ঠাকুরগাঁওয়ে জিআর প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

আগের সংবাদ

দোহারে ২০০টি সোনার বারসহ আটক ৫

পরের সংবাদ

নীলফামারী শিশু একাডেমি অনিয়মের আখড়া

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮ , ৫:০০ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮, ৫:০০ অপরাহ্ণ

চরম অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে নীলফামারী শিশু একাডেমির কার্যক্রম। বছরের ৯ মাস অতিবাহিত হতে চললেও হতদরিদ্র শিশুদের আজো পোশাক দেয়া হয়নি। দেয়া হয়নি জুতা। বছরের পর বছর ধরে দেয়া হয় না শিশুদের টিফিন। অভিযোগ উঠেছে, ভর্তির ক্ষেত্রে হতদরিদ্র শিশুদের অগ্রাধিকার দেয়ার নিয়ম থাকলেও নানা নিয়মের বেড়াজালে ফেলে উচ্চবিত্তদের সন্তানদের অবৈধ পন্থায় প্রাক প্রাথমিক ও শিশু বিকাশ বিভাগে ভর্তির সুযোগ দেয়ার। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ভর্তি ফরম দেয়ার সময়ও নানা রকম টালবাহানা করে চাহিদার অতিরিক্ত ফরম বিক্রি করা হয় এখানে।
এ ছাড়া শিশুদের ভর্তির সময় এক হাজার টাকা আদায় করা হলেও সরকার প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা। অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, গত ৬-৭ বছর থেকে শিশুদের কোনো টিফিন ও পোশাক দেয়া হচ্ছে না। চলতি বছরের ৯ মাস অতিবাহিত হতে চললেও পোশাকসহ জুতা দান করা হয়নি এখনো। ৩০ জন করে দুই বিভাগে মোট ৬০ শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম থাকলেও ৪০-৫০ জন করে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কাগজে কলমে কিংবা নামকাওয়াস্তে অনেক প্রোগ্রাম দেখিয়ে টাকা আত্মসাত করা হয়। গত ১৮ জুলাই বিভিন্ন তথ্য চেয়ে জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বরবারে আবেদন করা হলেও অদ্যাবদি তা পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির প্রোগ্রাম অফিসার নাজমূল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দুই বিভাগে মোট ৬০ ছাত্রছাত্রী ভর্তির নিয়ম রয়েছে। ভর্তির ক্ষেত্রে হতদরিদ্র শিশুরা অগ্রাধিকার পাবে।
শিশু একাডেমিতে টাকা জামানত নিয়ে ভর্তির কোনো সুযোগ নেই। শিশুরা নিয়মিত টিফিন ও ড্রেস পাবে। অথচ বছরের পর বছর সব নিয়ম ভঙ্গ করে মোটা অঙ্কের টাকা তছরুপের ঘটনা ঘটেছে। শিশু একাডেমি পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহŸায়ক আহসান রহিম মঞ্জিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিশুদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা কোনো সভাতেই উত্থাপিত না করায় বিষয়টি জানা নেই। এ দিকে শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদকে তার অফিসে পাওয়া যায়নি।