বিএনপির অভিযোগ ‘নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা’: হাছান মাহমুদ

আগের সংবাদ

খুলনায় জাপার মহানগর কমিটি বিলুপ্ত

পরের সংবাদ

অন্যতম ফেবারিটের তকমা নিয়েই রাশিয়া যাচ্ছে ফ্রান্স

প্রকাশিত হয়েছে: মে ১৬, ২০১৮ , ৬:২২ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ১৬, ২০১৮, ৬:২২ অপরাহ্ণ

‘‌আমরা এখনও স্পেন, জার্মানি বা ব্রাজিলের মতো পর্যায়ে যেতে পারিনি। প্রত্যেকটা ম্যাচেই একইরকম ভাবে কর্তৃত্ব দেখিয়ে জিততে পারব না। কিন্তু আমার হাতে এমন একটা দল রয়েছে, যাদের ‌শক্তিশালী, লড়তে জানে এবং যাদের দুর্দান্ত প্রতিভা রয়েছে।’‌ কিছুদিন আগেই কথাগুলো শোনা গিয়েছিল ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশঁর মুখে। তবুও আসন্ন রাশিয়া বিশ্বকাপে অন্যতম ফেবারিট দলের তকমা নিয়েই যাবে ফ্রান্স।

১৯৯৮ সালের বিশ্বজয়ী দলের পর ফ্রান্সের হাতে এত প্রতিভাবান দল আর আসেনি। সেবার জিনেদিন জিদানের নাম মুখে মুখে উচ্চারিত হত। এবার তেমনই আঁতোয়া গ্রিজম্যান, কিলিয়ান এমবাপের নাম দুনিয়ার লোক জানে। জিদান নিজের সুনাম রাখতে পেরেছিলেন বিশ্বকাপ জিতে। গ্রিজম্যান, এমবাপেরা সেটা পারবেন কি না সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তাঁরা যে এবার অন্যতম ফেবারিট, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

গত বিশ্বকাপটা খুব খারাপ কেটেছিল ফ্রান্সের। গ্রুপে শীর্ষে থেকে শেষ করে এবং প্রি–কোয়ার্টার ফাইনালে নাইজেরিয়াকে হারানো সত্ত্বেও কোয়ার্টার ফাইনালের গাঁট টপকাতে পারেনি তারা। পরাজিত হয় জার্মানির কাছে। সবাই ভেবেছিলেন, ঘরের মাঠে ইউরো কাপে বুঝি আসল ফ্রান্সকে দেখা যাবে। সেটা বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন গ্রিজম্যানরা। প্রতিভার প্রতি সুনাম রেখে তারা উঠেও যায় ফাইনালে। অন্যতম ফেবারিট জার্মানিকে সেমিফাইনালে ছিটকে দিয়ে। কিন্তু এবারও ফস্কা গেরো। ধারে–ভারে অনেক এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও ফাইনালে পেরোতে পারেনি পর্তুগালের গাঁট। তুমুল হতাশ হয়েছিলেন আপামর ফরাসিরা। সাম্প্রতিক ফ্রেন্ডলির ফলও আশা জোগাচ্ছে না। কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ২–০ এগিয়ে হারতে হয়েছিল ২–৩ ব্যবধানে। ডিফেন্সের দুর্বলতা বোঝা গিয়েছিল অনেকটাই।

বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে ফ্রান্স ছিল গ্রুপ এ–তে। যে গ্রুপে ছিল হল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দল। কিন্তু হল্যান্ড এবার বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনই করতে পারেনি। ফ্রান্সের গ্রুপ থেকে বিশ্বকাপে যাচ্ছে সুইডেন, চারবারের বিশ্বজয়ী ইতালিকে ছিটকে দিয়ে।

প্রতিবারই ফেবারিটের তকমা নিয়ে বড় টুর্নামেন্টে খেলতে যায় ফ্রান্স। কিন্তু ১৯৯৮ বিশ্বকাপ এবং ২০০০ ইউরো বাদে প্রতিবারই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। কোনওবারই নিজের প্রতিভার প্রতি সুনাম রাখতে পারেননি ফুটবলাররা। ২০০৬–এ দুর্দান্ত খেলেও ইতালিকে বিশ্বকাপ উপহার দিয়ে দেয় তারা। এবার যাতে কোনওরকম ভুল না হয়, তার জন্য মরিয়া কোচ দেশঁ। ঠান্ডা মাথা এবং নিত্যনতুন কৌশলের জন্য তিনি বিখ্যাত। রাশিয়া বিশ্বকাপে ফরাসি বিপ্লব দেখা যাবে কিনা, সময়ই বলবে।