ঢাবির ভর্তি যুদ্ধে প্রতি আসনে লড়বে ৩৮ জন

আগের সংবাদ

বছরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে ৩০০০ শিশু

পরের সংবাদ

২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষ্মামুক্ত হবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২৯, ২০১৮ , ৮:১৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৮, ৮:১৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ আগামী ২০৩০ সালের মধ্যেই যক্ষামুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেক্টরের রয়েছে মজবুত অবকাঠামো। কয়েক বছর আগেও দেশে প্রতি লাখে যক্ষা রোগীর সংখ্যা ছিল ৪০০। আর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী তা নেমে এসেছে ২৬০-এ। পোলিও, ধনুষ্টংকার মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ, খুব শীঘ্রই যক্ষামুক্ত হবে।

যক্ষা রোগের উপর পরিচালিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, জাতীয় যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম সাদি, আইইডিসিআর-এর প্রাক্তন পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান।

যক্ষা নির্মূলের ব্যাপারে দৃঢ়তা প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে সফলতা পাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে জনগণের মধ্যে আরও সচেতনতা বাড়াতে হবে। যক্ষা আক্রান্তের উপসর্গ দেখা দিলে রোগীদেরকেও সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। যক্ষা সনাক্তের জন্য সারাদেশে জিন এক্সপার্ট মেশিন সরবরাহ করার চেষ্টা করা হবে।

হাসপাতালসহ সকল চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার উপর গুরুত্ব দিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘নিজ নিজ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রোগীবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সচেতন হলেই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব। প্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা অনেক ক্ষেত্রেই রোগীর সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভুমিকা রাখে।’

চিকিৎসকদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তিন হাজারের বেশি চিকিৎসক কাজ না করেও বেতন গ্রহণ করে থাকে। এমন রিপোর্ট পাওয়ার পর তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ধরা পড়ার ভয়ে এখন তারা আর বেতন গ্রহণ করতেও যায় না। এমন মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।