মিডিয়াটেকের নতুন প্রসেসরের নাম পি ২২

আগের সংবাদ

স্মার্টফোন চার্জ হবে লবণাক্ত পানি দিয়ে!

পরের সংবাদ

বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি : মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব হাইকোর্টের

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৩, ২০১৮ , ৪:৪২ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ২৩, ২০১৮, ৪:৪২ অপরাহ্ণ

বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। মামলাগুলোর সব নথি নিয়ে আগামী ৩০ মে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় অন্তত ৫৬ মামলা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলার আসামি ফজলুস সোবহান, শিপার আহমেদসহ কয়েকজনের জামিন শুনানিতে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবালসহ সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ৩০ মে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জানা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের রাজধানীর তিনটি শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তে নামে দুদক। প্রায় চার বছর অনুসন্ধান শেষে এই অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় গত বছর রাজধানীর তিনটি থানায় ১৫৬ জনকে আসামি করে ৫৬টি মামলা করে দুদক। তবে আসামির তালিকায় বেসিক ব্যাংকের সে সময়ের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু এবং পরিচালনা পর্ষদের কারো নাম না থাকায় প্রশ্ন তোলে উচ্চ আদালতে। এছাড়া জাতীয় সংসদে বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

ওই বছরের আগস্টে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও বাচ্চুকে আসামি না করায় উষ্মা প্রকাশ করেন।

উচ্চ আদালত থেকে উষ্মা প্রকাশের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে তলব করে দুদক। কয়েক দফা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বাচ্চুকে ২০০৯ সালে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০১২ সালে তার নিয়োগ নবায়নও হয়। কিন্তু ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠলে ২০১৪ সালে পদত্যাগ করেন বাচ্চু।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর দুই মেয়াদে ব্যাংকের সাড়ে চার হাজার কোটি লোপাট হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৪১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই সব মামলা করা হয়। বাকি দুই হাজার ৪৬৩ কোটি ৩৪ লাখ পাঁচ হাজার ৬৫৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে।