২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক

আগের সংবাদ

আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সোমবার

পরের সংবাদ

দুবাইয়ে অর্থ পাচার : ফালুর ভাতিজার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮ , ৯:২৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮, ৯:২৬ অপরাহ্ণ

৮ মিলিয়ন ডলার দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে খালেদা জিয়ার প্রাক্তন উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুর ভাতিজা ও রোজা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈম উদ্দিন আহম্মেদের বিরুদ্ধে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার বিশেষ পুলিশ সুপারের (ইমিগ্রেশন) কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন চিঠি দিয়েছেন বলে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।

নাঈম উদ্দিন আহম্মেদ দেশত্যাগ করে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবাল।

এদিকে, একই অভিযোগে রোজা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সিইও ও পরিচালক নাঈম উদ্দিন আহম্মেদ ও পরিচালক আশফাক উদ্দিন আহম্মেদকে আগামী ১২ সেপ্টম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে গত বৃহস্পতিবার নোটিস দিয়েছে দুদক।

অন্যদিকে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিকবার তলব করা হলেও হাজির না হওয়ায় ফালুসহ তিন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে তদন্তে অসযোগিতার অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দুদক। অপর দুই ব্যবসায়ী হলেন আরএকে পেইন্টস লিমিটেডের পরিচালক শায়লিন জামান আকবর ও স্টার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক প্রতিমা সরকার।

গত ৫ ও ৬ অগাস্ট ওই দুই ব্যবসায়ীসহ ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদক। প্রথম বারের তলবে দুজন ও দ্বিতীয় বারের তলবে পাঁচ ব্যবসায়ী দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন।

তারা হলেন- আরএকে পেইন্টস লিমিটেডের পরিচালক এস এ কে ইকরামুজ্জামান, তার ছেলে এবং আরএকে পেইন্টস ও আরএকে কনজ্যুমার প্রোডাক্টসের পরিচালক কামার উজ্জামান, আরএকে কনজ্যুমার প্রোডাক্টস লিমিটেডের পরিচালক মো. আমির হোসাইন ও এম এ মালেক, ঝুলপার বাংলাদেশ লিমিটেড ও রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান, আরএকে পাওয়ার লিমিটেডের পরিচালক মাকসুদুল ইসলাম ও মো. মাকসুদুল ইসলাম ও আরএকে সিরামিকসের স্বতন্ত্র পরিচালক ফাহিমুল হক।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, মোসাদ্দেক আলী ফালু ও অন্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, তথ্য গোপন ও জালিয়াতিপূর্বক অবৈধ উপায়ে ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তারা বিদেশে অফশোর কোম্পানি খুলে মানিল্ডারিং ও হুন্ডির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার করেছেন।

এর আগে গত ৩ আগস্ট এ অভিযোগে বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু ও জিজ্ঞাসাবাদকৃত ব্যবসায়ীসহ নয়জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে চিঠি দেয় দুদক। অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ও অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ দেশত্যাগ করার চেষ্টা করেছেন, এমন তথ্য থাকায় তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে দুই সদস্যের টিম এই অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করছেন। টিমের অপর সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।