পদত্যাগ করছেন মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগের সংবাদ

ফিরমিনোর স্ত্রীকে চমকে দিলেন কুতিনহো

পরের সংবাদ

বর্ষসেরা সালাহ

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮ , ১২:০৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮, ১২:০৯ অপরাহ্ণ

আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার পেলেন লিভারপুলের মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ। গতকাল বিবিসি কর্তৃপক্ষ তার হাতে বর্ষসেরার পুরস্কার তুলে দেয়। সেরা হওয়ার দৌড়ে সালাহ পেছনে ফেলেছেন ম্যানচেস্টার সিটির রিয়াদ মাহরেজ, ক্লাব সতীর্থ সাদিও মানে, মেধি বেনাশিয়া, উড়ন্ত ফর্মে থাকা আর্সেনালের গ্যাবনিজ স্ট্রাইকার পিয়েরে এমেরিক অবামেয়াংয়ের মতো তারকাদের। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এ পুরস্কারটি সালাহর হাতে উঠল। এর আগে ২০১৭ সালের আফ্রিকান বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
বর্ষসেরার চূড়ান্ত তালিকায় সালাহ ছাড়াও ছিলেন তার লিভারপুল সতীর্থ সাদিও মানে, আর্সেনালের গ্যাবনিজ স্ট্রাইকার পিয়েরে এমেরিক অবামেয়াং, নাইজেরিয়ার উইঙ্গার অ্যালেক্স ইওবি, জুভেন্টাসের হয়ে খেলা মরক্কোর সেন্টারব্যাক মেধি বেনাশিয়া, ম্যানচেস্টার সিটির আলজেরীয় উইঙ্গার রিয়াদ মাহরেজ, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ঘানার মিডফিল্ডার থমাস পার্টে, আয়াক্সে খেলা ঘানার গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা, তিউনিসিয়ার উইঙ্গার আনিস বদ্রি ও আল আহলির মিসরীয় উইঙ্গার ওয়ালিদ সোলিমান। এ পুরস্কার পাওয়ার ফলে যৌথভাবে দুবার আফ্রিকান বর্ষসেরা হওয়ার তালিকায় সালাহ শীর্ষে উঠে এলেন। সালহার আগে দুবার এ পুরস্কার জেতেন নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার জে জে ওকোচা ও আইভরি কোস্টের ইয়া ইয়া তোরে। ওকোচো ২০০৩ এবং ২০০৪ সালে এ পুরস্কার জিতেন। অন্যদিকে ইয়া ইয়া ২০১৩ এবং ২০১৫ সালে এ পুরস্কার পান।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে কিংবা মিসরে গত মৌসুমটা দুর্দান্ত কেটেছে মোহামেদ সালাহর। লিভারপুলের হয়ে নিজের প্রথম মৌসুমেই ৪৪ গোল করার কীর্তি গড়েন তিনি। হন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ফলে গোল্ডেন বুট পুরস্কারটাও তার হাতেই ওঠে। এর মাধ্যমে তিনি উঠে আসেন বিশে^র সেরা খেলোয়াড়দের কাতারে। চমৎকার পারফরমেন্সের দ্বারা সালাহ ক্লাবকে নিয়ে গেছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে। ফাইনাল ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে তার দল হেরে যায়। ওই ম্যাচেই ইনজুুরিতে পড়েন তিনি। চোটে না পড়লে হয়তো ম্যাচের ফলাফলটা অন্য রকম হতে পারত। এ ছাড়া তার কৃতিত্বেই মিসর দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। তবে ইনজুরির কারণে সালাহর বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, এমনকি রাশিয়া বিশ^কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি খেলতেও পারেননি তিনি।

ফুটবলের প্রতি টান আর দেশের মায়ায় ইনজুরি নিয়েই গ্রুপ পর্বেও দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেন তিনি। স্বাগতিক রাশিয়ার বিপক্ষে ওই ম্যাচে একটি গোলও করেন ২৬ বছর বয়সী এ তারকা। তবে সেই ম্যাচটিতে সালাহর মিসর হেরে যায়। তৃতীয় ম্যাচে সালাহ ফের গোল করলেও সৌদি আরবের বিপক্ষে জয় পায়নি তারা। ফলে তিন ম্যাচ হারায় বিশ^কাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে পড়ে মিসর।