মিয়ানমারের এ কেমন মিথ্যাচার!

আগের সংবাদ

খবর এবং পেছনের খবর

পরের সংবাদ

সৈয়দ আহমদুল হকের রচনা ও চিন্তা চেতনার ধারা

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮ , ৮:২৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮, ৮:২৭ অপরাহ্ণ

বাংলার রুমির কৃতিত্ব হলো যে, তিনি কেবলমাত্র ধ্রুপদী ইসলামীয় ঐতিহ্য যা ফারসি ও উর্দু ভাষার মাধ্যমে ব্যক্ত হয়েছে, তাকে নিয়েই তৃপ্ত থাকেননি। তাঁর মানবতা তথা মরমীয়াবাদ উদ্বুদ্ধ সৃজনশীলতা বিস্তৃত হয়েছে বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতিতে।

বাংলাদেশের প্রখ্যাত লেখক সৈয়দ আহমদুল হকের মধ্যে আমরা পাই পাণ্ডিত্য, ইতিহাসবোধ, দার্শনিকের গভীরতা এবং সৃজনশীল কবির কাব্যশৈলী। এই শেষোক্ত গুণটির বিচ্ছুরণ তাঁর রচনায় প্রবল এবং এর ফলে তিনি সঙ্গত কারণেই অগণিত পাঠকের হৃদয়ে “বাংলার রুমি” হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে গেছেন।

আজকের উপমহাদেশ তথা বিশ্ব একটি অস্থিরতা, হিংসা ও অবিশ্বাসের পরিবেশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সেই পটভ‚মিতে বাংলাদেশের রুমি সোসাইটি যে সৈয়দ আহমদুল হক সাহেবের মরমীয়াবাদাচ্ছন্ন ও রুমি ভাবাক্রান্ত রচনাবলীকে প্রকাশ করার মহাসিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাভাষায় সুফিসন্তদের নিয়ে বা রুমিকে নিয়ে চিন্তামূলক লেখালেখির যথেষ্ট অবকাশ আছে। এই প্রেক্ষাপটে সৈয়দ আহমদুল হক সাহেবের রচনাবলী বাংলাদেশ তথা পূর্বভারতের সাহিত্য ও সংস্কৃতির মানবিক মুখটিকে উন্মোচিত করতে সহায়ক হবে, এই আশা রাখি।

মাননীয় সৈয়দ আহমদুল হক সাহেব যথার্থই অনুধাবন করেছেন যে এই উপমহাদেশের ভাবান্দোলনের ইতিবৃত্ত রচনায়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস রচনায় অনিবার্য প্রাসঙ্গিকতায় এসে পড়ে সুফিসন্ত বা আউলিয়াদের কথা। কেবলমাত্র মধ্যযুগ নয়, আধুনিক উপমহাদেশকে চর্চা করতে গেলেও এ কথা সত্যি প্রমাণিত হয়। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ, রাজারামমোহন রায়, ব্রহ্মানন্দ কেশবচন্দ্র সেন, রামকৃষ্ণ পরমহংস, বাউল সম্প্রদায়, মাইজভাণ্ডারী সম্প্রদায়, মীর মোশারফ হোসেন, দাদ আলী, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ- প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে সুফি ভাবাদর্শের কাছে ঋণী। অনেকে বলেন যে পাঞ্জাবি সাহিত্যেরও শ্রেষ্ঠ প্রেরণা হলো এই সুফি ভাবাদর্শ। ঊনবিংশ শতকে অনেক ব্রহ্মাদের কাছে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ রক্ষণশীল হিসেবে পরিচিত ছিলেন যদিও তিনি রামমোহন-উত্তর যুগে ওই ব্রাহ্ম আন্দোলনকেই নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। সেই আপাত রক্ষণশীল দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরও কিন্তু সমসাময়িক শিক্ষিত হিন্দু বা ব্রাহ্মদের মতো ভালো ফারসি জানতেন এবং পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফেজের কবিতা পাঠ করে তাঁর দিনের সূচনা হতো। একবিংশ শতকে, যখন বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে দেখতে পাই অসহিষ্ণুতা, হিংসা, সংকীর্ণতা অবিশ্বাস্য এবং যখন দেখি সুফিবাদ যা মানবতার জয়গান গায়, তা আক্রান্ত, সেই প্রেক্ষাপটে কিন্তু ঊনবিংশ শতকের তথাকথিত দেবেন্দ্রনাথকেও উদার মনের এক মানুষ হিসেবে মনে হবে। মানুষ আজ প্রতিবেশীর ধর্ম ও সংস্কৃতিকে বুঝতে চায় না, তাই প্রতিবেশ আজ বিপন্ন, এই বিপন্ন প্রতিবেশকে রক্ষা করতে মানবতার যে বৃহত্তর প্রয়াস, তার এক উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধিত্ব আমরা দেখতে পাই মাননীয় সৈয়দ আহমদুল হকের তথা বাংলার রুমির অসামান্য সৃজনশীল রচনায়। সুফিবাদ বিচ্ছুরিত সে রচনায় বাংলা পাঠক ঋদ্ধ হবেন। মোকাবেলা করতে সক্ষম হবেন ধর্মীয় সংকীর্ণতার, অসহিষ্ণুতার।

