বাম গণতান্ত্রিক ঐক্যের সঙ্গে সংলাপ বুধবার

আগের সংবাদ

বগুড়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ জেএমবি নেতা নিহত

পরের সংবাদ

দুই প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ২০ কোটি ডলারের ঋণ

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৫, ২০১৮ , ৯:৫৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৮, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা প্রকল্পসহ দুটি প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ২০ কোটি ডলারের অর্থায়ন করবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে সোমবার দুটি চুক্তি সই হয়েছে। প্রকল্প দুটি হলো-সাসটেইনেবল ফরেস্ট অ্যান্ড লাইভলিহুডস (সুফল) প্রকল্প এবং সেকেন্ড রিসিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) প্রকল্প।

রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ভারপ্রাপ্ত সচিব মনোয়ার আহমেদ এবং বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সুফল প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ১৭ কোটি ডলারের ঋণ দেবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ও বন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, রক্ষিত বন এলাকা উন্নয়ন, প্রকল্প এলাকার বন-নির্ভর জনগোষ্ঠীর বিকল্প আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি, বন সম্প্রসারণ, বনের বাইরে বৃক্ষ রোপণ বাড়ানো হবে।

পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ (রেয়াতকাল) ৩০ বছরে এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এ ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর ১ দশমিক ২৫ শতাংশ সুদ এবং শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।

অন্যদিকে, রস্ক প্রকল্পটির অতিরিক্ত অর্থায়ন হিসেবে আড়াই কোটি ডলার অনুদান হিসেবে দেবে বিশ্বব্যাংক। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের শিশুসহ অন্যদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ দেয়া হবে। এর মধ্যে পাঠ্যপুস্তক ও উপকরণ সামগ্রী প্রদান, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, মহিলা শিক্ষক নিয়োগ এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য নতুন শিক্ষা কেন্দ্র তৈরি করা হবে।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেন, বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। এটি বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় সহায়তা। আশা করি বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা হিসেবে বিশ্বব্যাংক সব সময় আমাদের পাশে থাকবে।

চিমিয়াও ফান বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য বিশ্বব্যাংক অনুদান দিয়ে সহায়তা করছে। এসব সহায়তা শুধু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যে উপকৃত হবে তা নয় স্থানীয় জনগোষ্ঠীও উপকৃত হবে।