বাড়বে মোবাইল ফোনের দাম, কমবে বিদেশি সফটওয়্যারের

আগের সংবাদ

বাংলাদেশের নতুন কোচ রোডস জানালেন বিসিবি সভাপতি

পরের সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধাসহ নাতি-নাতনিদের সহায়তায় ৪০০ কোটি বরাদ্দ

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ৭, ২০১৮ , ৫:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ৭, ২০১৮, ৫:৫০ অপরাহ্ণ

সামাজিক সুরক্ষা খাতের আওতাভুক্ত করে অস্বচ্ছল যুদ্ধাহত ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের স্ত্রী,পুত্র ও কন্যা অথবা নাতি-নাতনিদের সহায়তা দেওয়ার জন্য বাজেটে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৫ লাখ থেকে ৪০ লাখে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতাভোগীর সংখ্যা ১২ লাখ ৬৫ হাজার থেকে ১৪ লাখে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানি ভাতা ও উৎসব ভাতার পাশাপাশি বার্ষিক দুই হাজার টাকা হারে বাংলা নবর্বষ ভাতা চালু করা হয়েছে। এছাড়াও জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিজয় দিবস উপলক্ষে জন প্রতি ৫ হাজার টাকা করে বিশেষ সম্মানি ভাতা চালু করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অসচ্ছ্ল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ৮ লাখে ২৫ হাজার হতে ১০ লাখে বৃদ্ধিতে-প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের উপবৃত্তির হার বাড়িয়ে প্রাথমিক স্তরে ৫০০ টাকা হতে ৭০০ টাকায়,মাধ্যমিক স্তরে ৬০০ টাকা হতে ৭৫০ টাকায় এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৭০০ টাকা হতে ৮৫০ টাকায় বৃদ্ধি করার প্রস্তাবনা করা হয়।

ভাতাভোগীর সংখ্যা ৮০ হাজার হতে ৯০ হাজার জনে বৃদ্ধি- হিজড়া,বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উপবৃত্তরি হার প্রাথমিক স্তরে ৩০০ টাকা হতে ৭০০ টাকায়,মাধ্যমিক স্তরে ৪৫০ টাকা হতে ৮০০ টাকায়,উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৬০০ টাকা হতে ১ হাজার টাকায় এবং উচ্চতর স্তরে ১ হাজার টাকা হতে ১ হাজার ২০০ টাকায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উপকারভোগীর সংখ্যা ৩৬ হাজার থেকে ৬৪ হাজারে উন্নীত করে তাদের মধ্যে বিশেষ ভাতা ভোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার হতে ৪০ হাজারে এবং শিক্ষা উপবৃত্তির সংখ্যা ১১ হাজার হতে ১৯ হাজারে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়।

এ ছাড়া ক্যান্সার,কিডনি,লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে প্যারালাইজ্‌ড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজারে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির উপকারভোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার হতে ৪০ হাজারে বৃদ্ধি; দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা হতে ৮০০ টাকায় বৃদ্ধি এবং ভাতার মেয়াদ ২ বছরের স্থলে ৩ বছর নির্ধারণ। পাশাপাশি ভাতাভোগীর সংখ্যা ৬ লাখ হতে ৭ লাখে বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়।

কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তার আওতায় মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা হতে ৮০০ টাকায় বৃদ্ধি এবং ভাতা প্রদানের মেয়াদে ২ বছরের স্থলে ৩ বছর নির্ধারন। পাশাপাশি ভাতাভোগীর সংখ্যা ২ লাখ হতে আড়াই লাখে বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করা হয়।

কক্সবাজার টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার প্রতিটিতে ২০ হাজার হিসেবে মোট ৪০ হাজার বৃদ্ধি করে ভিজিডি কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ৪০ হাজারে বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়।