ভুটানকে ২-০ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা

আগের সংবাদ

বাড়ছে রেমিটেন্স, আগস্টে এসেছে ১২ হাজার কোটি টাকা

পরের সংবাদ

কারাগারে আদালত সংবিধানবিরোধী

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮ , ৯:৩৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ

কারাগারে আদালত বসিয়ে দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিচারকাজ করার সিদ্ধান্তকে সংবিধানবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছে বিএনপি। দলটির পক্ষে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা এটাকে ক্যামেরা ট্রায়াল মনে করছি। এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

মঙ্গলবার রাতে চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে দলের নীতি নির্ধারকদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে খালেদা জিয়ার বিচারাধীন মামলার স্থান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যা সংবিধানবিরোধী।’

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কারাগারে যান বিএনপি চেয়ারপারসন। তিনি রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। স্বাস্থ্যগত কারণে এসব মামলায় খালেদা জিয়াকে নিয়মিত হাজির করতে না পারায় মামলার বিচারকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। এজন্য কারাগারের ভেতরেই আদালত বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘সরকারের এ সিদ্ধান্ত ক্যামেরা ট্রায়াল। যদিও এ ধরনের মামলা প্রকাশ্যে পরিচালনার কথা। সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিচার বিভাগ ও সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে খালেদা জিয়াকে হয়রানি ও নির্যাতন করতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত আগামী নির্বাচনে একদলীয় মনোভাব বাস্তবায়ন করতে চাইছে সরকার।’

এই সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। এ নিয়ে রাজপথে কর্মসূচির কথা ভাবা হচ্ছে বলেও জানান ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।’ বিষয়টি নিয়ে আরও চিন্তা-ভাবনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বেগম খালেদা জিয়ার শুধু জামিন নয়, তার স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মওদুদ।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।