কাঠমান্ডু বিমান দুর্ঘটনা শোকাবহে কিছু প্রশ্ন তুলে দিল

আগের সংবাদ

গাইবান্ধা-১ উপনির্বাচনে লাঙলের জয়

পরের সংবাদ

রাজনীতির গতিধারায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ১৩, ২০১৮ , ৯:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৮, ৯:৫০ অপরাহ্ণ

শেখর দত্ত

রাজনীতিক, কলাম লেখক

নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগের কাজ অগ্রসর করছে কিনা এবং তা থেকে বিএনপি-জামায়াত জোট টিকে থেকে ফায়দা লুটতে পারবে কিনা, এটাই আজ রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন! তাই স্বাধীনতার মাসে বলতে হয় যে, এন্টি আওয়ামী লীগ সেন্টিমেন্ট কতটা দানা বেঁধে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারবে কি পারবে না, তা দিয়েই দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হবে।

কাঠমান্ডুর মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়ে কলামটা শুরু করছি। অভাবিত ও করুণ এমন মৃত্যুতে জাতি কতটা ব্যথিত ও মর্মাহত, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। এর মধ্যে আরো দুঃখজনক বিষয় হলো যে, কেন এতগুলো মানুষের জীবন গেল, সে সম্পর্কে বিতর্ক চলছে। পাইলটের নাকি সিগন্যালের ত্রুটির কারণে এতগুলো মানুষের জীবন গেল? এই নিয়ে বিতর্ক অভিপ্রেত নয়। জীবন ফিরে পাওয়া না গেলেও কিংবা ক্ষতিপূরণ না হলেও এই প্রশ্নের উত্তর ভবিষ্যতে সতর্কতার জন্য দেশবাসী দ্রুত কামনা করে। দুর্ঘটনা ঘটার পরপরই সিঙ্গাপুর সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির সঙ্গে প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরে আসবেন। এই ধরনের দ্রুত ও প্রয়োজনীয় তৎপরতাই সরকারপ্রধান ও সরকারের কাছ থেকে জনগণ কামনা করে। জানি না এমন দুর্ঘটনা আমাদের নড়বড়ে বিমান শিল্পকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করবে? কতটা করে তুলবে সজাগ ও যুগোপযোগী? আসলে এসব নিয়ে মন বিষণ্ণ ও চিন্তিত হওয়ার কারণে অন্যকিছু নিয়ে ভাবতে কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু এটাই বাস্তব যে, মৃত্যু রক্ত ধ্বংস প্রভৃতি কোনো কিছুতেই জীবন থেমে থাকে না।

এই শোক ও ব্যথা-বেদনার মধ্যেই দেশবাসী গভীরভাবে নজর রাখবে চার মাসের জন্য জামিনপ্রাপ্ত বিএনপি-জামায়াত জোট নেত্রী খালেদা জিয়া জেলখানা থেকে ছাড়া পাবেন কিনা? ছাড়া পাওয়ার আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ের আদেশ প্রথমে যাবে রায় প্রদানকারী আদালতে। সেখানে বেইলবন্ডে স্বাক্ষর করে আবেদন করতে হবে। তারপর রিলিজ অর্ডারের আদেশ পৌঁছাতে হবে কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে। তারপর ছাড়া পাবেন। বিএনপি আইনজীবীরা কতটা দ্রুত এসব নিয়ে মুভ করবে, তার ওপর নির্ভর করবে আজই তিনি ছাড়া পাবেন কিনা? এই প্রশ্নটা তোলা হলো এ কারণে যে, ইতোপূর্বে প্রচারে এসেছিল নথি নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে আনতে বিলম্বের কারণ নিহিত রয়েছে বিএনপির রাজনৈতিক কৌশলের মধ্যে। সরকার বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করছে, এমন দোষ সরকারের ওপর চাপিয়ে দলটি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছিল।

