীর সঙ্গে তা শেয়ার করেন, তবে তা আপনারই অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে দেবে। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

লোয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির কমিউনিকেশনস স্টাডিজ এর প্রফেসর স্টেসি টাই-উইলিয়ামস বলেন, বসের বকাঝকার শিকার হওয়ার ঘটনা কাছের কারো কাছে বিশ্বাস হওয়ার মাধ্যমে ওই ঘটনার নানা দিক স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে এ ঘটনার কারণ আরো পরিষ্কার হবে এবং ভিকটিম আরো অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন। স্টেসি আরো জানান, বহু কর্মী কর্মক্ষেত্রে ভয়ংকর ট্রমায় ভুগছেন। তাদের পক্ষে ব্যাখ্যা করা কঠিন, এমনটি কেন ঘটছে তাদের জীবনে। ফলে অজানা আতঙ্কে সময় মোটেও ভালো যায় না তাদের।

আবার শুভাকাক্সক্ষী হিসাবে একজন সহকর্মীরও উচিত ভিকটিমের এমন ঘটনা শেয়ারের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া।

ওয়ার্কপ্লেস বুলিং ইনস্টিটিউট এর এক হিসাবে বলা হয়, আমেরিকার ৩৫ শতাংশ কর্মজীবী যাদের সংখ্যা প্রায় ৫৪ মিলিয়ন, তারা কর্মজীবনে বসের ব্যাপক তর্জন-গর্জনের শিকার হয়ে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন।

গবেষণায় দেখা যায়, অর্ধেকেরও বেশি কর্মী তাদের বস বা বিভাগীয় প্রধানের বকাঝকার শিকার হন। অনেকে আবার সহকর্মীর এমন আচরণের শিকার হয়ে থাকেন।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj