বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিয়ে আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজ

আগের সংবাদ

বিশ্ব ইজতেমা মাঠ খুলে না দিলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

পরের সংবাদ

আপিলে ১৫৮ জনের প্রার্থিতা ফেরত, বাতিল ১৪১

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৭, ২০১৮ , ৮:৫২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৮, ৮:৫২ অপরাহ্ণ

আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশনে দুই দিনে ১৫৮ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। বাতিল বা খারিজ হয়েছে ১৪১ জনের আপিল। দুই দিনে ৩১০টি আপিল শুনানি করে ইসি। বাকিগুলো পেন্ডিং রয়েছে।

দ্বিতীয় দিন আজ শুক্রবার আপিল শুনানিতে ৭৮ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। ৬৫টি আপিল খারিজ হয়ে যায়। আর ৭টি পেন্ডিং রাখা হয়েছে। এদিন আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, গণফোরামের প্রার্থী রেজা কিবরিয়া, জাতীয় পার্টির সোহেল রানাসহ (মাসুদ পারভেজ) আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পান। আর আপিলে বাদ পড়লেন গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, বিএনপি নেতা ডা. জেডএম জাহিদ হোসেন, জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদারসহ ৬৫ জন।

দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশন ভবনের অস্থায়ী এজলাসে এ শুনানি শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে শুনানি চলে। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ছাড়াও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

এদিন ১৫০ জনের আপিল শুনানি করা হয়। আগামীকাল শনিবারও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার প্রথমদিনের শুনানিতে ৮০ জন প্রার্থিতা পেয়েছিলেন। এরমধ্যে বিএনপির ছিল ৩৮ জন। আবেদন নামঞ্জুর হয়েছিল ৭৬টা আর পেন্ডিং ছিল চারটি। এ নিয়ে দুদিনে প্রার্থিতা ফেরত পেলেন ১৫৮ জন এবং ১৪১ জনের আপিল বাতিল হয়েছে।

২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৭৮৬টি অবৈধ বলে ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এগুলোর মধ্যে বিএনপির ১৪১টি, আওয়ামী লীগের ৩টি এবং জাতীয় পার্টির ৩৮টি মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ৩৮৪টি।

এ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর । ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর।