জজ মিয়া উপাখ্যান

আগের সংবাদ

গ্রেনেডের উৎস পাকিস্তান

পরের সংবাদ

তারেক রহমানের ফাঁসি চান জজ মিয়া

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ১১, ২০১৮ , ১:০৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৮, ১:০৩ অপরাহ্ণ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় গতকাল বুধবার ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে গ্রেনেড হামলা মামলার ষড়যন্ত্রের শিকার জজ মিয়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ফাঁসি চেয়েছেন। রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিও জানান তিনি। রায়ের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে জজ মিয়া গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
জজ মিয়া বলেন, যদিও আশা করেছিলাম তারেক রহমানের ফাঁসি হবে, কিন্তু তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এখন রাষ্ট্রপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করবে শুনেছি। উচ্চ আদালতের রায়ে তারেক রহমানের ফাঁসি হোক এটাই আমার চাওয়া।
২১ আগস্ট নৃশংস গ্রেনেড হামলা মামলায় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আসামি হয়েছিলেন এই জজ মিয়া। পরে মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট। ১৪ বছর পর রায় হয়েছে। আমি চাই রায় দ্রুত কার্যকর করা হোক।
গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মামলার জীবিত ৪৯ আসামির মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারক।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিলেন দলীয়প্রধান ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা। কিন্তু হামলা সফল না হওয়ায় মামলাটি তদন্তের নামে মূল আসামিদের দৃশ্যপট থেকে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা চালায় সে সময়কার জোট সরকার। প্রধান আসামি করা হয় জজ মিয়াকে।
ঘটনার ১০ মাসের মাথায় ২০০৫ সালের ৯ জুন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের বীরকোট গ্রামের কালীমন্দিরসংলগ্ন রাজা মিয়ার চা দোকান থেকে জজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর আদালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু সে জবানবন্দিতে প্রধান কুশীলবদের নাম না আসায় দেশজুড়ে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। গণমাধ্যম এটিকে ‘জজ মিয়া নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে।
২০০৮ সালে তাকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র জমা দেয় সিআইডি। পরে আদালত এ মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেন। ২০০৯ সালে মুক্তি পান জজ মিয়া।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা