যুদ্ধকে ইরান পর্যন্ত নিয়ে যেতে চায় সৌদি : হিজবুল্লাহ

আগের সংবাদ

চবিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১৩ সেপ্টেম্বর

পরের সংবাদ

খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কারাগারে আদালত

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ , ৭:২৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮, ৭:২৩ অপরাহ্ণ

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ক্যামেরা ট্রায়াল নয়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারাগারে আদালত বসানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সমকাল পত্রিকা অফিসে ‘সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষাঃ: প্রাতিষ্ঠানিক নীতি কাঠামোর দাবি’ শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন গত সাত মাস যাবত এই কোর্টটা বসছে। এই সাত মাসে মূল আসামি কোর্টে হাজিরা দিচ্ছেন না। নিরাপত্তা জনিত কারণে বা অন্য কোনো কারণে তিনি যখন হাজিরা দিচ্ছেন না তখন সেইটার সুবিধার্থে নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করার জন্য কোর্ট বসানো হয়েছে। আমার মনে হয়, এতে কারো অধিকার খর্ব করা হয়নি।’

নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা না করে বিচারকে কিভাবে বয়কট করা যায় বিএনপির আইনজীবীরা সেই সেই চেষ্টা করছেন- এ অভিযোগ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এতে এটাই প্রমাণ হয়, তারা নিজেরা নিজেদের দোষী সাব্যস্ত করছেন। সেই কারণে তারা বিচারের সম্মুখিন হতে চান না।’

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি তারা যদি নিজেদের নির্দোষ প্রমাণিত করতে পারেন তাতে কোনো অসুবিধা নেই। বিচার সুষ্ঠু হচ্ছে এবং সুষ্ঠু হবে। ন্যায় বিচার তারা পাবেন।

গতকালকেও আপনারা দেখেছেন চ্যারিটির মামলার আসামি বেগম খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাহলে এটা প্রমাণিত হয় এটা সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিল। যেখানে আদালত বসানো হয়েছে সেখানে কারো প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ নয়। এটা ক্যামেরা ট্রায়ালের সংজ্ঞায়ও পড়ে না।’

আদালতে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা হয়তো তার ইমোশোনাল বক্তব্য। এটাকে আমি খুব একটা গুরুত্ব দেব না।’

আরপিও সংশোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার মন্ত্রণালয়ে এসেছে, সেটা দেখা হচ্ছে।’

নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাপারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমি প্রথমেই বলেছি, আজকেও বলছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, পার্টির নেতা। তিনিই একমাত্র ঘোষণা দিতে পারেন কখন তিনি নির্বাচনকালীন সরকার করবেন। নির্বাচনকালীন সরকার বলে সংবিধানে কিছু নাই এটাও ঠিক। আবার নির্বাচনকালীন সরকার হতে পারবে না এমন কথাও কিন্তু সংবিধানে নেই।’

নির্বাচনের সময়ে যেহেতু নীতি নির্ধারণী হয় না তাই সেই সময়ে জনগণের অর্থ যাতে নষ্ট না হয় সে জন্য তিনি তার মন্ত্রী পরিষদের আকার ছোট করে আনবেন। সেটাকেই তিনি বলছেন নির্বাচনকালীন সরকার। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে আছে, নির্বাচনে সময় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন সকল দায়িত্ব পালন করবে।’

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের পাঠানো আইনি নোটিশের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কপি হাতে পাইনি। হাতে পেলে সিদ্ধান্ত নেব।’

দৈনিক সমকাল পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফির সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন তত্বাবধায়ক সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা সুলতানা কামাল ও অন্যান্য বক্তা।