বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে : তোফায়েল

আগের সংবাদ

গাজায় হিলিয়াম গ্যাস সরবরাহ বন্ধের হুমকি ইসরায়েলের

পরের সংবাদ

কপালে এমনটা ছিল বলেই হয়েছে : মুস্তাফিজ

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১৩, ২০১৮ , ১০:০১ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ১৩, ২০১৮, ১০:০১ অপরাহ্ণ

আইপিএল থেকে বয়ে আনা চোটের কারণে মুস্তাফিজুর রহমান আফগানিস্তান সিরিজ খেলতে পারেননি। এর আগেও আইপিএল থেকে চোট নিয়ে ফিরেছিলেন বাঁহাতি এই পেসার। এভাবে বারবার চোটে পড়ায় অবশ্য ভাগ্যকেই দুষলেন ‘কাটার মাস্টার’।

মুস্তাফিজ বাঁ পায়ের বুড়ো আঙুলের চোটটা পেয়েছিলেন আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে তার শেষ ম্যাচে। আইপিএল থেকে ফিরে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে একদিন অনুশীলনও করেছিলেন বাঁহাতি পেসার। সেদিনই তিনি ব্যথার কথা জানান। ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচ কোর্টনি ওয়ালশ তাই তাকে দুই দিনের বিশ্রাম দেন। কিন্তু দল ভারতে যাওয়ার আগের দিন স্ক্যান করানোর পর জানা যায়, চোটটা আসলেই গুরুতর। ফলে আফগান সিরিজে আর খেলা হয়নি তার।

২০১৬ সালে প্রথমবার আইপিএলে খেলতে গিয়েও মুস্তাফিজ দেশে ফিরেছিলেন হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট নিয়ে। সে বছর সাসেক্সের হয়ে ইংলিশ কাউন্টি খেলতে গিয়েও বাঁ কাঁধের চোটে পড়েন মুস্তাফিজ। প্রথমবারের মতো যেতে হয় চিকিৎসকের ছুরির নিচেও। দীর্ঘ সময়ের জন্য ছিটকে যান মাঠের বাইরে।

বারবার চোটে পড়ায় ভাগ্যকেই দায় দিচ্ছেন মুস্তাফিজ। এজন্য অবশ্য তার আফসোসও কম নয়। আজ মিরপুরে সাংবাদিকদের মুস্তাফিজ বলেছেন, ‘খেলতে গেলে এমন হয়ই। আমার কপালে এমনটা ছিল বলেই হয়েছে। আফসোস থাকারই কথা। সব খেলোয়াড়ই চায় ধারাবাহিক খেলে যেতে। কেউ তো ইচ্ছে করে চোটে পড়ে না। চেষ্টা তো করি সব সময়ই। হলে তো কিছু করার নেই।’

মুস্তাফিজ জানালেন, এখন চোট থেকে অনেকটাই সেরে উঠেছেন। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গিয়েও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে। ‘এখন অনেক ভালো। তিন সপ্তাহ হয়ে গেছে। যে কাজ দেখিয়ে দিয়েছে প্রতিদিন করার চেষ্টা করছি। সব মিলিয়ে ভালো। ঈদের বিরতিতে কদিনের গ্যাপ আছে। তবুও কিছু প্রোগ্রাম দিয়েছে, ওটা করতে হবে। আসার পর আবার দেখবে’- বলেন মুস্তাফিজ।

চোট থেকে অনেকটা সেরে উঠলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের টেস্ট দলে যে মুস্তাফিজ থাকছেন না, তা অনেকটাই নিশ্চিত। এবারের ঈদটা তাই মুস্তাফিজের জন্য মিশ্র অনুভূতির, ‘বাড়িতে অনেকদিন পর যাচ্ছি। গেলে ভালো লাগবে। বাবা মা, পরিবারের সবাই থাকবে। যদি টেস্ট দলে থাকতাম তাহলে দুদিকেই ভালো লাগত। এখন শুধু পরিবার নিয়েই থাকতে হবে।’