তার যত ছবি

আগের সংবাদ

অল্প কদিনেই সম্পর্ক আগের রূপ নেয় : মৌসুমী

পরের সংবাদ

ইমন বা জানু বলেই ডাকতাম : সামিরা

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ , ১:১৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮, ২:০৪ অপরাহ্ণ

ইমনের পুরো নাম চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার। এরপর আমি ইমনের নাম ‘সালমান শাহ’ দিয়েছি। সালমান খানের অভিনয়ের ভক্ত আমি। তাই ইমনের নামের শুরুতে সালমান আর শাহরিয়ার থেকে ‘শাহ’ নিয়ে সালমান শাহ রেখেছি। ইমনকে আমি সব সময় ইমন বা জানু বলেই ডাকতাম। সালমান শাহ নামে ডাকতাম না। ১৯৯২ সালের ৩ আগস্ট ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মহরত হয়। এ সিনেমার জন্য ইমনকে ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল। এরপর ‘তুমি আমার’ সিনেমার জন্য ১ লাখ টাকা, ‘দেনমোহর’ সিনেমায় দেড় লাখ টাকা করে নিয়েছে। এগুলো যখন সুপার-ডুপার হিট করে তখন ধীরে ধীরে তার পারিশ্রমিকও বেড়ে যায়। সর্বশেষ ছটকু আহমেদের ‘বুকের ভিতর আগুন’ সিনেমার জন্য সে ১০ লাখ টাকা নিয়েছে। ইমনের সিনেমার জন্য কস্টিউম ডিজাইন আমি করে দিতাম। এখনো সিনেমায় নামগুলো খেয়াল করলে দেখা যাবে কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে সেখানে ‘সামিরা শাহ’ লেখা আছে। একটা সময় দেখা গেল ইমনের চুল পড়ে যাচ্ছিল। তখন ইমনকে বললাম চুল বড় রাখতে এবং মাথায় কাপড় ব্যবহার করতে। এরপর সিনেমায় মাথায় কাপড় বেঁধে ও অভিনয় করেছে। সেই কাপড়গুলো ছিল আমার ওড়না। আমার দেয়া ডিজাইন ইমন সব সময় পছন্দ করত। ইমন শুটিং সেটে কথায় কথায় কেঁদে দিত। ডলি জহুর আন্টি আদর করে ভাত খাইয়ে দিলে দেখা যেত ও কাঁদছে। এ কথাগুলো সত্যি না মিথ্যা ডলি জহুর আন্টি বা শাবানা ম্যাডাম ভালো বলতে পারবেন। তারা ইমনকে ছেলের মতো আদর করত। এ কারণেই তাদের কাছ থেকে আদর পেলে সে কেঁদে ফেলত। ইমন মাকে পছন্দ করত না। এটা ইমনের পরিবার, খালা-মামা ও তাদের বাচ্চারা জানত। ফিল্মের লোকেরাও জানত। ওর মাকে নিয়ে সবসময়ই ও মানসিক চাপে থাকত।
অনেক কষ্ট নিয়ে সে আলাদা হয়েছিল মায়ের কাছ থেকে। ওর মা কারাগারে ছিল কিছুদিন। ইমন দেখতে যেতে না। আমিই জোর করে পাঠিয়েছি। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি তার পাশে থাকতে।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা