ফিরে গেলেন মোনালিসা

আগের সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সেবা পাবে ৩৫ হাজার জাহাজ

পরের সংবাদ

সংসার জীবনে জটিলতা আসে সমাধানও হয় : শ্রাবন্তী

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ৮, ২০১৮ , ১:০৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৮, ১:০৭ অপরাহ্ণ

দীর্ঘ বিরতির পর সংবাদ মাধ্যমে খবরের শিরোনাম হলেন ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী। এবার ব্যক্তিজীবনের জটিলতার জন্য শ্রাবন্তীকে নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। স্বামী খোরশেদ আলম ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন তাকে। চলতি বছরের ৭ মে শ্রাবন্তীকে তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন খোরশেদ আলম। শ্রাবন্তী দীর্ঘদিন যাবৎ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। গত ২৫ জুন তিনি দেশে ফিরেছেন। গত মঙ্গলবার যখন শ্রাবন্তীর সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয় তখন তিনি ছিলেন বগুড়ায়। শ্রাবন্তী বলেন, আমার ছোট বাচ্চাটার শরীর ভালো না। শিগগিরই ঢাকায় আসব। বিবাহবিচ্ছেদ প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বলেন, সংসার জীবনে সমস্যা-জটিলতা আসে, সেগুলোর সমাধানও হয়। এই বিষয়টিরও নিশ্চয় সুন্দর সমাধান হবে। এটাই প্রত্যাশা করছি। এই অভিনেত্রী আরো বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে অহেতুক কেউ জলঘোলা করে কিছু লিখবেন না। আমি এখন আর কিছু বলতে চাই না। সময়ই নির্ধারণ করবে, আমার কী করণীয়। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমার বক্তব্য ফেসবুকের মাধ্যমে স্ট্যাটাস লিখে জানিয়েছি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমি সবাইকে বলতে চাই, সংসারটা বাঁচুক। আমার সন্তানরা ব্রোকেন পরিবারে যেন বড় না হয়। গত ৪ জুলাই ছিল শ্রাবন্তীর জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে খোরশেদ আলমের সঙ্গে শ্রাবন্তীর যোগাযোগ হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই শ্রাবন্তীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কিন্তু শ্রাবন্তী ছিলেন নীরব। জন্মদিনে বিশেষ কোনো উচ্ছ¡াস কাজ করেনি।
২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর শ্রাবন্তীর সঙ্গে বিয়ে হয় মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের। এই দম্পতির ঘরে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে রাবিয়াহ আলমের বয়স সাত। আর ছোট মেয়ে আরিশা আলমের সাড়ে তিন বছর। খোরশেদ আলম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত¡ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। পাশাপাশি তিনি এনটিভির মহাব্যবস্থাপক (অনুষ্ঠান) ছিলেন। কাজ করেছেন চ্যানেল নাইনে। খোরশেদ আলম বলেন, আমি অনেক ছাড় দিয়ে শ্রাবন্তীকে বিয়ে করেছিলাম। যেসব ব্যাপারে ছাড় দিয়েছি, তা থেকে শ্রাবন্তী এতটুকু সরে আসেনি। এতদিন আমি ব্যাপারগুলো সামনে আনতে চাইনি, কারণ তা আমাদের কারো জন্যই ভালো হবে না। দিনে দিনে আমাদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব অনেক বেড়ে গেছে। পারস্পরিক সম্মান, শ্রদ্ধাবোধ, বিশ্বাস নেই বললেই চলে। যতটুকু অবশিষ্ট আছে, তা শেষ হওয়ার আগেই আমি সরে এসেছি। আমি চাইনি আমাদের সম্পর্কের ক্ষতিকর প্রভাব বাচ্চাদের ওপর পড়ুক।
এ দিকে শ্রাবন্তী বলেন, হ্যাঁ, আমার একটা প্রেম ছিল। খোরশেদ আলম আমার সব জেনেশুনে আমাকে বিয়ে করেছিলেন। আর ৭ বছর পর তা নিয়ে আমাকে বেøম করে যাবে তা মানা যায় না। সবকিছুর আগে আমি একজন মা, আলম একজন বাবা। এটা আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত না। বাচ্চাদের কোনো দোষ নেই। ওদের মাকেও প্রয়োজন, বাবাকেও প্রয়োজন। ওরা অলরেডি সিক। সো প্লিজ, সবাই দোয়া করবেন আমার বাচ্চারা যেন সুস্থ থাকতে পারে। ওরা মা-বাবা দুজনকেই যেন কাছে পায়। এই অভিনেত্রী আরো বলেন, ভুল আমারও আছে, খোরশেদ আলমেরও আছে, তাই বলে ডিভোর্স করে আলম বাচ্চাদের সঙ্গে আমার সঙ্গে এমন অন্যায় করতে পারে না। আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করবে। সংসার ভাঙবে আর আমি তা মেনে নিয়ে চুপ করে থাকব তাই না?