ধামরাইয়ে ইয়াবা খাইয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

আগের সংবাদ

আগামী নির্বাচনে অংশ নিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন

পরের সংবাদ

খালেদা জিয়া নারী জাতির জন্য কলঙ্ক: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১১, ২০১৮ , ৬:৪৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, একজন নারী মানে একজন মা। সেই নারী হয়ে এতিমের টাকা মেরে খাওয়া-এটা চিন্তাই করা যায় না। এটা সমস্ত নারীর জন্য কলঙ্ক। খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে কোর্টের রায়ে জেলে আছেন। একজন নারী হয়ে দুর্নীতির দায়ে তার সাজা হয়েছে। মামলাটা আমরা করিনি। রাজনৈতিক কারণে মামলা হলে ২০১৪-১৫ সালেই তাকে গ্রেফতার করতে পারতাম।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা এমপি নুরজাহান বেগমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, মামলাটি প্রায় ১০ বছর চলেছে। বিএনপি’র এতো জাঁদরেল জাঁদরেল আইনজীবী কেউই আদালতে তাঁকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলো না। এতেই প্রমাণিত হয় তিনি অপরাধী। আর বিএনপি নেতারাও সেটা জানতেন বলেই মামলার রায়ের আগেই দলটির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা সংশোধন করলো, নতুবা গঠনতন্ত্র সংশোধন করে দুর্নীতিবাজ, অপরাধী ও দন্ডিতদের নেতা হওয়ার সুযোগ রাখা হলো কেন? এতে এটাই প্রমাণ হয় তিনি অপরাধী। এটা নারী জাতির জন্য লজ্জার। নারী জাতির জন্য কলঙ্কের।

নারীর ক্ষমতায়নসহ যেকোনো উন্নয়নে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা থাকা দরকার উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক সেটাই আমরা চাই। কারণ গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে, দেশে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ থাকে তবে দেশ যে সবদিক থেকে এগিয়ে যায়, উন্নত-সমৃদ্ধ হয়- আমরা তা প্রমাণ করেছি। গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে দেশ উন্নত হয় না, বরং মানুষ বঞ্চিত ও নির্যাতনের শিকার হয় তাও বার বার এ দেশে প্রমাণ হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশ যেভাবে সুষ্ঠভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আমাদের মেয়েরাই লাভবান হবে। আমি বলবো, নারীর ক্ষমতায়ন, সুরক্ষা, উন্নয়ন সবকিছুই নির্ভর করে সুষ্ঠু নির্বাচন; যার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস-নাশকতা ও পুড়িয়ে মানুষ হত্যার ঘটনা তুলে ধরে সংসদ নেতা বলেন, দেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা না থাকলে নারীরা নির্যাতিত হয়। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে একাত্তরের পাক হানাদার বাহিনীর মতো নারীদের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায়, পাশবিক নির্যাতন চালায়। ৬ বছরের ছোট শিশুকে পর্যন্ত গণধর্ষণ করে। দেশের এমন কোন স্থান ছিল না যেখানে নির্যাতন হয়নি। যে কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা ভোট পায়নি। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

তিনি বলেন, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে আন্দোলন ও নির্বাচন বানচালের নামে তারা নির্বিচারে নারীসহ দেশের মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সারাদেশে নাশকতা চালিয়েছে। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতা তখনই সম্ভব যখন দেশে গণতান্ত্রিক সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে।