ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান মুন্নি বরখাস্ত

আগের সংবাদ

পুরনো গল্প ও নতুন স্বপ্ন

পরের সংবাদ

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

স্বল্পমূল্যে উন্নত চিকিৎসা

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮ , ১:৩১ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮, ১:৩১ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে ১৩ সেপ্টেম্বর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই হাসপাতাল চালু হলে বাড়বে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাসেবা ও গবেষণার সুযোগ।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর দিকে ১২ বিঘা জমির ওপর এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে আগামী ৩০ মাসের মধ্যে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট এই বিশেষায়িত হাসপাতালের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২ ফেব্রæয়ারি একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএসএমএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নামের প্রকল্পটি অনুমোদন দেন। বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণা কার্যক্রম আরো গতিশীল ও উন্নত করা, দেশের রোগীদের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেয়ার প্রবণতা কমিয়ে আনা এবং সর্বোপরি তুলনামূলক স্বল্প ব্যয়ে দেশেই উন্নত চিকিৎসাসেবা রোগীদের দেয়ার লক্ষ্যেই এ হাসপাতাল নির্মিত হচ্ছে।
প্রকল্প পরিচালক ও বিএসএমএমইউর সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. জুলফিকার রহমান খান ভোরের কাগজকে বলেন, প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরতে ১১ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
যেসব সেবা থাকছে : থাকবে লিভার গল বøাডার ও প্যানক্রিস সেন্টার, অরগান ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার, ক্যান্সার সেন্টার, ম্যাটারনাল এবং চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ডেন্টাল সেন্টার, কার্ডিও ভাসকুলার/নিউরো সার্জারি সেন্টার, এনড্রোক্রানোলজি ডায়াবেটিস সেন্টার, রেসপাইরেটরি সেন্টার, জেরিআট্রিক (বয়স্কদের চিকিৎসা) সেন্টার, জয়েন্ট/স্পাইন কর্ড সেন্টার, হার্ট সেন্টার, বার্ন ইনজুরি সেন্টার, হেলথ স্ক্রিনিং সেন্টার, ইমারজেন্সি মেডিকেল সেন্টার, এমবুলেটরি সার্জারি সেন্টার এবং কিডনি মেশিন সেন্টার (হিমোডায়ালাইসিস সেন্টার) উল্লেখযোগ্য। এই বিশেষায়িত হাসপাতালটি একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা কেন্দ্র হবে এবং এখানে সব ধরনের গবেষণা উপযোগী আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে।
বর্তমানে যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিদেশে যেতে হয় এই হাসপাতালটি নির্মিত হলে দেশেই সেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হবে। দেশে উন্নততর চিকিৎসা বিদ্যা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের জন্য অত্যাধুনিক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা, বায়োমেডিকেল রিসার্চের সুযোগ থাকবে।