শেরপুরে ভিজিএফের ৫১০ বস্তা চালসহ আটক ১

আগের সংবাদ

নিউইয়র্কে এক্সিট কার ও অ্যাপোলো ব্রোকারেজ ফুটবল লীগের পুরস্কার বিতরন

পরের সংবাদ

পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮ , ১০:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮, ১০:৪১ অপরাহ্ণ

দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ খ্যাত সাফে খেলতে ভারতের জাতীয় দল আসেনি। এসেছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। এই দল নিয়েও ফাইনালে উঠেছে তারা। আজ বুধবার রাতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি পাকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে একাদশতম বারের মতো সাফের ফাইনালে উঠেছে তারা। আগের দশবার ফাইনালে উঠে ৭ বার শিরোপা জিতেছে ভারত। শনিবার ফাইনালে তারা অষ্টম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মালদ্বীপের মুখোমুখি হবে।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের যে আমেজ সেটা প্রথমার্ধে ভালোভাবেই ছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। পাকিস্তানের উপর চড়াও হয়ে খেলে ভারত। মূলত ভারতের দলের রিদমের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে পাকিস্তান। প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ করলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল আদায় করে নেয় ভারত। ৪৮ মিনিটের মাথায় বামপ্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন আশিক ক্রনিয়ান। তার ক্রসে গোললাইনের সামনে বল পেয়ে আলতো টোকায় জালে পাঠান মানভীর সিং। ৬৯ মিনিটের মাথায় মানভীর তার জোড়া গোল পূর্ণ করেন। তাতে ভারত এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে। এবার মানভীরকে গোলে সহায়তা করেন বিনিত রাই।

৮৪ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করে ফেলে ভারত। এ সময় আশিক ক্রনিয়ান বামপ্রান্ত থেকে বল নিয়ে এগিয়ে যান। ডি বক্সের বাইরে থেকে ক্রসে বল পাঠান পেনাল্টি বক্সের মধ্যে। ডানকোনায় লাফিয়ে উঠে হেড দিয়ে বল জালে জড়ান সুমিত পাসি।

তিন গোল হজম করে সম্ভিত ফিরে পায় পাকিস্তান। তারা গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে। একের পর এক আক্রমণ শানায়। দারুণ দারুণ সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। উল্টো ম্যাচের ৮৬ মিনিটে দশজনের দলে পরিণত হয় পাকিস্তান। অবশ্য ভারতও দশজনের দলে পরিণত হয়। এ সময় বল দখলের লড়াইয়ে পাকিস্তানের মহসীন আলী ও ভারতের লালিয়ানজুয়ালা চাঙতে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে দুজনকেই লাল কার্ড দেখান থাইল্যান্ডের রেফারি সিভাকর্ন পু-উদ্দোম।

দশজনের দলে পরিণত হওয়ার পর ৮৮ মিনিটে পাকিস্তান একটি গোল শোধ দেয়। এ সময় হাসান বশিরের কাছ থেকে বল পেয়ে ডি বক্সের সামনে থেকে শট নিয়ে জালে জড়ান মোহাম্মদ আলী। অবশ্য ভারতের গোলরক্ষককে দেখে মনে হল লাল-কার্ড কা-ের পর যে খেলা শুরু হয়েছে সেটা তিনি বুঝতেই পারেননি। কিন্তু রেফারি গোলের বাঁশি বাজান। বাকি সময় প্রাণপণ চেষ্টা করেও আর গোলের দেখা পায়নি পাকিস্তান।

অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়েও ভারত ফাইনালে। অন্যদিকে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরেই সাফের সেমিফাইনালে খেলল পাকিস্তান। তাদের জন্য এটাই কম কিসে? হয়তো প্রথমবারের মতো ফাইনালে যেতে পারলে পাকিস্তানের সেরা সাফল্য হয়ে থাকত। কিন্তু ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সঙ্গে পেরে উঠল কই পাকিস্তান?