লালমনিরহাটে নদী ভাঙন কবলিত এলাকায় নীরব কান্না

আগের সংবাদ

ইসলামপুরে যমুনার ভাঙনে ঘরবাড়ি বিলীন

পরের সংবাদ

রেকর্ড পরিমাণ পাথর উত্তোলন

মধ্যপাড়া পাথর খনিতে আশার আলো

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮ , ৪:৪৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ

লোকসান থেকে বেরিয়ে লাভের পথে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনি। ১ দিনে ৫ হাজার ৩২৭ টন পাথর উত্তোলন করে গত ১ যুগের মধ্যে মধ্যপাড়া পাথর খনিতে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয়। দেশের একমাত্র পাথর খনি মধ্যপাড়ায় ১ দিনের ৩ শিফটে রেকর্ড পরিমাণ ৫ হাজার ৩২৭ টন পাথর উত্তোলন করে খনিটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)। গত সোমবার সকাল ৭টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৭টা পর্যন্ত ৩ শিফটে এই পাথর উত্তোলন করা হয়। এর আগে ১ দিনে এত বিপুল পরিমাণ পাথর উত্তোলিত হয়নি। জিটিসি সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২০ ফেব্রæয়ারি থেকে পাথর উৎপাদন শুরু করে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় ৭ মাসের মাথায় খনি থেকে তিন শিফটে পাথর উত্তোলন শুরু করা হয়।
পাথর খনিতে তিন শিফট চালু করে প্রতিদিন পাথর উৎপাদন গড়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টন ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু খনির স্টোপ নির্মাণ এবং উন্নয়নের জন্য বিদেশি যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রংশের অভাবে জিটিসিকে প্রায় ২ বছর খনির উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজ বন্ধ রাখতে হয়। খনির একটি সূত্র জানায়, বিশ^ মানের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ আমদানির পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসি খনির নতুন স্টোপ নির্মাণ, উন্নয়ন ও পাথর উৎপাদনের কাজ একই সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিমাসে ১ লাখ ২০ হাজার টন পাথর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে জিটিসির বিদেশি খনি বিশেষজ্ঞ, দেশি প্রকৌশলী এবং প্রায় ৭শ খনি কর্মী কাজ করছেন। তাই তিন শিফটে এক দিনে ৫ হাজার ৩২৭ টন পাথর উৎপাদন খনিটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আশার আলো দেখিয়েছে। ২০০৭ সালের ২০ মে মধ্যপাড়া পাথর খনি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
তিন শিফটে প্রতিদিন সাড়ে ৫ হাজার টন পাথর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে উৎপাদন শুরু করা হলেও প্রতিদিন মাত্র এক শিফটে পাথর উৎপাদন সীমাবদ্ধ ছিল ৭ থেকে ৮শ টনের মধ্যে। ফলে খনিটি প্রায় শত কোটি টাকা লোকসানের মুখে পড়ে। তবু জিটিসি সর্বাত্মক সহযোগিতা করে খনিটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য পাথর উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে।