দালাল চক্র প্রতিরোধ করতে হবে

আগের সংবাদ

নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে: সিইসি

পরের সংবাদ

একজন জামাল খাসোগি এবং মুক্তচর্চার পৃথিবী

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৮, ২০১৮ , ৭:৫৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৮, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ

ফারুক যোশী

কলাম লেখক

জামাল খাসোগির রাসায়নিকভাবে নিশ্চিহ্ন মৃতদেহটা শুধুই কি আরব বিশ্বের একজন সাংবাদিক হত্যার ঘটনা হিসেবেই দুনিয়াব্যাপী উচ্চারিত হতে থাকবে। এই হত্যাকাণ্ডটি কি এই পৃথিবীর মুক্তচর্চার মানুষদের কথা বলতে আরো উজ্জীবিত করে তুলবে কিংবা আরো সাহসী হবে মুক্তচর্চার বিশ্বে এ প্রশ্নটা আসতেই পারে। সারা বিশ্ব এই মৃত্যুতে নির্বিকার থাকেনি, গর্জে না উঠলেও কথা বলেছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেখিয়ে দিয়েছে, পৃথিবীর দেশে দেশে যেখানেই কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে নেয়া হচ্ছে, সেখানেই জেগে উঠতে হবে।

সারা পৃথিবীতেই অনেক দেশ আছে, যেগুলোতে কথা বলার স্বাধীনতা অপ্রতুল। কথা বলার স্বাধীনতা ক্ষীণ থাকলে শাসকদের রাষ্ট্র শাসন করার পথ থাকে মসৃণ। কারণ মুক্তচর্চা যেখানে সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেখানে বিরুদ্ধাচরণের পথ স্বাভাবিকভাবেই রুদ্ধ হয়ে যায় এবং তা সাংবিধানিকভাবেই করা হয়ে থাকে। আইন দিয়েই করা হয়ে থাকে। রাষ্ট্রের নায়ক-নায়িকারা তখন স্বৈরাচারী হন, সাংবিধানিক দোহাই দিয়েই তারা জনগণের মুখে সেলোটেপ এঁটে দেন। যে সমাজ কিংবা রাষ্ট্রে মুক্তচর্চা বিঘ্নিত হয়, সে সমাজে শুধুই চাটুকার একটা শ্রেণি সৃষ্টি হতে থাকে।

এক সময়ের মেধাবী দ্রোহী মানুষের মেধা তখন বিপর্যস্ত হয়ে যায়, তারা হয়ে যান মেরুদণ্ডহীন। মুক্ত সমাজ বিনির্মাণে নিবেদিতপ্রাণ মানুষের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে তখন সাবেক ওই বিদ্রোহীদের বিদ্রোহী হাত শোষক কিংবা শাসকদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগুতে থাকে। দমন-নিপীড়নে শাসকদের সহযাত্রী হয় এরা। ওই বিদ্রোহীরা বিক্রি হয়, প্রতিদিন এরা আরো মেধা ক্রয়ের দালাল হিসেবে নিজেদের ফড়িয়া ব্যবসায়ী করে তোলেন। আর এভাবে ক্রমেই নাগরিক হারাতে থাকে সম্মান করার প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তি। জাতির সামনে তখন টিম টিম করে জ্বলতে থাকে শুদ্ধ মানুষদের প্রতিচ্ছবি।
মুক্তচর্চার সুযোগ একেবারে নেই এরকম দেশের সংখ্যা ৪৯।

সারা পৃথিবীতে মুক্তচর্চা সবচেয়ে বেশি যেখানে রুদ্ধ করে রাখা হয়েছে, সে দেশগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। যে দেশগুলোতে ধর্মীয় বিধি-বিধানকেই রাখা হয় দেশ চালনার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে। রাজনৈতিকভাবে পৃথিবীতে অনেকে অনেক বেশি উচ্চারিত গণতন্ত্র শব্দটি এই দেশগুলোতে এক্সিস্ট করে না। এগুলোতে ধর্মীয় লেবাসটাই প্রধান হয়ে যায়। ধর্মকে বর্ম করে এরা। যেহেতু ধর্ম দিয়ে একটা বাতাবরণ থাকে, অতএব রাষ্ট্রের বিপরীতে কিছু উচ্চারিত হলেই তা হয়ে যায় ধর্মের বিরুদ্ধাচরণ। স্বাভাবিকভাবেই তখন প্রচলিত আইনেই যে কোনো মানুষকে এরা দাঁড় করাতে পারে আইনের কাঠগড়ায়। মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ তিউনিসিয়া এবং কাতারকে আংশিক মুক্তচর্চার দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা যেতে পারে। অন্তত এ দেশ দুটোর অভ্যন্তরীণ ইস্যু নিয়ে মিডিয়া কিছুটা হলেও কথা বলতে পারে। বাকি দেশগুলোতে এ সুযোগটুকু নেই।

বরং দেশগুলোর শাসক শ্রেণি তাদের ব্যক্তি স্বার্থ সিদ্ধির প্রয়োজনে কিংবা একটা সংঘবদ্ধ গ্রুপের লুটপাট সহজ করে তোলার জন্য তারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে থাকে। বংশানুক্রমিক রাজত্ব কিংবা দেশ শাসনের জন্য তাদের একটা স্টেরিও টাইপ শাসন-শোষণ প্রণালিতে ধর্ম থাকে তাদের প্রধান হাতিয়ার। আর এই কাঠামোটিই এখন ভয়াবহ হয়ে উঠেছে বিভিন্ন রাষ্ট্র ব্যবস্থায়। এমনকি এ বর্মটি ব্যবহৃত হচ্ছে গণতন্ত্রের নাম নেয়া রাষ্ট্রসমূহেও। গণতন্ত্রের নাম নিয়ে দেশ চলা অনেক দেশে পুরো মুক্তচর্চার সুযোগ নেই। সাংবিধানিকভাবে গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে চিহ্নিত ভারত বাংলাদেশসহ এশিয়ার প্রায় সব ক’টা দেশকে আংশিক মুক্তচর্চার দেশ হিসেবে ধরে নেয়া হয়। পৃথিবীর অগণিত ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন দেশের নেতা কিংবা বিশ্ব নেতাদের দেশ কিংবা পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করলেও মুক্তচর্চার দেশ হিসেবে এই বিশ্বে অন্তত ৮৮টি দেশের নাম আমরা নিতে পারি।

নিয়ন্ত্রণে বদ্ধ থাকা সৌদি আরব যেন লৌহ দিয়ে ঘিরে রাখা একটা দেশ। তাই দেশটিতে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু সাহসী মানুষ মেনে নিতে পারছে না বর্তমান প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস হিসেবে পরিচিত) ঔদ্ধত্যকে। বর্তমান প্রিন্স ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সামান্যতম প্রতিবাদের কারণে গত কয়েক বছরে অনেকেরই ভাগ্যে ঘটেছে বিপর্যয়, হয়েছেন নির্মম প্রতিহিংসার শিকার। এর থেকে রেহাই পাননি ধর্মীয় ইমাম কিংবা নেতারাও। সৌদি আরব তথা আরব বিশ্বের সাংবাদিক জামাল খাসোগি ছিলেন এ রকমই একজন মানুষ, যিনি মুখ খুলেছিলেন সালমানের লৌহ প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

সৌদি আরবের মসনদে আসার পর রিয়াদভিত্তিক ‘আরব নিউজ’ পত্রিকাটি মোহাম্মদ বিন সালমানকে অভিহিত করে আধুনিকতার জন্য রীতিমতো একজন ‘যোদ্ধা’ হিসেবে। তার প্রশংসা করে তখন পত্রিকাটি আরব বিশ্বের পুরনো গৌরব পুনরুদ্ধারের রূপকার হিসেবে উল্লেখ করে এমবিএসকে। ওই প্রশংসায়ই তারা উল্লেখ করে এমবিএসের সুদৃঢ় উক্তি ‘আই বিলিভ দ্য নিউ ইউরোপ ইন মিডল ইস্ট’। তার বিশ্বাস কিংবা লক্ষ্য তিনি সৌদি আরবকে ‘মিনি ইউরোপ’ বানাবেন।

কিন্তু ইউরোপ হয়ে ওঠার পেছনে প্রধান যে অনুষঙ্গটা এখানে কাজ করেছে তা কি ধারণায় নিতে পারছেন বিন সালমান? পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও সালমান শুধু নিজেকে পশ্চিমা করে তুলতে চাইছেন, চাইছেন একটা উচ্চ অভিজাত শ্রেণিকে সারা জীবনের জন্য ক্ষমতায় রাখতে। যা থেকে তিনি এবং তার পরবর্তী অনুসরণকারীরাই মসনদ আগলে রাখবে।

