ঋষি কাপুরকে দেখতে গেলেন সোনালি

আগের সংবাদ

৭ বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসনে অস্তিত্ব সঙ্কটে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা

পরের সংবাদ

বড় দুদলেই একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ৯, ২০১৮ , ৪:৫৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৮, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে জোরেশোরে। নির্বাচন নিয়ে চায়ের দোকানে আড্ডাসহ সর্বত্র চলছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। আলোচনা হচ্ছে কে কোন দলের মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিয়ে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা এবং পার্শ্ববর্তী নবীনগর উপজেলার ছলিমগঞ্জ ও বড়িকান্দি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন। এ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম। অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় ২০১৪ সালের নির্বাচনেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি। আগামী নির্বাচনে এ আসনে মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা কেন্দ্রে তদবির ও লবিং করে চলেছেন। ব্যানার-ফেস্টুন টানিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম। তিনি ২০০৮ সালে নির্বাচিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মন্ত্রী না হলেও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। তা ছাড়া তিনি ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনেও নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করে জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। এ আসন থেকে এবারো তিনি নির্বাচন করবেন। এ কারণে এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে আসনটি ধরে রাখবেন এমনটাই ধারণা করছে তার কর্মীরা। এ
আসনে নির্বাচন করতে চান যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহিও। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জনগণের কাছে নৌকায় ভোট চেয়ে সভা ও মিছিল-মিটিং করে যাচ্ছেন। আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক, দলীয় মুখপাত্র উত্তরণের কর্মাধ্যক্ষ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সাইদ আহমেদ বাবু। তিনি এলাকার বিভিন্ন গ্রামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আবারো নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জসীম উদ্দিন হলের সাবেক জিএস মোস্তফা কামাল মনোয়নের আশায় বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন।
পরপর দুই মেয়াদ ক্ষমতাবঞ্চিত বিএনপি এবার আসনটিতে জয় পেতে চায়। বিএনপি থেকে ২০০১ সালে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ খালেক, নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট রফিক সিকদার, এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া, কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, ডা. খোকনের নামও শোনা যাচ্ছে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে।
এ আসনে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য আমেরিকা প্রবাসী সহিদুর রহমান সহিদ, এডভোকেট আমজাদ হোসেন ও সিপিবি-বাসদ তথা বাম জোট থেকে এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ জামাল এবং স্বতন্ত্র প্রার্র্থী হিসেবে লে. কর্নেল (অব.) নূর মোহাম্মদের নির্বাচন করার সম্ভাবনাও রয়েছে।