সাভারের আশুলিয়ায় চারটি লাশ উদ্ধার

আগের সংবাদ

লাকসামে নির্বাচনী সহিংসতায় আহত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

পরের সংবাদ

২০ জানুয়ারী নিউইয়র্কে শো টাইমের পিঠা উৎসব

প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১০, ২০১৯ , ১২:১৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০১৯, ১২:১৫ অপরাহ্ণ

শামীম আহমেদ

শামীম আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি নিউইয়র্ক থেকে

প্রবাসের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী শো টাইম মিউজিক নিউইয়র্কে আয়োজন করতে যাচ্ছে পিঠা উৎসব। আগামী ২০ জানুয়ারী কুইন্স প্যালেসে ৫০ থেকে ৬০ রকমের পিঠার পসরা সাজিয়ে বসবেন আয়োজকরা। বিকাল তিনটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে এ পিঠা উৎসব। একই সঙ্গে থাকছে জমজমাট ফ্যাশন শো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ এবং প্রবাসের একঝাক তারকা কন্ঠশিল্পী এতে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। প্রবেশ ফি ছাড়াই এতে পরিবার পরিজনসহ অংশ নিয়ে রকমারি পিঠার স্বাদ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শো টাইমের কর্ণধার আলমগীর খান আলম। আজ ৯ জানুয়ারী বুধবার উৎসব আয়োজনের খুটিনাটি জানাতে তিনি আয়োজন করেন এবং সংবাদ সম্মেলনের। উৎসবের টাইটেল স্পন্সর পাকিস্তানি ল’ ফার্ম চৌধুরী এবং ফ্রানজনির ৭২ এবং ব্রডওয়ের অফিসের মির্টিং রুমে। এতে আলমগীর খান ছাড়াও বক্তব্য রাখেন চৌধুরী এন্ড ফ্রানজনির দুই আইনজীবি এটর্নী শাহরিয়ার চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিফ, ডাঃ খন্দকার ফেরদৌস এমডি, বোম্বে থিয়েটারের মালিক মোহাম্মদ আসিফ এবং ল’ফার্ম চৌধুরী এন্ড ফ্রানজনির কম্যুনিকেশন ম্যানেজার নুসরাত শারমিন তিশাম এবং উৎসব কমিটির সদস্য সচিব মিয়া মোহাম্মদ দুলাল।
সংবাদ সম্মেলনে শো টাইমের কর্নধার আলমগীর খান আলম বলেন, আমরা চার বছর ধরে এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে আসছি। শো টাইম বছর জুড়েই যুক্তরাষ্ট্রে মেগা ইভেন্ট আয়োজন করে। এসব অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্পন্সর হিসেবে অনুষ্ঠান অংশীদার হলেও পিঠা উৎসব আমার নিজের খরচে আয়োজন করে আসছিলাম। কিন্তু এ বছর ল’ফার্ম চৌধুরী এন্ড ফ্রানজনি আগ্রহ দেখালো আমাদের আবহমান বাংলার ঐতিহ্য পিঠা উৎসবের গর্বিত স্পন্সর হওয়ার। তাই অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আয়োজনের পরিসর বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ ও প্রবাসের বহু সংখ্যক সঙ্গীত শিল্পী ও মডেল এতে অংশ নিচ্ছেন। টাইটেল স্পন্সর প্রতিষ্ঠানটির প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আলমগীর খান বলেন, আমরা তাদের ধন্যবাদ না জানিয়ে পারছি না। কেননা এ ধরনের জাতিগত ঐতিহ্যের উৎসবে সাধারনত কোন বিদেশী কোন প্রতিষ্ঠান পৃষ্ঠপোষকতা করতে আগ্রহ বোধ করেনা। কিন্তু পিঠা উৎসবের মতো এই ইভেন্টে একটি বিদেশী ল’ফার্ম অর্থ সহযোগিতা দিচ্ছে এটা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি জানান উৎসবস্থলে ঢুকতে কোন দর্শনী (প্রবেশ পত্র) না লাগলেও পিঠা ফ্রি নয়। নাম মাত্র মূল্যে পিঠা কিনে খেতে হবে। তবে সঙ্গীত এবং ফ্যাশন শো ফ্রি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে টাইটেল স্পন্সর প্রতিষ্ঠান চৌধুরী এন্ড ফ্রানজনির পক্ষে এটর্নী শাহরিয়ার চৌধুরী বলেন, জ্যাকসন হাইটস এশিয়ান কম্যুউনিটির সবচেয়ে বড় হাব। আমরা কালার ব্লাইন্ড নই। আমরা সব রঙের মানুষকে ভালোবাসি। তাদের আইনী সেবা দিতে চাই। তাই কম্যুনিটির জন্য আমাদের দরজা সবসময় খোলা। আমরা জরুরী আইনী বিষয়ে ফ্রি পরামর্শ দিয়ে থাকি। বিশেষ করে বাংলাদেশীদের জন্য রয়েছে আমাদের বিশেষ সেবা। এ প্রতিষ্ঠানেরই আরেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আতিফও শাহরিয়ার চৌধুরীর বক্তব্যে একমত পোষন করে বলেন, ইমিগ্রেশন, এক্সিডেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ আইনী সেবা দ্রুত মানুষের দোরগোড়ায় পৌচ্ছে দিতেই আমরা জ্যাকসন হাইটস এসেছি। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশীরা যাতে অতি সহজে যে কোন আইনী পরামর্শ বা সেবা পেতে পারেন সেজন্য জ্যাকসন হাইটসের অতি পরিচিত চিকিৎসব ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার সবাই সহযোগিতা দেয়ার জন্য তৈরী আছেন বলে জানান। ডাঃ ফেরদৌসের সঙ্গে একমত পোষণ করে আইনী প্রতিষ্ঠানটির কমিউনিকেশন ম্যানেজার বাংলাদেশী নুসরাত শারমিন তিশাম বলেন, আমাদের কম্যুউনিটির অনেকের আইনী সহায়তার প্রয়োজন হয়। কিন্তু যে বিষয়ে তার আইনী পরামর্শ বা সেবা প্রয়োজন তারা ইংরেজীতে তা ভালোভাবে বুঝিয়ে বলতে পারেন না। ফলে তাদের অনেক সমস্যার সম্মূখীন হতে হয়। এজন্য আমরা সার্বক্ষনিক বাংলায় কেস স্টোরি নিয়ে তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।