চট্টগ্রামের খামারিরা দুশ্চিন্তায়

আগের সংবাদ

নানা সমস্যায় জর্জরিত বকশীগঞ্জ পৌরসভা

পরের সংবাদ

তামাক ব্যবহারে অসংক্রামক রোগ

আর্থ-সামাজিক বোঝা নরূপণে চলছে জরিপ

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১২, ২০১৮ , ২:৪০ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৮, ২:৪০ অপরাহ্ণ

তামাক ব্যবহারে দেশে ছয়টি অসংক্রামক রোগের আর্থ-স্বাস্থ্য-সামাজিক বোঝা নিরূপণে চলছে গবেষণা ও জরিপের কাজ। ‘মেজারিং দ্যা ইকনোমিক কস্ট অব টোব্যাকো ইউজ ইন বাংলাদেশ হেলথ কস্ট অ্যাপ্রোচ প্রজেক্ট’ শীর্ষক এই গবেষণা ও জরিপের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের জুলাই মাসে। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে এই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হবে।
দেশি-বিদেশি চারটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এই জরিপের কাজ করছে। সেগুলো হলো আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি, ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ।
তামাক (ধোয়াযুক্ত ও ধোয়াবিহীন) গ্রহণের ফলে দেশে যে বিশেষ কয়েকটি রোগ হয় (ফুসফুসের ক্যান্সার, মুখ গহŸরের ক্যান্সার, স্বরনালীর ক্যান্সার, য²া, সিওপিডি ও ডায়াবেটিস মেলাইটাস) সেগুলোতে তামাক কীভাবে প্রভাব বিস্তার করছে এর একটি তথ্য ভিত্তিক উপস্থাপনা এই গবেষণা ও জরিপ থেকে পাওয়া যাবে। গবেষকরা প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখবেন এসব রোগের পেছনে তামাকের সম্পৃক্ততা কতখানি। শুধু তা-ই নয়, এসব রোগ হলে রোগীর এবং তার পরিবারে কী পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে সেই তথ্যও উঠে আসবে গবেষণা ও জরিপে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্স সম্পন্ন করা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৬০ জন শিক্ষার্থী এবং ছয় জন চিকিৎসক এই তথ্য সংগ্রহের কাজটি সম্পন্ন করেছেন। এই জরিপের টিম লিডার হিসেবে কাজ করছেন ক্যান্সার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক।
অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক ভোরের কাগজকে বলেন, আমাদের এই গবেষণা ও জরিপের দুটি অংশ। প্রাইমারি সেম্পল ইউনিটে ভাগ করে দেশের ৮টি বিভাগের ২৪শ খানা এবং ১০ হাজার সাক্ষাৎকার দাতার কাছ থেকে প্রথমত আমরা তথ্য সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করব।
সচেতনতার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় পর্যায়ে আমরা সেই তথ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে (ডিসেমিনেশন) দেব। ২০১৯ সালের মার্চে গবেষণা কর্মটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ফলাফল জানুয়ারি মাসেই প্রকাশ করা সম্ভব বলে আশা করা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৩ নাম্বার লক্ষ্য অর্জন করতে হলে আমাদের অসংক্রামক রোগে যে সংখ্যক মানুষ মৃত্যুবরণ করছে এর একতৃতীয়াংশ কমিয়ে আনতে হবে। কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে প্রতিরোধ হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসায় এক তৃতীয়াংশ ক্যান্সার সূচনাতেই নির্মূল করা সম্ভব।