অথচ সালমান তো অবশ্যই জানেন, আমেরিকা কিংবা ইউরোপের দেশগুলোতে তাদের দেশের নাগরিক কিংবা তাদের দেশে আসা অভিবাসী এমনকি অবৈধ মানুষের সঙ্গে কীভাবে মানবিক আচরণ করতে হয়। কীভাবে এই দেশগুলোতে জনগণের ইস্যুকে গুরুত্ব দেয়া হয়, রাষ্ট্র কীভাবে প্রবল বিরোধিতাকে সহ্য করে। এই দেশগুলোতে জনগণের কণ্ঠ আরো বেশি শক্তিশালী করতে কীভাবে বিরুদ্ধবাদীদেরও গুরুত্ব দেয়া হয়।

উন্নয়নের নাম নিয়ে লুটপাট আর কণ্ঠহীন একটা নিষ্প্রাণ জাতির পক্ষ নিয়ে সম্প্রতি নিহত জামাল খাসোগি হয়েছিলেন ভিন্ন মতাবলম্বী। এই দেশগুলোতে ভিন্ন সংস্কৃতি আর ভিন্ন বর্ণে তার দেশ কিংবা জাতির উন্নয়নে শুধুই ‘সৌদি আরবকে দ্বিতীয় ইউরোপ বানানোটা তার কাছে উন্নয়নের প্রধান বিষয়’ ছিল না। তিনি চেয়েছিলেন সৌদি আরবের অন্যতম সংস্কার । তিনি ভীত ছিলেন না, তিনি একসময় এসে নিজেকে সংযত রাখতে পারেননি। সৌদি আরবের চতুর্দিকে আঁকা প্রশাসনিক ‘রেড লাইনে’ তিনি পারেননি নিজেকে আটকে রাখতে, তাইতো তিনি দেশান্তরী হয়েছিলেন। আরব নিউজ চ্যানেলের প্রধান সম্পাদক, রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত জনপ্রিয় পত্রিকা ‘আল ওয়াতান’র সম্পাদক ছিলেন তিনি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তিনিও হয়েছিলেন বৈভব কিংবা ঐশ্বর্যের মালিক।

কিন্তু ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধ তাকে হয়তো তাড়িত করেছে। তাইতো তিনি স্বেচ্ছা নির্বাসিত হয়েছিলেন এবং এই তাড়নার কথাগুলোই বলছিলেন বিশ্ব মিডিয়ায় প্রতিদিন। তিনি লিখেছেন তার সতীর্থদের দফায় দফায় নিগৃহীত হওয়ার কথাগুলো। একই দিনে কীভাবে ৭০ জন মুক্তচর্চার মানুষ কারাবন্দি হলেন, এমনকি তার সাবেক চাকরিদাতা আল ওয়ালিদ কীভাবে গ্রেপ্তার হলেন, তিনি তা লিখে গেছেন, প্রতি সপ্তাহেই দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে।

এমনকি অত্যন্ত সাধারণ নাগরিক ইস্যু জেদ্দার ড্রেনেজ সিস্টেম নিয়ে তিনি একসময় লিখতে পারেননি তার পত্রিকায়, অথচ ২০০৪ সালে একজন বিদেশি সাংবাদিক লওরন্স রাইট আমেরিকায় পত্রিকায় তা লিখেছেন। সম্পাদক থাকাকালীন এসব নাগরিক ইস্যু নিয়ে লেখা তার সাংবাদিকতার আবশ্যিকতার মাঝে থাকলেও তা তিনি লিখতে পারেননি। শিক্ষা সংস্কার নিয়ে কোনো কথা বলতে পারেননি তিনি। এ রকম অসংখ্য ইস্যু তার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটাত ক্রমাগত, দেশান্তরী হওয়ার পর সেই ইস্যুগুলোকে নিয়ে আসতে থাকলেন তিনি বিশ্ব মিডিয়ায়। যা সৌদি আরবের বর্তমান শাসকদের স্বস্তি দিচ্ছিল না।

সংস্কার একটা প্রবহমান আধুনিকতা। এই আধুনিকতা ধাক্কা দেয় সবখানে সব জায়গায়। প্রবল প্রতিরোধের মুখেও তাই সাংবাদিকরা লিখতে চান, জানাতে চান হৃদয়ের কথাগুলো। জনপ্রত্যাশাকে তারা প্রতিধ্বনিত করতে চান বিভিন্নভাবেই।

