ট্রাক্টরসহ ভিজিএফের চাল জব্দ, আটক ২

আগের সংবাদ

আওয়ামী লীগ ভোটিং মেশিনে বিশ্বাসী নয়: আইনমন্ত্রী

পরের সংবাদ

ইরাকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করছে ইরান

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৩১, ২০১৮ , ৬:১১ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৮, ৬:১১ অপরাহ্ণ

ইরাকের শিয়া প্রতিনিধিদের হাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে ইরান। ইরান, ইরাক ও পশ্চিমা সূত্র জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের স্বার্থের বিরুদ্ধে আক্রমণ প্রতিহত করতে ক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং আঞ্চলিক শত্রুদের আক্রমণ করাই এর লক্ষ্য। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

ইরাকে ইরানের আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র নীতির যেকোনো লক্ষণ তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে। ইতোমধ্যে ইরানের সঙ্গে করা পশ্চিমা দেশগুলোর পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ঠেকাতে পশ্চিমা বিশ্ব বহু বছর ধরে দেশটির ওপর বাণিজ্য অবরোধ দিয়ে রাখে। এতে কাজ না হওয়ায় ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়। কথা ছিল, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে সরে আসবে। বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে অবরোধ উঠিয়ে নেয়া হবে। সেই থেকে ওই চুক্তি মোতাবেক হচ্ছিল সবকিছু। জেসিপিওএ বলে পরিচিত ওই সমঝোতাকে ‘ইরান ডিল’ বলে। ছয়টি দেশ ইরানের সঙ্গে ওই চুক্তি করে। দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া ও চীন।

যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় বিপাকে পড়েছে ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চুক্তি রক্ষার চেষ্টা করছে ইউরোপীয় দেশগুলো।

তিনজন ইরানি কর্মকর্তা, দুজন ইরাকি গোয়েন্দা সূত্র এবং দুজন পশ্চিমা গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েক মাসের মধ্যে ইরান দুটি স্বল্প দূরত্বের ক্ষেপণাস্ত্র মিত্র দেশ ইরাকের কাছে হস্তান্তর করেছে।

তাদের মধ্যে পাঁচজন কর্মকর্তা বলেছেন, যেসব গোষ্ঠী নিজেরাই শক্তিশালী হতে শুরু করছে তাদেরকেই সাহায্য করছে ইরান।

ইরানের শীর্ষ একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এটি হচ্ছে বিকল্প পরিকল্পনা। ইরাককে ক্ষেপণাস্ত্র দেয়ার যুক্তি হচ্ছে, ইরান যদি ভবিষ্যতে আক্রমণের শিকার হয়। ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা বেশি না। মাত্র দুই ডজন। তবে প্রয়োজন হলে এর সংখ্যা বাড়ানো হবে।’

ইরান এর আগে বলেছিল, তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে শুধু আত্মরক্ষার্থে। দেশটির সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপ সম্পর্কে ইরানের কর্মকর্তারা মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ইরাক সরকার ও সামরিক বাহিনীও এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে চায়নি।