নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া থামবে না বাস

আগের সংবাদ

ড্রিমলাইনার আকাশবীণার যাত্রা শুরু আগামীকাল

পরের সংবাদ

দুমকির ২৭ প্রাথমিক স্কুল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮ , ১:০২ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮, ১:০২ অপরাহ্ণ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ২৭টি ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ এসব স্কুলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা চালানো হচ্ছে। এতে স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে এবং ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এ নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বার বার জানানো সত্তে¡ও কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকরা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, এ উপজেলায় ৫৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে ২৭টি বিদ্যালয়ের ভবন ও অবকাঠামো। বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ৭নং মধ্য পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪নং পাঙ্গাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১নং লেবুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৭নং পশ্চিম মুরাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩১নং কালেখা খলিশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ ছাড়া ৪২নং পূর্ব চর গরবদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাদুয়া শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৯নং উত্তর শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০নং চর বয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২নং উত্তর কার্তিকপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৪নং মুরাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১নং আলগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩০নং এস এম কলাগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৮নং সন্তোষদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৭নং ঝাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৬নং চর বয়রা নলদোয়ানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২১নং পশ্চিম লেবুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩নং পাঙ্গাশিয়া নলদোয়ানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৪নং উত্তর পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৯নং উত্তর শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৪নং শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৩নং দক্ষিণ লেবুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫নং দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২নং উত্তর কার্তিকপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২নং নলদোয়ানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২নং উত্তর কার্তিকপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫১নং দুমকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন রয়েছে জরাজীর্ণ অবস্থায়। এসব ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।
কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের ভবনগুলোর ছাদ, ভিম ও দেয়াল থেকে খসে পড়েছে পলেস্তারা। বেরিয়ে এসেছে ছাদ ও ভিমে মরিচা ধরা রড। সামান্য বৃষ্টিতেই ভবনের ছাদ থেকে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষে। সম্প্রতি ৭নং মধ্য পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদের কংক্রিট খসে পড়ে ও ভিমের রডগুলো বেরিয়ে এসেছে এবং ৩১নং কালেখা খলিশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা এতটাই জরাজীর্ণ যে, তা যে কোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ৩১নং কালেখা খলিশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসমা বেগম বলেন, বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করাতে হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম পারভীন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলোর তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই ভবন নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।