২০০৩ সালে জেদ্দার ‘ওকাজ’ পত্রিকার এক সাংবাদিক তার স্বপ্নের কথা লিখেছিলেন তার একটা কলামে। যে লেখায় তিনি একটা আধুনিক সৌদি আরবকে কল্পনায় নিয়েছিলেন… যে দেশটাতে তার প্রিয় মেয়েটি গাড়ি চালাতে পারবে, মেয়েটি জেদ্দার রাস্তায় তার মতোই গাড়ি দৌড়াবে। তিনি আরো লিখেছিলেন, আমি স্বপ্ন দেখি আমাদের বার্ষিক বাজেট লোকসমক্ষে আসবে, আমাদের দেশের নেতারা হবেন নির্বাচিত… এগুলো শুধুই কি স্বপ্ন! বর্তমান বিশ্বে এগুলোই তো স্বাভাবিকত্ব, এগুলোই তো একটা দেশের গতিশীলতা। অথচ তার দেশের জন্য এগুলোই ছিল স্বপ্ন। এগুলোর জন্য মানুষ মাথা খুটে দেয়ালের অভ্যন্তরে। স্বপ্নের এই কথাগুলো লেখার জন্য ‘ওকাজ’ থেকে তার চাকরি গিয়েছিল সে সময়। কিন্তু জনপ্রত্যাশা অবদমিত রাখা যায় না। সময়ের বিবর্তনে তা এক সময় অনিবার্য হয়ে যায়।

এ ধরনের সংস্কারের কথা বলতে গিয়ে শুধু সৌদি আরব নয়, সারা আরব বিশ্বেই শুধু লেখক নন, সংস্কারপন্থি সাধারণ মানুষও নির্যাতিত হয়েছেন। জামাল খাসোগি নিহত হয়েছেন। আরব বিশ্বে সাংবাদিক কিংবা মুক্তচর্চার মানুষ নিধনের গত চল্লিশ বছরের ইতিহাসের শেষ নৃশংসতার শিকার তিনি। কিন্তু আরব বিশ্বের সাংবাদিক হত্যায় এত আলোড়ন উঠেনি আগে সারা বিশ্বে, যা হয়েছে খাসোগির হত্যাকাণ্ডের পর। আরব বিশ্বে কিংবা গণতন্ত্রহীন দেশগুলোতে মৃত্যু কিংবা নিধন এতই নির্বিকার একটা ইস্যু হয়েছে যে, কোনো মৃত্যুই যেন সাধারণ মানুষকে খুব একটা ভাবায় না, মানুষকে সংবেদনশীল করে তোলে না। মানুষ আপ্লুত হয় ক্ষণিকের জন্য। তারপর সব কিছুই হয়ে যায় ইতিহাস। কিংবা হয়ে যায় ফেলে যাওয়া কোনো অধ্যায়।

জামাল খাসোগির রাসায়নিকভাবে নিশ্চিহ্ন মৃতদেহটা শুধুই কি আরব বিশ্বের একজন সাংবাদিক হত্যার ঘটনা হিসেবেই দুনিয়াব্যাপী উচ্চারিত হতে থাকবে। এই হত্যাকাণ্ডটি কি এই পৃথিবীর মুক্তচর্চার মানুষদের কথা বলতে আরো উজ্জীবিত করে তুলবে কিংবা আরো সাহসী হবে মুক্তচর্চার বিশ্বে এ প্রশ্নটা আসতেই পারে। ট্রাম প্রশাসন থেকে শুরু করে সারা বিশ্ব এই মৃত্যুতে নির্বিকার থাকেনি, গর্জে না উঠলেও কথা বলেছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেখিয়ে দিয়েছে, পৃথিবীর দেশে দেশে যেখানেই কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে নেয়া হচ্ছে, সেখানেই জেগে উঠতে হবে। জামাল খাসোগির হত্যা আর কিছু না হোক, তা-ই দেখিয়ে দিয়েছে। মোহাম্মদ বিন সালমানের লৌহ দিয়ে ঘেরা আসনে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে যেতে পেরেছেন একজন মানুষ। ঝড়-ঝঞ্ঝায়, খুন-গুমে অসংখ্য মানুষের নির্বিকার থাকার চিরায়ত বর্তমান পৃথিবীর শত বাধার মুখেও কথা বলার প্রেরণা হয়ে তিনি কি চিরঞ্জীব থাকবেন, তা হয়তো ভবিষ্যৎই নির্ধারণ করবে।

ফারুক যোশী : কলাম লেখক।