নির্বাচনী ইশতেহার ও তরুণদের প্রত্যাশা

আগের সংবাদ

নির্বাচনী টুকিটাকি এবং বাড়াবাড়ি

পরের সংবাদ

খেলাপি ভোটাররাও নন-খেলাপি প্রার্থী চান

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ৬, ২০১৮ , ৮:৩৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০১৮, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান

উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

আমরা যদি খেলাপিদের নাম ধরে বলতে পারতাম, তাহলে গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে বিল ও খেলাপি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করত। প্রতিদিন কিছু কিছু লোক নির্বাচনের অসঙ্গতি নিয়ে অভিযোগ দিবেন। আর এর মধ্য দিয়ে একটি ভালো নির্বাচন হয়ে যাবে। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আসবে। নির্বাচন কমিশন সমাধান করবে, ব্যবস্থা নিবেন। এগুলো চলবেই। মূল বিষয় হচ্ছে জনগণ। নির্বাচনে জনগণই সব কিছু বিবেচনা করবে।

সব রাজনৈতিক দল এবং জনগণের সমন্বয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রেখেছি। বর্তমানে নানা ত্রুটিবিচ্যুতি, একে অপরের বিরুদ্ধে বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগসহ নানা অসঙ্গতিপূর্ণ বিষয় থাকা সত্ত্বেও আমরা একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথেই হাঁটছি। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনের মূল সুবিধাভোগী রাজনৈতিক দল এবং রাজনীতিবিদরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।

আমি মনে করি, দিনশেষে এই অংশগ্রহণমূলক উপস্থিতি নির্বাচনের ইতিবাচক লক্ষণ। ইতোমধ্যে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। নির্বাচনে প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা লোয়ার লেভেলের কাজ। অর্থাৎ রিটার্নিং কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা প্রার্থীদের মনোনয়ন বাছাই করে থাকেন। এই কাজটি করার ক্ষেত্রে তাদের পক্ষে কোনো ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ করার সুযোগ নেই। নিজ বুদ্ধি, বিবেক, বিবেচনা মতো অর্থাৎ ‘মনে হয় এ রকম হতে পারত’, এমন কোনো কিছু করার সুযোগ নির্বাচন কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্টদের দেয়া হয় না। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য তাদের একটি ফরমেট নির্ধারণ করে দেয়া আছে।

ঋণখেলাপির বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকা অনুযায়ী। এ ক্ষেত্রে যদি কোনো প্রার্থীর নাম বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাঠানো ঋণখেলাপিদের তালিকায় থাকে সে ক্ষেত্রে বিষয়টি সঠিক অথবা ঠিক নয়, এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো এখতিয়ার লোয়ার লেভেলের কারো নেই। কাজেই ঋণখেলাপির বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রার্থিতা বাতিল ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এমনকি তথাকথিত হেভিওয়েট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল ছাড়া আর কিছু করার নেই।

আর মামলা-মোকদ্দমায় যারা সাজাপ্রাপ্ত, তাদেরও প্রার্থিতা বাতিল হচ্ছে। কারণ হাইকোর্টের আপিল বিভাগ থেকে বিষয়টি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ যারা কোনো কারণে দণ্ডিত, তারা দণ্ডভোগের ৫ বছর আগে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। কোনো প্রার্থী যদি দণ্ডপ্রাপ্ত এবং ঋণখেলাপি হয়ে থাকেন, তাহলে তার মনোনয়ন বাতিল হবেই। ঋণখেলাপির ক্ষেত্রে পরিমাণের বিষয়টি রয়েছে। অর্থাৎ কে কত টাকা ঋণখেলাপি? কোনো পদ্ধতিগত কারণে ঋণখেলাপি কিনা? তার জন্য প্রার্থীর আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে গত তিনদিনে প্রার্থীরা আবেদন করেছেন। কেবল তাই নয়, যদি প্রতিপক্ষ কোনো ব্যক্তি মনে করেন চূড়ান্তভাবে নির্বাচনে টিকে যাওয়া ব্যক্তিটি প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নয়, তাহলে প্রতিপক্ষ সেই প্রার্থীর বিরুদ্ধেও আপিল করতে পারেন। আবার মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে যারা বাদ পড়ছেন, তারা পুনরায় প্রতিকারের জন্য উচ্চ আদালতে যেতে পারবেন। বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে থেকে কেউ যদি মনে করেন, তাকে বাদ দেয়া হয়েছে কিন্তু ঋণখেলাপিভুক্ত কেউ একজন টিকে গেলেন, তাকে বাদ দেয়া হয়নি, তাহলে টিকে যাওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধেও আপিল করার সুযোগেটি রয়েছে।

বর্তমানে নানা দিক বিবেচনা করে ৭৮৬ জনকে বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকে আবার আইনি লড়াই করবেন। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে টিকে যাবেন। আর যারা ইতোমধ্যে টিকে গেছেন, ২২৮৯ জন, তাদের মধ্যে থেকে অনেকে আবার বাদ পড়বেন। প্রথম ধাপে তারা হয়তো অনেক ফাঁকফোকর দিয়ে পার হয়ে গেছেন। কিন্তু তাদের প্রতিপক্ষরা নির্বাচন কমিশনে নানা তথ্য, মামলার ডকুমেন্ট জমা দিবেন। এতে করে প্রথমদিন টিকে যাওয়া অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাবে।

