জলদস্যুরা মৌসুমের শুরুতেই বেপরোয়া

আগের সংবাদ

নির্বা‌চিত জনপ্র‌তি‌নি‌ধি হি‌সে‌বে সব ধরনের সু‌যোগ সু‌বিধা পা‌বেন : প্রধানমন্ত্রী

পরের সংবাদ

জাতীয় পার্টিতে একক, একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী আ.লীগে

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮ , ১২:৫৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অন্যান্য এলাকার মতো সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-১ আসনেও প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৪৯ জন। যার মধ্যে নারী ১ লাখ ৭০ হাজার ৪৯২ এবং পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ জন।
বর্তমান দশম সংসদেই তিনবার নির্বাচন হয় এ আসনে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর গুলিতে নিহত হলে ২০১৭ সালের ২২ মার্চ উপনির্বাচন হয়। এতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা আহমেদ জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কিন্তু তিনি একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলে আসনটি শূন্য হয়। ফলে এ আসনে ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ দ্বিতীয়বার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী প্রয়াত সাংসদ মঞ্জুরুল ইসলামের বড় বোন আফরোজা বারীকে পরাজিত করে সাংসদ নির্বাচিত হন।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে এ আসনে জাতীয় পার্টির একক প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগে রয়েছেন একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী। দলের নামে ভোট করতে না পারলেও জামায়াতের স্থানীয় নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। এ আসনে বিএনপির খুব বেশি প্রভাব না থাকলেও প্রার্থী রয়েছেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বর্তমান সংসদ সদস্য এবং পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আইন ও বিচারবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর মনোনয়নপ্রাপ্তি নিশ্চিত বলা যায়। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সাবেক সাংসদ লিটনের বড় বোন আফরোজা বারী, স্ত্রী খুরশিদ জাহান স্মৃতি, সাবেক সাংসদ গোলাম মোস্তফা আহমেদের ছেলে মেহেদী মোস্তফা এবং সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আব্দুল্লা আল মামুনের নাম জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। বিএনপির উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম জিন্নাহ দলীয় মনোনয়ন পেতে পারেন। জামায়াতের নির্ধারিত ভোট ব্যাংকের কারণে এ আসনে তারা কাউকে ছাড় দেবেন না। সে ক্ষেত্রে জামায়াত নেতা সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাজেদুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। এ ছাড়া সিপিবির নুরে আলম মানিক, গণফ্রন্টের শরিফুল ইসলাম এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির জিয়া জামান খান নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে এ আসনে জোটগত নির্বাচন হলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জোটের প্রার্থী হবেন বলে ধারণা করা যাচ্ছে। আর জোটগত নির্বাচন না হলে জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বি তা হবে।