মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে, গ্রেপ্তাররাও ছাড়া পাবে না: প্রধানমন্ত্রী

আগের সংবাদ

রাজধানীতে চাকরিদাতা প্রতারক চক্রের ১৩ সদস্য গ্রেপ্তার

পরের সংবাদ

সিইউজের নির্বাহী কমিটির সভা

রাইফার মৃত্যুর বিচার দাবিতে সোমবার সমাবেশ

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১২, ২০১৮ , ৮:৪৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৮, ১০:৫০ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামে চিকিৎসকদের অবহেলায় সাংবাদিক রুবেল খানের শিশু কন্যা রাফিদা খান রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় আগামী ১৬ জুলাই সোমবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিক-জনতার সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)। সমাবেশ থেকে সিইউজের তিন দফা দাবি আদায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিইউজে সভাপতি নাজীমুদ্দীন শ্যামলের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, সিনিয়র সহসভাপতি মাঈনুদ্দিন দুলাল, সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী, সিইউজের যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ, অর্থ সম্পাদক কাশেম শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম ইফতেখারুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহমেদ কুতুব, টিভি ইউনিট প্রধান অনিন্দ্য টিটু, পূর্বদেশ ইউনিট প্রধান রতন কান্তি দেবাশিষ, কর্ণফুলী ইউনিট প্রধান মোহাম্মদ আলী পাশা ও সাঙ্গু ইউনিট প্রধান বিশু রায় চৌধুরী।

সভায় সাংবাদিক নেতারা বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার, অবৈধ অনুমোদনহীন ম্যাক্স হাসপাতাল বন্ধ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণকারী ডা. ফয়সল ইকবালের সনদ বাতিল ও জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার- দাবিতে তারা রাজপথে সোচ্চার রয়েছেন। এই তিন দাবি যতদিন বাস্তবায়ন না হবে ততদিন সাংবাদিক-জনতা সবাত্মক আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

গত ২৯ জুন রাতে নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিকিৎসকদের চরম অবহেলায় আড়াই বছরের শিশুকন্যা রাইফা অকালে প্রাণ হারায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এই ম্যাক্স হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে। চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এরপর গত ৮ জুলাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া যায় ম্যাক্সের বিরুদ্ধে। অভিযান চলাকালেই চট্টগ্রাম বিএমএ, বেসরকারি ক্লিনিক মালিকগণ একজোট হয়ে সারা চট্টগ্রামে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেয়। ফলে জিম্মি হয়ে পড়ে রোগী ও তাদের আত্মীয়স্বজন। অবশ্য পরদিনই ওই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।