আবার বাদ পড়া ৭৮৬ জনের মধ্য থেকে অনেকে আবার নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবেন। প্রতি বছর এমন হয়ে থাকে, এবারো তাই হচ্ছে। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্বাচনী হলফনামায় দেয়া অর্থ সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

তবে আমি মনে করি, তাদের হিসাব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকার কোনো কারণ থাকা উচিত নয়। কারণ বিষয়গুলো হাইলি সেনসিটিভ। বিষয়টি তারা ভালোভাবে জানেন এবং সঠিক হিসাবই দেয়া আছে। তাদের বিষয়ে কেউ যদি সন্দেহ প্রকাশ করে থাকেন, তাহলে তিনি ভুল করছেন এটা বলা যাবে না। মনে রাখতে হবে, ওয়ান-ইলেভেনের পর খালেদা জিয়া অতিরিক্ত জরিমানা দিয়ে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করেছেন। মূল্যস্ফীতির কারণে ১০ বছর আগে সম্পদের মূল্য আগে যা ছিল, বর্তমানে ওই দাম তিনগুণে গিয়ে পৌঁছেছে। কাজেই যারা রাজনীতির উচ্চ পর্যায়ে আছেন, তাদের এ বিষয়ে সন্দেহের ঊর্ধ্বে থাকার চেষ্টা করবেন। অন্তত আমি সন্দেহ করি না। বর্তমানে অনেকে এখন বড় বড় ঋণখেলাপি রি-শিডিউল করে নিয়েছেন।

এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের একটি নীতিমালা অবশ্যই রয়েছে। ঋণখেলাপি দুই-তিন ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণখেলাপি। কারো কারো ক্ষেত্রে আবার সিস্টেমের কারণে ঋণখেলাপি হয়। যেমন- শিল্পকারখানা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পরে গ্যাস বা বিদ্যুৎ সংযোগের অনুমতি পাননি। ফলে ঋণের কিস্তি দিতে পারছেন না।

তবে খেলাপি ঋণ রি-শিডিউল করা আইনসম্মত ব্যাপার। কেবল বড় ব্যবসায়ীরা খেলাপি ঋণ রিসিডিউল করতে পারবেন, এমন নয়। ছোটদের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। অন্তত এ ক্ষেত্রে আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। ছোট-বড় সবাই খেলাপি ঋণ রি-শিডিউল করতে পারে। এতে কোনো অসুবিধা নেই। পানি, বিদ্যুৎ, টেলিফোন বিল না দেয়া, ঋণখেলাপি কিংবা মামলা ইত্যাদি ছোট ছোট বিষয়গুলো আমাদের রাজনীতিবিদদের মনে রাখতে হবে।

বাস্তবতা হচ্ছে নির্বাচনের প্রার্থীরা কেবল এগুলো নিয়মিত পরিশোধ করেন না, এমন নয়। সমাজের অনেকেই এসব বিল দেন না। সমাজের যারা ‘সাধারণ জনগণ’ আছেন, তারাও অনেক কিছুরই বিল দেন না। কিন্তু যে ব্যক্তি পানি, বিদ্যুৎ, টেলিফোন বিল দেন না কিংবা ঋণখেলাপি, তারও চাওয়া হচ্ছে নেতা হবেন শতভাগ স্বচ্ছ। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকা যাবে না। নেতা হবেন শতভাগ ত্রুটিমুক্ত। আমেরিকায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, কিংবা ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশা কোনো ব্যাপার নয়। সেখানে অবাধ স্বাধীনতা। কিন্তু যখন কেউ নির্বাচনে দাঁড়ায়, তখন সবাই চান প্রার্থীর বা নেতার কোনো নৈতিক স্খলন আছে কিনা? যে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলা যায়।

অর্থাৎ আমাদের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের স্কুলজীবন থেকে শুরু করে কোনো ক্ষেত্রে কোনো রকমের আচরণের মধ্যে সামান্যতম ত্রুটি থাকা উচিত নয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আয়কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী লোকের সংখ্যা মাত্র ৩০ লাখ। কিন্তু আয়কর দেয় মাত্র ১২ লাখ লোক। যারা জনগণ অর্থাৎ ভোটার, তারা সবাই ভালো, আর যারা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন তারা খারাপ হয়ে গেছেন, এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।