অনিবার্য প্রাসঙ্গিকতায় বাংলার রুমির রচনায় গুরুত্ব পেয়েছে সুফিদের ওহাদাত-উল-ওজুদ তত্ত¡। বেদ-উপনিশদের সর্বেশ্বরবাদের সঙ্গে এই তত্তে¡র মিল আছে। উপমহাদেশের সুফিবাদের ইতিহাসের দেখা যায় যে এই তত্ত¡টিই অধিক গুরুত্ব পেয়েছে। মধ্য এশিয়ায় বা পশ্চিম এশিয়ায়, যেখানে একদিন সুফিসন্তদের উৎপত্তি হয়েছিল, সেখানে কিন্তু আধুনিক যুগে, বিশেষত ঊনবিংশ শতক থেকে এই তত্তে¡রও গুরুত্ব কমে গেছে এবং সেই সঙ্গে ওই অঞ্চলে সুফিসন্তদের সামাজিক তথা ধর্মীয় প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। একই কথা বলা যায় উত্তর আফ্রিকার মুসলিম সমাজ সম্পর্কে।

বাংলার রুমি যথার্থই উল্লেখ করেছেন যে, ত্রয়োদশ শতকের কবি রুমির রচিত মসনভিকে অনেকে বলেন ফারসি ভাষায় কুরআন শরিফ। এই ধরনের তুলনার একাধিক ব্যাখ্যা সম্ভব। তবে বর্তমান আলোচনায় আমরা একটি ব্যাখ্যারই উল্লেখ করব। উপমহাদেশের এমনকি পাশ্চাত্যেরও একাধিক ঐতিহাসিক মনে করেন যে সুফিসন্তরা কুরআন-হাদিস মানেন না, শরিয়তের বদলে কেবল তরিকতে জোর দেন। এটা একেবারেই ঠিক নয়। শরিয়তের সঙ্গে তরিকতের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই। সুফিবাদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর আছে। উপমহাদেশের লব্ধ প্রতিষ্ঠ সুফিরা শরিয়তকে বাদ দিয়ে তরিকত, মারেফত বা হকিকতে যাওয়ার কথা বলেননি। একদা বাদাউনবাসী নিজামুদ্দিন আউলিয়ার গভীর শাস্ত্রজ্ঞান ছিল। তাঁর মুরশিদ শেখ ফরিদ সম্পর্কেও একই কথা বলা চলে। বিখ্যাত চিস্তিসন্ত নিজামুদ্দিনের শৈশবের শিক্ষা ওই বাদউনেই সম্পন্ন হয়। এই তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের বক্তব্যকেও সমর্থন করে। কারণ বাদাউন ছিল উপমহাদেশের ইসলাম শাস্ত্রচর্চার উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র। নিজামুদ্দিনের প্রাথমিক ইসলাম শাস্ত্রপাঠ এই বাদাউনেই ঘটেছিল এবং এ ক্ষেত্রে তাঁর মারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভ‚মিকা ছিল। তবে এ কথা ভাবারও কোনো কারণ নেই যে সব সুফিসন্তই শেখ ফরিদ বা নিজামুদ্দিনের মতো শাস্ত্রজ্ঞ ছিলেন। শেখ ফরিদ বা নিজামুদ্দিনকে বাশরা (যারা শরিয়ত পালন করেন) সুফি বলা চলে। আর যে সব সুফি শরিয়তের ধার ধারে না তাঁদের বলা হয় বেশরা। অগতানুগতিক কলন্দরিয়া সুফিদেরও অনেক সময় বেশরা বলা হতো। কলন্দররা ভ্রাম্যমাণ। যার ফলে বিবিধ সভ্যতা ও সংস্কৃতির সান্নিধ্যে আসার সুযোগ তাঁদের ঘটে, যার অনিবার্য পরিণতি হলো এই যে তাঁদের মধ্যে একটি সহজাত ঔদার্যবোধ ও নমনীয়তা সঞ্চালিত হয়। বহুত্ববাদীরা মিশ্র সংস্কৃতিকে গ্রহণ করেন। এটা করতে তাঁদের বিশেষ সমস্যা হয় না। সমন্বয়, সহিষ্ণুতা ও