অ্যাসাঞ্জের ওপর নজরদারি চালিয়েছে আশ্রয়দাতা ইকুয়েডর

আগের সংবাদ

মাসটেক্সের এমডির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

পরের সংবাদ

দুদক হটলাইনে অভিযোগে উচ্ছেদ হলো অবৈধ ৮ ইটভাটা

প্রকাশিত হয়েছে: মে ১৬, ২০১৮ , ৮:১১ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ১৬, ২০১৮, ৮:১১ অপরাহ্ণ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগ কেন্দ্রে হটলাইন ১০৬ এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অবৈধ ৮টি ইটভাটা উচ্ছেদ হলো।

এছাড়াও দুদকের নির্দেশনায় পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন গত ৩ সপ্তাহ ধরে একটানা ভেজাল দুধের উৎপাদন ও মজুদ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত কয়েক মণ ভেজাল দুধ জব্দ এবং অপরাধীদের জরিমানা ও কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

এভাবে দুদক হটলাইনে অভিযোগ করে অভিযোগকারী নিয়মিত সেবা পেয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপরিচাক) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য।

এ বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান সমন্বয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে মূলত: ঘুষ-দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো নিষ্পত্তির লক্ষ্যে চৌকষ কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গঠিত টিমের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির কারণে কতিপয় প্রতিষ্ঠানের ভেঙে পড়া নৈতিক মানদণ্ড পুনঃপ্রতিষ্ঠায় দুদক দৃঢ়চিত্তে কাজ করছে, এক্ষেত্রে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

দুদক আরো জানায়, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমি জরিপের দুর্নীতি, অবৈধ ইটভাটার মাধ্যমে কৃষিজমি ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, সরকারি রাস্তা দখল, ভেজাল দুধের ব্যবসা ইত্যাদির বিরুদ্ধে দুদক হটলাইনে জনসাধারণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। ভুক্তভোগী নাগরিকরা অভিযোগ দেওয়ার পরপরই দুদকের কর্মকর্তা ও পুলিশের সমন্বিত এনফোর্সমেন্ট টিম তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালাচ্ছে। সরকারি দফতর এবং মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন স্থাপনায় দুদক টিম অনিয়ম চিহ্নিত করে দুর্নীতি বন্ধ এবং সেবাপ্রাপ্তিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

দুদক আরো জানায়, সম্প্রতি সাভারের আমিনবাজারে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের হস্তক্ষেপে ভূমি জরিপে ঘুষ লেনদেন বন্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) এর বনশ্রী, জিগাতলা, রমনা ও লালবাগ অফিস কয়েকদফা আকস্মিক পরিদর্শন করে সেবার মান উন্নয়নে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযান চালিয়ে শিল্প-কারখানার অনুকূলে পরিবেশ ছাড়পত্র প্রদানে মারাত্মক অনিয়ম উদঘাটন করা হয়েছে। বিষয়টির উপর আরো তদন্ত চলছে।