অজানা প্রেম

শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৪

গভীর রাতে সোমার ফোনটা বেজে উঠলো ক্রিং… ক্রিং… ক্রিং… । তখনো সোমা পুরোপুরি ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে যায়নি। নম্বর অপরিচিত বলে সোমা দুবার রিসিভ করেনি। তৃতীয়বারের মতো রিংটোন বাজতেই সোমা ফোনটা রিসিভ করে চুপ করে বসে থাকলো। অপরপ্রান্ত থেকে ভেসে আসলো-‘হ্যালো, কেমন আছো?’ সোমার কোনো সাড়া নেই। অপরপ্রান্ত থেকে ভেসে আসলো-‘কথা বলছো না কেন?’ সোমা একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো।

‘কী ব্যাপার, কথা বলবে না?’ অভিমানী সুর।

‘আপনি কে? কাকে চাচ্ছেন?’ সোমার কৌত‚হল মেশানো রসহীন স্বর।

‘স্বপ্না, আমাকে চিনতে পারছো না!’

‘আমি স্বপ্না নই, ভুল নম্বরে ডায়াল করেছেন।’ লাইনটা কেটে দিলো সোমা।

আবারো ক্রিং… ক্রিং…ক্রিং…। সোমা বিরক্ত হলেও ফোনটা রিসিভ করলো।

‘সরি, এটা কি ০১৭৪৩৬২২… না?’

‘না, বললাম যে রং নম্বরে ডায়াল করেছেন।’

‘তাহলে… আপনার পরিচয়টা জানতে পারি?’

‘কেন? আমার পরিচয় জেনে আপনার কোনো প্রয়োজন নেই।’ লাইনটা কেটে দিয়েই মোবাইল ফোনটার সুইচ অফ করে দিলো সোমা।

সোমার কিছুই ভালো লাগছে না। জানালার পাশে বসে দূর আকাশের তারার পানে তাকিয়ে রইল। ভাবছে-‘কে হতে পারে ছেলেটি?’ এতো মধুর কণ্ঠস্বর। কিন্তু ভাবনার যে কোনো সমাধান করতে পারছে না। মামুন আবারো ডায়াল করলো। অপরপ্রান্ত থেকে ভেসে আসল-‘দুঃখিত, আপনার ডায়াল করা নম্বরটি এই মুহ‚র্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ মামুন উল্লাসিত তবুও। কিছু একটা হবে বলেই ধরে নিলো সে। তারপর কী করা যায় ভাবছে। মোবাইল ফোনটা হাতে নিতেই একটা

মেসেজ পাঠানোর চিন্তা এলো তার মাথায়।

কম্পোজ শুরু করলো-‘আমাকে ভুল বুঝবেন না প্লিজ। রং নম্বর হলেই বা কী? আমরা একে অপরের ভালো বন্ধু হতে পারি নিশ্চয়ই। ভালো থাকুন… শুভ রাত্রি…।’ মেসেজটা সেন্ড করে মামুন ইজি চেয়ারে বসে পড়লো। ভাবনা একটাই, সফল হতেই হবে! অবশ্য ইতোপূর্বে একই কৌশলে সে কয়েকটি মেয়েকে ফাঁদে ফেলে তাদের সর্বনাশ করেছে। শিউলী নামের একটি মেয়ে তো শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যাই করেছে।

সোমার চোখে ঘুম নেই। এক গøাস পানি পান করলো। কী যেন ভেবে ফোনের সুইচটা ‘অন’ করলো। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটা মেসেজ ঢুকে পড়লো। সেই অপরিচিত নম্বর থেকে আসা। সোমা মেসেজটি কয়েকবার পড়লো। মনে মনে ভাবছে-বন্ধু তো হতেই পারে….। কিন্তু ছেলেটি আসলে কে? বালিশে বুক ঠেকিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লো সে।

মামুন ওয়াশরুম থেকে বের হয়েই তার মোবাইল স্ক্রিনে আলো দেখতে পেলো। হাতে নিয়ে সেন্ডিং রিপোর্ট দেখে বুঝতে পারলো ফোনটা আবার চালু করা হয়েছে। অনেক ভেবে-চিন্তে আবারো সোমার নম্বরটি ডায়াল লিস্টের শীর্ষে এনে ‘ইয়েস’ বাটনটি চাপলো। ফোনটা বাজছে… সাড়া নেই। পর পর চারবার…।

সাড়া নেই। যাক! মেয়েটি তাহলে ভাবতে শুরু করেছে। মামুনের মনজুড়ে স্বপ্নের জাল বিস্তৃত হচ্ছে। নতুন নতুন পরিকল্পনা। একটা সিগারেট ধরালো। দু-তিন টান দিতেই ফোনটা বেজে উঠলো। একি! সোমার নম্বর!!

‘আপনি কে বলছেন?’

‘আমি আকাশ।’ মামুন পরিচয় গোপন করলো।

‘এভাবে বিরক্ত করছেন কেন?’

‘সরি, ওভাবে ভাববেন না। আসলে…।’

‘আসলে কী’

‘আসলে … আমি আমার পুরোনো এক বন্ধুকে ফোন করতে যেয়ে ভুল করে…।’

‘ওসব ছাড়–ন।’

‘কোনো মানে নয়…।’ সোমা লাইনটা কেটে দিলো।

আবারো ক্রিং … ক্রিং… ক্রিং…। এবার প্রথমবারেই সোমা ফোনটা রিসিভ করলো।

‘প্লিজ, আমাকে ভুল বুঝবেন না।’

‘ভুল বুঝার কিছু নেই। আপনি আর ফোন না করলেই খুশি হবো।’ সোমা লাইনটা কেটে দিয়ে আবারো সুইচটা অফ করে দিলো।’

চোখে ঘুম আসছে না। বন্ধুত্ব-ভালোবাসা কিছুতেই তার আস্থা নেই। যাকে সোমা একদিন মনেপ্রাণে ভালোবেসেছিল সে আজ তার নেই। অন্য মেয়েকে বিয়ে করেছে। মেয়ের বাবার টাকায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। তাই নতুন করে কোনো আকাশ কিংবা বাতাসকে সে বন্ধু ভাবতে রাজি নয়।

শ্রাবণের আকাশে মেঘ নেই। মনে পড়ে হারানো দিনের কথা। পাশের ফ্ল্যাট থেকে ভেসে আসছে-পবনদাস বাউলের ‘সব দিয়ে যার সব কেড়ে নাও… / তার তো প্রাণে সয় না… / তোমার দিল কি দয়া হয় না…।

মামুনকে তার খালাতো বোন সোমার নম্বরটা দিয়েছিল তার ঘনিষ্ঠবন্ধু শফিক। শফিক প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিল। শফিক বন্ধু ভেবেই মামুনকে তার নানার বাড়ি বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার ছোট খালার সাথে ভাব জমিয়ে তার সর্বনাশ করেছিল মামুন। শফিক জানতো-এই নম্বরটি সোমা শুধুই রাতে ব্যবহার করে। বান্ধবীদের সাথে কথা বলে মনটা হালকা করে। গ্রামের পরিবেশে মন হালকা করার চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে? মামুন ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে। বছরে দুএকবার বাড়ি যায়। বাড়ির কারোর সাথেই তার সম্পর্ক ভালো নেই। কারণ তার স্বভাব চরিত্র ভালো নয়। তাছাড়া ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্বও যে অনেক। দু’রাত পর সোমা আবার সিমটা চালু করলো। এবার অনেক কথা হলো। সোমা নিজেকে বন্যা বলে পরিচয় দিলো। বাড়ি পাশের এলাকার এক গ্রামে বলে জানালো। মামুন নিজেকে অনেক বড় ব্যবসায়ী বলে মিথ্যা পরিচয় দিলো। মামুন এতোটা গুছিয়ে কথা বললো যে, সোমা মুগ্ধ হয়ে পড়লো। ভাবতে শুরু করলো-‘জীবনে যা ঘটে, তা বুঝি ভালোর জন্যই ঘটে।’ হারিয়ে যাওয়া মানুষের চেয়েও বুঝি ভালো এক মানুষের সন্ধান পেলো সে। এবার নতুন করে জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখতে শুরু করে সে।

সোমার মনজুড়ে স্বপ্নের ছুটোছুটি। আজ খুব ভোরেই তার ঘুম ভাঙলো। সত্যি বলতে কি, ঘুম আসেনি তার চোখে। খাওয়ার ইচ্ছা না থাকলেও বাবা-মার সঙ্গে ওকে বসতে হয়। সামনে নাস্তা নিয়ে বসে থাকে সোমা। হাত ওর চলতে চায় না। বাবা খুব আয়েশি ভঙ্গিতে মুরগির রান চিবুচ্ছে। দেখে ওর ভালো লাগার কথা। কিন্তু ভেতরে ভেতরে জ্বলে পুড়ে খাক হতে থাকে সোমা। মাও তার সেই চিরপরিচিত ভঙ্গিতে মুরগির মাংস রেখে গিলা, কলিজা, মাইটা বসিয়ে বসিয়ে খাচ্ছে। অতিকষ্টে এইসব দৃশ্য সহ্য করছিল ও।

কলেজে অনুষ্ঠান আছে, টাকা লাগবে বলেই উঠে পড়লো সোমা। সোমার বাবা ফরিদ সাহেব বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে সোমাকে পাঁচশ টাকা দিয়ে গেলেন। সোমা মনে মনে খুশি হলো। ভাবলো যে, এবার একটা বিকাশ একাউন্ট চালু করে নেবে। কারণ বিকাশে টাকা জমা থাকলে জরুরি

প্রয়োজনে মোবাইলে রিচার্জ করে নেয়া যায়। তাড়াহুড়া করে সোমাও বাড়ি থেকে বের হলো। রেল স্টেশনে পৌঁছেই পরিচিত এক দোকানে ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি ও মোবাইলে ফোনের নম্বরটা দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলে দিতে বললো। দোকানি একাউন্ট খোলার কাজ করছিলেন। হঠাৎ সোমার ফোনটা বেজে উঠলো। সোমা অবাক হলো। তাড়াহুড়ার কারণে সিমটা চালুই রয়ে গেছে। যাই হোক ফোনটা রিসিভ করলো সে।

‘কেমন আছো বন্যা?’

‘ভালো, আপনি?’

দুজনের কণ্ঠস্বরেই টানটান উত্তেজনা। অনুরাগের ছড়াছড়ি।

‘কী করছো? এতো শব্দ কিসের?’

‘কলেজে যাবো। এখন অবশ্য একটা মোবাইল ফোনের দোকানে।’

‘ওখানে কেন?’

‘একটা বিকাশ একাউন্ট চালু করছি। বিপদে কিংবা জরুরি প্রয়োজনে কাজে লাগবে কি না তাই।’

‘আচ্ছা, তুমি বেশ বুদ্ধিমতি। তো টাকা পাবে কোথায়?’

‘বাবা দিবেন।’

‘কোন নম্বরে…?’

‘যাক, তা জানার দরকার নেই।’ সোমা লজ্জায় হেসে ফেললো।

‘আপনি তো খুব সুন্দর করে হাসতে পারেন…।’

‘প্লিজ ওভাবে বলবেন না।’

মামুন কৌশলে সোমার বিকাশ নম্বরটা জেনে নিলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই নম্বরটিতে এক হাজার টাকা পাঠিয়ে দিলো। সেই একটি মেসেজ- ‘বান্ধবীদের নিয়ে চটপটি খেও।’ সোমা খুব অবাক হলো, এভাবেই সেই সাথে তিন মাস পার হয়ে গেলো। মামুনের যে আর দেরি সইছে না। কি যে করবে!

সারাক্ষণ অস্থির থাকে। একদিন সোমা তার ছবি দেখতে চাইলে সে তার এক বন্ধুর চারটা ছবি পাঠিয়ে দিলো। মামুন অবশ্য সোমার ছবি দেখার প্রয়োজন মনে করেনি। সে মনে করে নারী তো নারীই। গায়ের রঙ কালো নয়তো ধলো হবে। উচ্চতা ৫ ফুটের সামান্য কম কিংবা বেশি হবে। আর সবকিছু তো…।

রাতে ঘুম হয়নি। বিছানায় শুয়ে মামুনের, মানে আকাশের ছবিগুলো দেখছিল সোমা, মানে বন্যা। হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠলো। অবশ্য এখন আর সিমটা বন্ধ করে না সোমা। ফোনটা রিসিভ করেই সোমা বললো, ‘শুভ সকাল, মি. আকাশ।’

‘শুভ সকাল, প্রিয়তমা বন্যা’ কণ্ঠটা ভার। উদাস।

‘কী ব্যাপার, মন ভালো নেই?’

‘না।’

‘কেন বলতো ?’

‘থাক, ওসব জেনে লাভ কী?’

‘প্লিজ লক্ষী সোনা, বলো।’ অধিকার নিয়ে জোর গলায় বললো সোমা।

‘বন্ধুরা তাদের স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে যাচ্ছে…।’

সোমা থমকে গেলো। কী বলবে ভেবে পাচ্ছিল না।

‘তুমিও যাও…।’

‘একা একা…?’

সোমা একেবারে চুপ হয়ে গেলো।

‘কিছু বলছো না যে…?’

‘কী বলবো?’

‘যা ইচ্ছে…।’

সোমা অনেক বুঝালো মামুনকে। কিন্তু মামুন নাছোড়বান্দা। তাকে ছাড়া সে কিছুতেই বেড়াতে যাবে না। সোমার মনটা দ্রুত বদলে যেতে লাগলো। রাতে সোমা ফোন করলো।

‘আমি সাথে গেলে কি তুমি খুশি হবে?’

