নেপালকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে ফাইনালে মালদ্বীপ

আগের সংবাদ

বন্ধ হোক অনুমোদনহীন সব হাসপাতাল, ক্লিনিক

পরের সংবাদ

অক্টোবরে পাস হবে সংশোধিত শ্রম আইন

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮ , ৭:২৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮, ৭:২৫ অপরাহ্ণ

সংশোধিত শ্রম আইন অক্টোবরে সংসদ অধিবেশনে পাস হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু।

বুধবার সচিবালয়ে আর্ন্তজাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমিকবান্ধব সরকার। শ্রমিক, মালিক ও সরকার ত্রিপক্ষীয় মতামতের ভিত্তিতে বর্তমান শ্রম আইনে ৪৯টি ধারা সংশোধন করা হয়েছে। যা মূলত শ্রমিকদের পক্ষেই।

‘সংশোধিত আইটি বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য রয়েছে। সেখান থেকে তা মন্ত্রিপরিষদ হয়ে সংসদে যাবে। আশা করছি অক্টোবরে সংসদ অধিবেশনে তা পাস হবে।’

এই আইনকে মূল ধরেই ইপিজেড ওয়ার্কার্স ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন আইন করা হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে বাংলাদেশে সফররত চার সদস্যের আইএলও প্রতিনিধিদল প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে বৈঠক করেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির পরিচালক এনি ডারউইন।

বৈঠকে তারা বাংলাদেশের কল-কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের জন্য ‘ইনজুরি স্কিম’ চালুর বিষয়ে প্রস্তাব দেন।

এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, আইএলও বাংলাদেশের কল-কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা পরের স্বাস্থ্য ও আর্থিক ঝুঁকি দূর করতে ‘ইনজুরি স্কিম’ চালুর বিষয়ে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। জবাবে আমি তাদের বলেছি, আমাদের সামাজিক ও আর্থিক প্রেক্ষাপট এই ‘ইনজুরি স্কিম’ চালুর জন্য এখন উপযুক্ত নয়। আমাদের যারা কল-কারখানা মালিক রয়েছেন, তারাও মানসিকভাবে এই প্রস্তাব শুনতে প্রস্তুত নন।

‘আমি তাদের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত সুস্পষ্ট প্রস্তাব চেয়েছি। কাগজপত্র চেয়েছি। আমরা এসব নিয়ে কাজ করব। গবেষণা করব। স্টেক হোল্ডারদের (শ্রমিক ও মালিক) সঙ্গে কথা বলব। তাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করব। তারপর দেখা যাবে এটা কীভাবে শুরু করা যায়, বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন। কিছুদিন পরই নির্বাচনকালীন সরকার আসছে। তাই আপাতত এটা চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী সরকার ক্ষমতায় এসে এটা ভাববে বলেও আমি তাদের (আইএলও) জানিয়েছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তবে প্রস্তাবটা ভালো। আমাদের শিল্প খাত ক্রমশ বিকশিত হচ্ছে। শিল্পের সক্ষমতা ও আর্থিক ভলিউম বড় হচ্ছে। ভারী শিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকের ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। তাই এই ধরনের উদ্যোগ অবশ্যই বিবেচনা যোগ্য।