রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলা

আগের সংবাদ

জাগালো-বেকেনবাওয়ারের পাশে দেশ্যাম!

পরের সংবাদ

ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া টাইগাররা

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১২, ২০১৮ , ১:১৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৮, ১:১৯ অপরাহ্ণ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফররত বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ভালো করতে দৃঢ় প্রত্যয়ী। এন্টিগা ম্যাচের স্মৃতি ভুলে আজ থেকে শুরু হওয়া কিংস্টন টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া টাইগাররা। জ্যামাইকার স্যাবাইনা পার্কে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় শুরু হচ্ছে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি।
প্রথম টেস্টে বিধ্বস্ত হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ক্রিকেটাররা। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, শিষ্যদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার ওপরেই সবচেয়ে জোর দিচ্ছেন গত জুনের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব নেয়া ইংল্যান্ডের সাবেক খেলোয়াড় স্টিভেন রোডস। তার অধীনে নতুন স্বপ্ন নিয়ে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে নতুনভাবে পথচলা শুরু করার ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু বিধিবাম! নতুন কোচের অধীনে নিজেদের প্রথম টেস্ট ম্যাচেই লজ্জার রেকর্ড গড়ে টাইগাররা।
অবশ্য অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং দলের সফলতম ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে আশাবাদী। তারা জানিয়েছেন, পেছনের ব্যর্থতা ভুলে দ্বিতীয় টেস্টে ভালো খেলতে চেষ্টা করবে দল। বাংলাদেশের মানুষকে একটা ভালো টেস্ট ম্যাচ উপহার দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে অ্যান্টিগায় প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনকে ধসিয়ে দেয়া কেমার রোচকে পরের ম্যাচে বিশ্রাম দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড। জ্যামাইকা টেস্টে তার জায়গা নিয়েছেন ২০১৭ সালের আগস্টে শেষ টেস্ট খেলা আলজারি জোসেফ।
ওদিকে প্রত্যাশিত পারফর্ম করতে না পারায় ক্যারিবীয় সফরের মাঝপথেই দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে বাংলাদেশ দলের পেসার রুবেল হোসেনকে। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর মতে, যদিও ১৬ জনের ওয়ানডে দলে রুবেল আছে। তারপরও আমরা তাকে ফিরিয়ে আনার চিন্তাভাবনা করছি। মোস্তাফিজ নিজেকে ফিট প্রমাণ করেছে। তাই আমরা ১৬ জনের স্কোয়াড থেকে একজন কমিয়ে আনার কথা ভাবছি।
জ্যামাইকার স্যাবাইনা পার্ক মাঠে বহু স্মৃতি জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের। ভেন্যুর একটি প্রান্তের নামকরণও করা আছে ওয়ালশের নামে। এই শহরে খেলে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন তিনি, পেয়েছেন তারকা খ্যাতি। বাংলাদেশ দল তাদের বোলিং কোচের জন্মস্থান, বেড়ে ওঠার শহরে ঘুরে দাঁড়াবে বলেই বিশ্বাস। সেখানকার উইকেট সম্পর্কে তার জানা আছে বেশ ভালোভাবে। অ্যান্টিগার দুঃস্বপ্ন ভুলতে জ্যামাইকায় কোর্টনি ওয়ালশের অভিজ্ঞতা কাজে দেবে। আপাতত এমন বিশ্বাস নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে হবে ক্রিকেটপ্রেমিদের। অ্যান্টিগায় পেসারদের জন্য মনের মতো উইকেট থাকার পরও রুবেল-রাব্বি-রাহীরা উইকেট থেকে সুবিধা আদায় করতে পারেননি। ওয়ালশের আশা জ্যামাইকাতে তার দলের পেসাররা উইকেটের সুবিধা কাজে লাগাতে পারবে।