সাইফুর রহমানের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আগের সংবাদ

বগুড়ায় জেএমবির ৫ সদস্য আটক

পরের সংবাদ

বাড়ছে আতঙ্ক

ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮ , ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ

দেশব্যাপী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকায় মানুষের মনে আতঙ্ক বাড়ছে। গতকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৪৫ জনে। এদের মধ্যে ৩ জন চট্টগ্রাম বিভাগের। বাকিরা ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। মাস ভিত্তিক হিসেবে চলতি বছরের আগস্টে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন সবচেয়ে বেশি মানুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশে ৩ হাজার ১৪৫ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। সোমবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬৩ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমে সরকারি-বেসরকারি ২২টি হাসপাতালের তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করা হয়। ওই তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ২৬, ফেব্রæয়ারিতে ৭, মার্চে ৫, এপ্রিলে ১৪, মে মাসে ৩৫, জুনে ২৭৫, জুলাইয়ে ৮৮৫ ও আগস্ট মাসে ১ হাজার ৬১৭ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম চার দিনেই রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮১ জনে। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের তথ্য অনুযায়ী; ১১ জনের মধ্যে আটজন মারা গেছে ‘হেমোরেজিক শক’-এর কারণে। এই পরিস্থিতিতে রক্তক্ষরণ হয়। দুজন মারা গেছে ‘ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে’। এই পরিস্থিতিতে রোগী প্রবল জ্বরে অচেতন হয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০২ সালে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। তবে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয় ২০০০ সালে। ওই বছর ৯৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৬ সালে হঠাৎ করে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৬০ জনে বৃদ্ধি পায়। সে বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ১৪ জনের। ২০১৭ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৭৬৯ জন ও মৃতের সংখ্যা ৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনচার্জ ডা. আয়েশা আক্তার ভোরের কাগজকে বলেন, জুলাই থেকে অক্টোবর মাসকে ডেঙ্গুর সিজন বলা যায়। এ সময় রোগীর সংখ্যাও বাড়ে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এক বছর পরপর এই জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ে ও কমে।