ডুকাতির মনস্টার বাইক

আগের সংবাদ

শান্তিতে বাস করতে হলে আবারো নৌকায় ভোট দিন  : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী 

পরের সংবাদ

আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করুন

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ১১, ২০১৮ , ৫:০৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৮, ৫:০৭ অপরাহ্ণ

ক্যারিয়ার গঠন নিয়ে অনেকেই খুব চিন্তিত থাকেন। কেউ কেউ ভাবছে আমার ক্যারিয়ারটা কেমন হবে, আমি কোথা থেকে শুরু করব? প্রায় সবাই এর সমাধান চান। অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও বুঝতে পারেন না ছেলেমেয়েকে কী নিয়ে লেখাপড়া করাতে হবে। সিদ্ধান্তহীনতার ফলাফল যেমন বাবা-মাকে নিতে হয়, তেমনি শিক্ষার্থীরাও এর বাইরে যেতে পারে না। যে কোনো মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করতে হলে কিছু বিষয় আপনাকে মেনে চলতে হবে।

নিজের প্রতিভা ও দক্ষতাকে চিহ্নিত করা ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবার আগে নিজের প্রতিভা এবং দক্ষতা সম্পর্কে জানতে হবে। যা নয় তা নিয়ে ভাবনা পরিহার করার মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে। অন্যের সফলতা দেখে ভেঙ্গে নিজের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
লক্ষ্য নির্ধারণ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন
ক্যারিয়ার গঠনের জন্য এক বা একাধিক উপায় খুঁজে বের করার পর, তার প্রধান কাজ হবে তার জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ণ করা। কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ তা আপনিই ভালো জানেন।
দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা
ক্যারিয়ার গঠনের যতগুলো ধাপ রয়েছে তার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করাও একটি। আপনি যে পরিকল্পনা করবেন তা হতে হবে স্পষ্ট। যা আপনার ক্যারিয়ারকে উজ্জল করতে সহায়তা করবে। এতে থাকবে আপনি কী করতে চান, কিভাবে করতে চান, কখন করতে চান, কয়েক বছর পরে আপনাকে আপনি কোন অবস্থানে দেখতে চান।
জ্ঞান অর্জন ও জ্ঞানের সর্বোচ্চ প্রয়োগ
ক্যারিয়ার গঠনে জ্ঞান অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। গ্রন্থগত শিক্ষার সঙ্গে
আরো প্রয়োজন হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহন করা। অন্যকে নিজের চেয়ে বেশি জ্ঞানী মনে করলে নিজের মনোবল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
সময়ের সঠিক ব্যবহার
জীবনে ভালো কিছু করতে চাইলে সময়ের গুরুত্ব দিতেই হবে। আর তা যদি হয় জীবন গঠনের সময় তাহলে তো কথাই নেই। এই অবস্থায় যারা সময়ের সঠিক ব্যবহার না করে অবহেলায় উড়িয়ে দেয় তা তারা বাকি জীবনে হাড়ে হাড়ে টের পায়। অনেকেই মনের অজান্তে অহেতুক অনেক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পরে। প্রযুক্তির সহজ ব্যবহারের কারণেও অনেকে অযথা সময় নষ্ট করে। সময়ের কাজ সময়ে না করে ভবিষ্যতের জন্য রেখে দিলে তা সফল ক্যারিয়ারে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্য প্রয়োজন সময়ের সঠিক ব্যবহার। কাজের বাইরেও নিজের শরীর ও মনকে সুস্থ রাখার জন্য আপনি আলাদা সময় নির্ধারণ করতে পারেন।
সিদ্ধান্তের অগ্রাধিকার দেয়া
সময়ের সঠিক ব্যবহারের মতো সিদ্ধান্তের অগ্রাধিকার বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অগ্রাধিকার বা সিদ্ধান্ত নির্বাচন এবং সময় একে অন্যের সঙ্গে জড়িত। সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করাতে পারার ব্যপারটাকে অগ্রাধিকার বলা যেতে পারে।
অনেকেই ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহনে অগ্রাধিকার দিয়ে ব্যর্থ হন। সময় এবং পারিপার্শিক অবস্থান বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহনে অগ্রাধিকার ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। একই সঙ্গে চরিত্র গঠনের বিষয়টিও থাকছে। অগ্রাধিকার না দিয়ে চরিত্র গঠনে অবহেলা করলে আপনি ধ্বংসও হয়ে যেতে পারেন।