‘তা তুমি নিশ্চয়ই জানো…।’

‘আমাদের বিয়ে হয়নি… এভাবে…।’

‘তবুও তো…..।’

‘ঠিক আছে, প্রয়োজনে তুমি ঢাকায় পৌঁছামাত্রই আমরা বিয়ের কাজটা সেরে নিবো….।’

‘তা কি ঠিক হবে?’

‘কেন নয়?’

আকাশকে কথা দিয়েছে। যেভাবেই হোক আজ ঢাকায় যেতেই হবে। বাড়িতে মা-বাবাকে বুঝিয়ে বললো যে, তার এক বান্ধবীর বিয়ে। সেখানে তাকে দু’দিনের জন্য যেতেই হবে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বাস এসে গাবতলী টার্মিনালে থামলো। মাঘের শীত চারদিকে ঘন কুয়াশা। দুজনেই শীতের কাপড় জড়িয়ে আছে। টার্মিনালের পাশের হোটেলগুলোর পরিবেশ খুব একটা ভালো নয় অজুহাতে তারা পুরানা পল্টন এলাকার এক হোটেলে ওঠার সিদ্ধান্ত নিলো। সোমার মনে লজ্জা। মামুনের মনে অস্থিরতা। সোমা বোরখা পরা। তারা এখনো পর্যন্ত জানতেই পারলো না যে-দুজন আপন খালাতো ভাই-বোন। আবেগ আর মোহ তাদের অন্ধ করে রেখেছে। সিএনজি ছুটে চলছে ধীরগতিতে। কারণ কুয়াশায় সবকিছুই যেন অস্পষ্ট।

সিএনজি ছুটছে। তাদের মনের ভাব বাড়ছে। এখন তারা যেন শুধুই একজন নারী আর একজন পুরুষ। যেন হারিয়ে যেতে নেই মানা। প্রীতম হোটেলের সামনে এসে থামলো সিএনজি। ঝটপট ভাড়া মিটিয়ে দিলো। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা ২০৭ নম্বর রুমে উঠলো।

দুজনেই যেন পৃথিবীর সবকিছু ভুলে গেলো। হঠাৎ আবার বিদ্যুৎ চলে গেলো। হোটেলের জেনারেটরটিও বিকেল থেকে বিকল হয়ে আছে। হোটেল বয় এসে দুটো মোমবাতি দিয়ে গেলো। মোমবাতি জ্বালানোর সময় যে মামুনের নেই। তড়িঘড়ি করে দুজনেই ফ্রেশ হয়ে নিলো। তারপর খুব কাছাকাছি বিছানায় বসলো দুজনে। সোমার মনে ভয় আর উত্তেজনা। সোমা কিছু বললেই

মামুন তা ভিন্নভাবে বুঝিয়ে তাকে থামিয়ে দিচ্ছিল।

‘আসলে বিশ্বাস-ভালোবাসাই পৃথিবীতে সবকিছু বাঁচিয়ে রাখে…।’

‘তা বুঝলাম। কিন্তু…।’

‘কোনো কিন্তু নয়। আমরা দুজন দুজনার। নিশ্চয়ই আল্লাহপাক আমাদের ক্ষমা করবেন এবং স্বামী-স্ত্রী হিসেবে কবুল করে নিবেন’।

‘প্লিজ আকাশ…।’

‘ঠিক আছে, সকালেই কাজীর অফিসে গিয়ে বিয়ের কাজটা করে নেবো…।’

সোমা আর কথা বাড়ায় না। কথা শেষ না হতেই মামুন জড়িয়ে ধরে সোমাকে। ধীরে ধীরে সরতে থাকে তাদের গায়ের জামা।

‘বন্যা, আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। তোমাকে আমি সুখে রাখবো …।’

‘আমিও তোমাকে ভালোবাসি… তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না…।’

মামুন তাকে শক্ত করে বুকে জড়িয়ে ধরলো। আলতো করে সোমার কপালে একটা চুমু দিলো। এবার শুয়ে পড়বে। সোমাকে বালিশ ঠেলে দিয়ে শোয়াবে বলে টান দিতেই…। চোখে পড়লো আলো। সম্ভবত হোটেল বয় লাইটের সুইচটা ‘অন’ করে রেখে গিয়েছিল! হঠাৎ করে রুমজুড়ে আলো আর আলো। কারো মুখে কথা নেই। তাদের কানে তখন ভেসে আসছিল দূরের কোলাহল।

:: সাব্বির আহমেদ সুবীর

সাময়িকী'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj