পাঁচ বাংলাদেশিরবিরুদ্ধে ভারতে মামলা

আগের সংবাদ

আওয়ামী লীগ আসন ধরে রাখতে চায়, পুনরুদ্ধারে তৎপর জাপা

পরের সংবাদ

বড়পুকুরিয়ায় পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন শুরু

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮ , ২:১৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮, ২:১৫ অপরাহ্ণ

দীর্ঘ প্রায় ৩ মাস বন্ধ থাকার পর পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া খনির ১৩১৪ নম্বর কোল ফেজ থেকে গত শুক্রবার রাত থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। আগামীকাল সোমবার থেকে পুরোদমে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হবে। এদিকে কয়লা উত্তোলন শুরু হওয়ায় খনি কর্তৃপক্ষ, পেট্রোবাংলা, পিডিবি ও সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পিডিবি সূত্রে জানা যায়, কয়লার অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। গত ২২ জুলাই রাতে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ ও লোডশেডিং সমস্যা দেখা দেয়।
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ফজলুর রহমান ও মহাব্যবস্থাপক (মাইন/সারফেজ অপারেশন) সাইফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উৎপাদন করা হচ্ছে। শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৫২৯ টন কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে পুরোদমে কয়লা উৎপাদন শুরু হবে বলে জানান তিনি। বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী (চিফ ইঞ্জিনিয়ার) আব্দুল হাকিম সরকার জানান, কয়লার উৎপাদন শুরু হওয়ায় আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৩টি ইউনিটের মধ্যে ১টি ইউনিট চালু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হবে।
উল্লেখ্য, কয়লার অভাবে বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে উপনীত হলে ১৯ জুলাই খনির ইয়ার্ড থেকে প্রায় ২৩০ কোটি টাকার ১ লাখ ৪৫ হাজার টন কয়লা উধাও/পদ্ধতিগত লোকসান হওয়ার ঘটনাটি ধরা পড়ে। এ ঘটনায় বিসিএমসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমদ, মহাব্যবস্থাপক (মাইন অপারেশন) নুরুজ্জামান চৌধুরী ও উপমহাব্যবস্থাপক (স্টোর) খালেদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। খনি কোম্পানি সচিব ও মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আবুল কাশেম প্রধানিয়াকে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড সিরাজগঞ্জে বদলি করা হয়। খনির এই ৪ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ ১৯ কর্মকর্তার নামে দুর্নীতি দমন আইনে ২৪ জুলাই পার্বতীপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে দুর্নীতি
দমন কমিশন (দুদক) ঢাকার উপপরিচালক শামসুল আলম। দুদক খনির সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান ও আমিনুজ্জামান এবং মামলায় অভিযুক্ত ১৯ কর্মকর্তাসহ ২১ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। গত ৩০ আগস্ট পর্যন্ত দুদক কয়লা খনির সাবেক ও বর্তমান ৩১ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। কয়লা উধাও/পদ্ধতিগত লোকসান ঘটনা তদন্তে একটি বিশেষজ্ঞ কারিগরি কমিটিসহ ৪টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা