হোন্ডার দুই বাইকে রেজিস্ট্রেশন ফ্রি

আগের সংবাদ

ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করে আয়ের সুবিধা

পরের সংবাদ

পাঠাওকে লিগ্যাল নোটিশ

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৮, ২০১৮ , ৫:০৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৮, ৫:০৯ অপরাহ্ণ

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করা একজন ব্যক্তি। আফজাল হোসেন নামের এই ব্যক্তির অভিযোগ ‘পাঠাও’ তার কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করেছে এবং রাইড শেয়ারিং এই অ্যাপটি প্রায় সময়েই তার যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া আদায় করে যার কোন যৌক্তিকতা নেই।

লিগ্যাল নোটিশে মো: আফজাল হোসেনের উকিল তানজীম আল ইসলাম (এডভোকেট, সুপ্রীম কোর্ট, বাংলাদেশ) উল্লেখ করেন, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে বাংলামোটর থেকে গন্তব্যস্থল শেওড়াপাড়ার জন্য একটি পাঠাও রাইড ঠিক করেন আফজাল। সেখানে ভাড়া প্রদর্শন করা হয় ১০৫ টাকা। তবে গন্তব্যস্থলে পৌছানোর পর পাঠাও রাইডার (বাইক ড্রাইভার) ভাড়া দাবি করেন ১৭৩ টাকা। যেহেতু ভাড়া প্রদর্শিত হয়েছিল ১০৫ টাকা, সেহেতু আফজাল হোসেন এই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তর্কাতর্কি পর তাকে ১৭৩ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়।

আফজাল হোসেন আরো অভিযোগ করেন, ৪ নভেম্বর তারিখে রোকেয়া স্মরণী থেকে বীর উত্তম সি আর দত্ত রোডে সময়টিভিতে আবারো পাঠাও বাইক সার্ভিস ব্যবহার করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয় তাকে।

এইবার ভাড়া দেখানো হয় ১২১ টাকা। অথচ গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর পর সেই ভাড়া হয় যায় ১৪৯ টাকা। এ বিষয়ে চালককে ১২১ টাকা নিতে অনুরোধ করলে তিনি তা অস্বীকার করেন এবং নতুন ভাড়া দিতে বাধ্য করা হয় আফজাল হোসেনকে।

লিগাল নোটিশে ভাড়ার এই হেরফের হবার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। আফজাল হোসেনের দাবি তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

এছাড়াও লিগ্যাল নোটিশে আরো উল্লেখ করা হয় যে পাঠাও তাদের ড্রাইভারদেরকে দিয়ে উপরোক্ত নিয়মে নিয়মিত পকেট কাটছে গ্রাহকদের। পাঠাও সার্ভিসের ভাড়া কোন নিয়মের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হচ্ছে তার স্পষ্ট ব্যাখা চাওয়া হয়েছে লিগ্যাল নোটিশটিতে।