সৃজনশীল সহাবস্থানের প্রতি কবি জালালউদ্দিন রুমির ইতিবাচক ঝোঁকের কথা অনুধাবন করতে গেলে তাঁর কলন্দরিয়া মুরশিদের ওই সম্ভাব্য গুণাবলীর কথা স্মরণ রাখা দরকার। তাছাড়া পারস্য কবি রুমিকেও ঘটনাচক্রে স্থান থেকে স্থানান্তরে গমন করতে হয়েছে। সেই সূত্রে বহু জাতিগোষ্ঠী, ভিন্ন ধর্ম ও ভাষাগোষ্ঠীর মানুষের সান্নিধ্যে তিনি এসেছেন, যা মানব সভ্যতা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য সম্বন্ধে তাঁকে সমৃদ্ধ করেছে। সেই অভিজ্ঞতা তথা প্রজ্ঞার প্রতিফলন তাঁর ধ্রুপদী তথা কালজয়ী সাহিত্যে আমরা প্রত্যক্ষ করে ঋদ্ধ হই, আপ্লুত হই। উপমহাদেশ তথা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার প্রেক্ষাপটে তাই রুমিচর্চাকে সাহিত্যিক পুনর্বাসন দিয়ে বাংলার রুমি আমাদের কৃতজ্ঞতাভাজন। রুমির জন্মস্থান (ওয়াতনে পয়দায়িষ্ণু) ছিল বলখ। মধ্যযুগে এক সময়ে এই বলখ ছিল বিভিন্ন সংস্কৃতির মিলনকেন্দ্র। বলখের বিখ্যাত বৌদ্ধ মন্দির এক সময় তীর্থকেন্দ্র ছিল। এই বলখ আবার ছিল ব্যাকট্রিয় গ্রিকদের রাজনৈতিক কেন্দ্র বা মরকজ। এই প্রাচীন স্থানটির সঙ্গে আবার জরথুস্ট্রের স্মৃতিও জড়িয়ে আছে। এই বলখ আবার ছিল সুফি ভাবান্দোলনের পীঠস্থান। উপমহাদেশের কাওয়ালির জনক তথা তুতিয়ে হিন্দ নামে বিখ্যাত আমির খসরু প্রকৃত অর্থে এই বলখেরই লোক। খসরুর মোরশেদ ছিলেন খ্যাতনামা চিস্তি সুফি নিজামুদ্দিন আউলিয়া যিনি নিজে ছিলেন সামার (সুফি সঙ্গীত) সমঝদার। সুলতানুল মশায়েখ নিজামুদ্দিন খসরুকে আঞ্চলিক ভাষায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভাবের আদান-প্রদান বজায় রাখতে উপদেশ দেন। বাংলার রুমিও বাংলা ভাষায় অর্থাৎ আঞ্চলিক ভাষায় মরমীয়াবাদী সাহিত্যচর্চা করে সেই জনমুখী ধারাকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। মাতৃভাষায় ভাবপ্রকাশ করা ও সাহিত্যচর্চা করা কিন্তু নবজাগরণেরও বৈশিষ্ট্য। যে কোনো জাতির মতো বাঙালির আত্মপরিচয়ের অন্বেষণের সঙ্গে এই মাতৃভাষা প্রীতির নিবিড় যোগ আছে যা ভাষা আন্দোলনের সময় একটি নতুন মাত্রা লাভ করেছিল। মধ্যযুগে পারস্যের নবজাগরণ উপমহাদেশেও তরঙ্গ সঞ্চার করেছিল। সেই নবজাগরণের অন্যতম দূত ছিলেন জালালউদ্দিন রুমি, সাদী, খইয়াম, হাফেজ প্রমুখ। আবার ঊনবিংশ শতকে বাংলার নবজাগরণ হঠাৎ করেই শেষ হয়ে যায়নি। ডেভিড ককের মতো বিখ্যাত ঐতিহাসিক মনে করেন যে নবজাগরণের বর্ণচ্ছটা সত্যজিৎ রায়দের মতো ব্যক্তিদের মধ্যেও দেখা গেছে। এই প্রেক্ষাপটে সুফি সাহিত্য তথা বাংলাভাষায় রুমি চর্চা করে বাংলার রুমি সেই বৃহত্তর নবজাগরণের ধারাকেই জাগরুক রেখে আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন, ঋদ্ধ করেছেন।

