কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে খেলবেন স্মিথ

আগের সংবাদ

নতুন কারা মহাপরিদর্শক হলেন মোস্তফা কামাল

পরের সংবাদ

এবার সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আয়কর মেলা শুরু

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ২৮, ২০১৮ , ৭:৩৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৮, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কর সংক্রান্ত সেবা প্রদানের লক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনা মালঞ্চ কনভেনশন হলে দুইদিনের ‘সশস্ত্র বাহিনী আয়কর মেলা’ শুরু হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল-৯ যৌথভাবে কর মেলার আয়োজন করেছে।

আজ বুধবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির মেলার উদ্বোধন করেন।

এ সময় এনবিআরের সদস্য (কর প্রশাসন) জিয়াউদ্দিন মাহমুদ ও কর অঞ্চল-৯ এর ঢাকার কমিশনার মো. মাহমুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন,দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য করযোগ্য ব্যক্তিদের কর প্রদান করতে হবে। তিনি ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) আরও সহজ করার অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীর সদস্যরা কর দিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। করমেলা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের করসেবা প্রাপ্তিকে সহজ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মেজর জেনারেল হুমায়ুন কবির কর মেলা আয়োজনের জন্য এনবিআরকে ধন্যবাদ জানান। একইসাথে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য দেশের অন্যান্য স্থানেও একই ধরনের মেলা আয়োজনের আহ্বান জানান।

জিয়াউদ্দিন মাহমুদ তার বক্তব্যে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে কর প্রদানের বিকল্প নেই। কর রাজস্ব আহরণের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন,বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে কর ফাঁকি দেয়াকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সশস্ত্র বাহিনী আয়কর মেলায় করদাতারা আয়কর বিবরণীর ফরম দাখিল থেকে শুরু করে কর পরিশোধের জন্য ব্যাংক বুথও পাচ্ছেন। তাদের সহায়তার জন্য কর কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক উপস্থিত রয়েছে।একই ছাদের নিচে সব সেবা পেয়ে খুশি করদাতারা।

মেলায় নতুন করদাতারা ইলেকট্রনিক কর শনাক্তকরণ নম্বর (ই-টিআইএন) নেয়ার পাশাপাশি পুনঃ নিবন্ধন করে পুরনো করদাতারা ই-টিআইএন নিতে পারছেন।

এ ছাড়া ই-পেমেন্টের জন্য পৃথক বুথের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এর আগে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে চলতি মাসের ১৩ থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৬৬টি স্থানে আয়কর মেয়া হয়েছে।

এতে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার কর রাজস্ব আয় হয়েছে।