১৬ কোটি মানুষের দেশে আয়কর দেন মাত্র ১২ লাখ। এর অর্থ হচ্ছে, দেশে প্রচুর লোক আছেন, যারা কর বা ঋণের টাকা দিচ্ছেন না। তারা ভোটে দাঁড়াননি। পানি, বিদ্যুৎ, টেলিফোন বিল দিচ্ছেন না এমন লোকের সংখ্যাও সমাজে অনেক। প্রার্থীদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আসছে কারণ একটিই, তারা ভোটে দাঁড়িয়েছেন অর্থাৎ নির্বাচন করছেন। তা না হলে খেলাপিদের তালিকায় তাদের নামই আসত না, জনগণও জানতে পারত না। নির্বাচনে প্রার্থীদের চেয়ে বড় বড় বিল বা ঋণখেলাপি শত শত আছে। আর একটি বিষয় হলফনামায় তথ্যের সত্যতা গুরুত্বপূর্ণ। যদি হলফনামায় তথ্যের কোনো গড়মিল থাকে, সেটা দেখার জন্য আলাদা কমিশন রয়েছে।

বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের সক্ষমতা অনেকাংশে বেড়েছে। তারা বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনদের ডেকে পাঠাচ্ছে। মন্ত্রী-এমপিকে সমন দিচ্ছে, চিঠি দেয়া, ডেকে পাঠানো এই কাজগুলো এখন বেশ ভালোভাবেই হচ্ছে। এতটুকু দুদকের কর্মকা-ও আগে ছিল না। তবে আমাদের মতো ‘জনগণ’ যখন নির্বাচনের প্রার্থীদের ঋণখেলাপিসহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি, তখন এ থেকে রাজনীতিবিদদের জন্য এক ধরনের শিক্ষা হওয়া দরকার। কাজেই যেসব প্রার্থী বিল না দেয়ার কারণে বাদ পড়ছেন, তারা এক সময় মনে করতেন বিল দেয়া কোনো ব্যাপারই নয়।

বর্তমানে অনেকে ক্ষমতায় আছেন, যারাও বিল ও ঋণখেলাপি হচ্ছেন, বিল দিচ্ছেন না। দিনশেষে তাদের পরিণতিই এমনই হবে। কাজেই এটি আমাদের রাজনীতিবিদদের জন্য একটি বার্তা যে, ছোট হোক বড় হোক সব ঋণ কিংবা বিল খেলাপিই বড় কাজের স্বপ্নভঙ্গের অন্তরায়। আমার বক্তব্য হচ্ছে, নানা কারণে প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার বিষয়টি গণতান্ত্রিক চর্চারই একটি অংশ। এ নিয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে এক ধরনের সচেতনতা তৈরি হচ্ছে।

আগের প্রজন্ম যাই করুন না কেন, বর্তমান প্রজন্ম ‘টিন’ নাম্বার সংগ্রহ, আয়কর জমা দেয়া ইত্যাদি কাজে ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলেছে। করমেলায় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার কোটি টাকা কর আদায় হয়েছে। যখন আয়কর মেলা শুরু হয়, তখন আদায়ের পরিমাণ ছিল তিনশ থেকে চারশ কোটি টাকা।

এদিক থেকে বিল ও ঋণখেলাপিদের সতর্ক করা নির্বাচনের আরেকটি সুফল। আমরা যদি খেলাপিদের নাম ধরে বলতে পারতাম, তাহলে গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে বিল ও খেলাপি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করত। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলের অভিযোগের বিষয়গুলোর মধ্যে কিছু আছে কথার লড়াই। এগুলো চলতেই থাকবে। প্রতিদিন কিছু কিছু লোক নির্বাচনের অসঙ্গতি নিয়ে অভিযোগ দিবেন। আর এর মধ্য দিয়ে একটি ভালো নির্বাচন হয়ে যাবে।

অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আসবে। নির্বাচন কমিশন সমাধান করবে, ব্যবস্থা নিবেন। এগুলো চলবেই। মূল বিষয় হচ্ছে জনগণ। নির্বাচনে জনগণই সব কিছু বিবেচনা করবে এবং তারাই স্বাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। নির্বাচন কলুষিত হবে, টাকা-পয়সা ব্যয় হবে, মাস্তানিসহ বহু কিছু হবে। আমি বলি শেষ বিচারে জনগণই ভোট দিবেন। কোনো ব্যক্তি কথা দিয়ে কথা রাখেননি, ঋণখেলাপি, সেসবের অনেক কিছুই জনগণ জানেন। তাহলে জনগণ কেন তাকে ভোট দেয়? কেন্দ্রে যাওয়ার পরে জনগণকে কেউ বাধ্য করছে না। কাজেই আমাদের নৈতিক স্খলন কেবল ৭৮৬ জনের মধ্যে হয়েছে, এমন নয়।

জনগণের মধ্যেও সমস্যা রয়েছে। আমরা ছোটবেলা থেকে ছাত্ররাজনীতি করেছি। সে সময় নির্বাচনী পোস্টার আসত, বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পোস্টার লাগানো বিলি করা ইত্যাদি কাজ করেছি। কেবল একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে।

কিন্তু এখন টাকা ছাড়া কোনো প্রার্থীর পোস্টার কেউ লাগাবে না। গুনেগুনে টাকা নিবেন কর্মীরা। ২০০টি পোস্টারের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। তা না দিলে পোস্টার মুখে ছুড়ে ফেলে চলে যাবে কর্মী। কাজেই জনগণ বলতে যাদের বোঝানো হয়, তারাও এত নিষ্পাপ নয়।

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান : উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।