মরমীয়াবাদ উদ্বুদ্ধ সৈয়দ আহমদুল হক তাঁর গবেষণালব্ধ সৃজনশীলতায় একটি নতুন মাত্রা সংযোজন করেছেন যা কল্পনাশক্তিকে সমৃদ্ধ করেছে। জালালউদ্দিন রুমির ইন্তেকালের পর মুসলমান, ইহুদি, খ্রিস্টান সবাই শোকজ্ঞাপন করেছেন। আসলে তিনি শাস্ত্রজ্ঞানে পণ্ডিত হয়েও মানবতার মর্মবাণী তাঁর অসামান্য কাব্যিক সৃজনশীলতায় প্রচার করেছিলেন। মাইজভাণ্ডরী ফকিররাও তো এই মানবতার কথাই বলেন, হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের কথা বলেন। তাই তাঁদের গান-বাজনার আবেদন কেবলমাত্র চট্টগ্রামের ভৌগোলিক পরিমণ্ডলে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বিস্তৃত হয়েছিল নগরাঞ্চলেও বিশেষত, এমন চিন্তকদের মধ্যে যাঁরা হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের গুরুত্ব বুঝতেন। তাই শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে মাইজভাণ্ডারী ফকিররা পরিচিত ছিলেন এবং সম্ভবত এখনো চলমান আছেন। ওলি-আউলিয়াদের সৃষ্টিতত্ত¡ তথা নূরমহম্মদী তত্ত¡ জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে মাইজভাণ্ডরীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। এই উদার, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা মানবতার পটভ‚মিতে সৈয়দ আহমদুল হকের রচনায় মাইজভাণ্ডারীদের স্থান পাওয়াটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মাইজভাণ্ডারীদের পোশাক, আচার-আচরণ অনেক ক্ষেত্রেই নাগরিক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বাঙালির পোশাক-পরিচ্ছদ বা আচার-আচরণ থেকে পৃথক ছিল। এই পার্থক্যটি ছিল অনুধাবনযোগ্য। যেমন এঁরা লম্বা চুল রাখতেন ও হুঁকা পান করতেন। যদিও এঁদের মরমীয়াবাদী গান-বাজনা মানুষের অন্তর স্পর্শ করে যেত। এঁরা ছিলেন বাংলার লোকায়ত তথা গ্রাম্য জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

বাংলার রুমির কৃতিত্ব হলো যে, তিনি কেবলমাত্র ধ্রুপদী ইসলামীয় ঐতিহ্য যা ফারসি ও উর্দু ভাষার মাধ্যমে ব্যক্ত হয়েছে, তাকে নিয়েই তৃপ্ত থাকেননি। তাঁর মানবতা তথা মরমীয়াবাদ উদ্বুদ্ধ সৃজনশীলতা বিস্তৃত হয়েছে বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতিতে। এই উপলব্ধি ছিল বলেই রবীন্দ্রনাথের গোরা উপন্যাসে আমরা একটি বাউল গান পাচ্ছি, বা অন্যত্র রক্ত করবীকে নিয়ে দেখতে পাই কবির আগ্রহ। বাংলার রুমির অনুরূপ উপলব্ধি যা তাঁর রচনাবলীকে সমৃদ্ধ করে তা আমাদের শ্রবণে-মননে পাঠক্রমে বিচ্ছুরিত হোক, মানবসমাজের কল্যাণ হোক।

অমিত দে : অধ্যাপক, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা