সরকারের ভিশন ও মিশন নিয়ে সকলকে কাজ করতে হবে

আগের সংবাদ

শিমুলিয়া ঘাটে ৭ শতাধিক গাড়ী পারাপারের অপেক্ষায়

পরের সংবাদ

নওয়াজ শরিফের মামলা লড়তে রাজি নন কোনও আইনজীবী!

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১২, ২০১৮ , ১০:৩৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ১২, ২০১৮, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ

ইংল্যান্ডের অ্যাভেনফিল্ডে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা কোনও আইনজীবীই লড়তে চাইছেন না। ফলে সমস্যা বাড়ছে শরিফের। সোমবারই তাঁর আইনজীবী খোয়াজা হরিশ, এই দুর্নীতি মামলা থেকে সরে দাঁড়ান।

তিনি এর কারণ হিসেবে জানান, নওয়াজ এবং তাঁর পরিবারের দুর্নীতি মামলা লড়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না৷ তিনি বলেছেন, আদালতে তিনি উপস্থিত হতে পারছেন না, তাই সরে দাঁড়াচ্ছেন মামলা থেকে। তাঁর আরও দাবি সুপ্রিম কোর্ট এক মাসের মধ্যে এই মামলার শুনানি শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে যা কখনওই সম্ভব নয়।

খোয়াজা হরিশ সরে দাঁড়ানোর পর আর কোনও আইনজীবীই এই মামলা লড়তে চাইছেন না বলে অভিযোগ করেছেন শরিফ। হরিশ সরে দাঁড়ানোর পরই আইনজীবী নিয়োগ নিয়ে বিপাকে পড়েন নওয়াজ।

নিজের দেশে থেকেও একজন নাগরিকের আইনি পরিষেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি বলে অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী।

সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের ফলে কোনও আইনজীবী তাঁর মামলা হাতেই নিতে চাইছেন না বলে মন্তব্য করেছেন শরিফ। টানা শুনানির নির্দেশ নিয়েও অভিযোগ আছে শরিফের। সব মিলিয়ে মহা আতান্তরে পড়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

তবে শরিফের অভিযোগ শোনার পর আদালত তাঁকে নতুন আইনজীবী নিয়োগ করতে সময় দিয়েছে। তা না হলে তিনি যদি ফের হরিশকেই নিজের মামলা লড়ার জন্য বোঝাতে পারেন সেই সময়ও দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীকে।

বিদেশে হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি সহ একাধিক দুর্নীতিতে অভিযুক্ত নওয়াজ শরিফ, তাঁর দুই ছেলে হাসান এবং হুসেন শরিফ, মেয়ে মারিয়াম, জামাই অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন মহম্মদ সফদর এবং শরিফঘনিষ্ঠ প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ইশফাক দার। গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিম্ন আদালতে শরিফ পরিবারের দুর্নীতি মামলার শুনানি শুরু হয়।

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির মালিকানার দায়ে গত বছরের জুলাই মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরতে হয় নওয়াজ় শরিফকে। এরই জেরে আজীবন নির্বাচনে লড়াই করতে পারবেন না প্রাক্তন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। এমনই নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। এমনকি পাকিস্তানের পার্লামেন্টের সদস্যও হতে পারবেন না। এমনটাই জানিয়ে দেয় পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ।