নির্বাচন নিয়ে সব পক্ষেরই ভেতর বাইরের হিসাব-নিকাশ চলছে

আগের সংবাদ

১৪ এমপি-নেতার কাছে জবাব চেয়েছে আ.লীগ

পরের সংবাদ

ইমরানেরও পররাষ্ট্রনীতি হবে চীনের সঙ্গে শর্তহীন বন্ধুত্ব

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮ , ৮:০৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮, ৮:০৯ অপরাহ্ণ

পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কের ইঙ্গিত দিলেও চিনের সঙ্গে বন্ধুত্বের রাস্তাতেও হাঁটা ছাড়ছে না। ইমরান জানিয়ে দিলেন, চীনের সঙ্গে শর্তহীন বন্ধুত্বের উপর দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানালেন পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

পাশাপাশি বিতর্কিত চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর তৈরির কাজ যতটা দ্রুত শুরু করা যায় সেই বিষয়েও জোর দেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী। ইমরান খানের সুরে সুর মিলিয়ে চীনও জানিয়ে দেয় আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যতই বদলাক না কেন বর্হিজগতের কোনও প্রভাব দুই দেশের সম্পর্কের উপর পড়বে না। পাকিস্তানের ভালো মন্দে সবসময় তাদের পাশে থাকবে চীন।

তিন দিনের সফরে পাকিস্তান এসেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রবিবার ইসলামাবাদে দেখা করেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। পাকিস্তানের নতুন সরকারের সঙ্গে আরও ভালো কাজ করতে আগ্রহী চীন। বৈঠকে সেই কথা জানান ওয়াং ই। জোর দেন দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করার। সেই বৈঠকে উঠে আসে চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের প্রসঙ্গ।

পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী জানান, এই করিডর নির্মাণ হলে আখেরে লাভ হবে দুই দেশরই। চীনও জানিয়ে দেয়, দুই দেশই এই করিডর তৈরির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যৌথভাবে নির্মিত হবে ইকোনমিক করিডর।

অপরদিকে চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের বন্ধুত্বের নজির তুলে ধরেন সেদেশের নতুন প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। জানান, চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক পাঁচ দশকের পুরনো। পারস্পরিক উন্নয়ন ও বোঝাপড়ার উপর দাঁড়িয়ে এই সম্পর্ক।

সব ঋতুর বন্ধু চীনও পাকিস্তানি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, তাঁর এই পাকিস্তান সফরের উদ্দেশ্য নতুন সরকারের সঙ্গে সবক্ষেত্রে চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারা বজায় রাখা। সেই সঙ্গে ওয়াং ই জানাতে ভোলেননি, আন্তর্জাতিক স্তরে যতই পরিবর্তন আসুক না কেন তার কোনও প্রভাব দুই দেশের সম্পর্কে পড়বে না।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সফরকে ঘিরে চর্চায় উঠে আসে চীন পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর। নওয়াজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ইমরান খান ৫০ বিলিয়ন ডলারের এই প্রজেক্টে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন। সেই ইমরান খান এখন পাকিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রে। তাঁর সরকারের অর্থমন্ত্রী অসদ উমর পরে জানান, সিপিইসি প্রজেক্টে স্বচ্ছতা তারা বজায় রাখবেনই।