প্রসঙ্গত খালেদা জিয়া জেলে থাকার সময়ে এমন প্রচার বিএনপি-জামায়াত দল ও সমর্থক মহলের পক্ষ থেকে সামনে আনা হয়েছিল যে, বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে সরকার খালেদা জিয়াকে জেলেই বন্দি রাখবে কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিষয়ে শর্ত মানতে বাধ্য করে মুক্তি দিবে কিংবা খালেদা জিয়াকে ছাড়াই নির্বাচনে যেতে বিএনপিকে বাধ্য করবে। এই প্রচার যে সঠিক ছিল না, সেটা নথি আসার সঙ্গে সঙ্গে জামিন পাওয়ার ভেতর দিয়ে অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে। এমন প্রচার করে বিচার বিভাগের ওপর মানুষের ভাবমূর্তি ও আস্থা যে মহল, গোষ্ঠী ও ব্যক্তি নষ্ট করতে চায়, তারা আসলে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে ক্ষতি করে চলেছে। প্রকৃত বিচারে খালেদা জিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত, দোষী রায় বহাল রেখে চার মাসের জামিনও দিয়েছে আদালত, এখন জামিন বাতিলের আপিল যদি গ্রহণ করা হয় তাও করবে আদালত, শাস্তিও বাতিল করতে পারবে একমাত্র আদালত, নির্বাচনে অংশগ্রহণ তিনি করতে পারবেন কিনা তাও আদালতই ঠিক করবে। বিএনপি আদালতে গেছে, তাই বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে বিএনপিকে আদালতের ওপরই আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে।

তবে এ ছাড়া আরো এটি পথ খোলা ছিল বিএনপির। বিএনপি বলছে যে, খালেদা জিয়াকে নাকি রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে জেলে নেয়া হয়েছে। আসলে উদ্দেশ্য কি আছে না আছে তা নিয়ে আলোচনা এই কলামের বিষয় নয়। বিবেচনায় নিতে হবে, দোষ তিনি করেছেন কিনা! দোষী যে-ই হোক না কেন শাস্তি পাওয়াই তো আইনের বিধান। বিএনপিও এখন আইনের বিধান মেনেই অগ্রসর হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে মামলা ও শাস্তি ফয়সলা করতে যায়নি। দেশের রাজনীতির ইতিহাসে দিকে তাকালে দেখা যাবে, এমন ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখলেও মূলে রাজনৈতিক দল রাজনৈতিকভাবেই এসব বিষয় ফয়সলা করেছে। বলাই বাহুল্য মামলা মিথ্যা মনে করলে জনগণ রাজনৈতিকভাবেই মামলার ফয়সলা করতে চাইতো। আর বিএনপির এমনটা চাওয়াই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু ডাল মে কুছ কালা হওয়ার কারণেই বিএনপি ওই লাইনে যেতে পারেনি। একান্তভাবেই দারস্থ হয়েছে আদালতের। বিচার বিভাগের কাছে যাওয়া হবে আবার বিচার বিভাগ নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, এমন দ্বিচারিতা মানুষ বুঝে না, এমনটা কিন্তু নয়। বিভ্রান্তি ও বিভক্তির ডামাডোলে পড়ে মানুষের অভিজ্ঞতা আর শিক্ষা তো আর খুব একটা কম হয়নি।

এই শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা হওয়ার কারণেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে মানুষ বিক্ষুব্ধ মনোভাব প্রকাশ করেনি, রাস্তায় নেমে ফয়সলা করতে চায়নি। দলীয়ভাবে খালেদা জিয়াকে মা আখ্যা দিলেও তাতে জনগণ মাতেনি। এখানে একটা প্রশ্ন উঠে আসে যে, বিএনপি বয়কট ও জ্বালাও-পোড়াওর যুদ্ধংদেহী রাজনীতি করে যেভাবে বিপাকে পড়ছে, তা থেকে উঠে দাঁড়াতে দলটির প্রয়োজন কী? নিঃসন্দেহে তা হচ্ছে জনসম্পৃক্ত আন্দোলন, যাকে বলা যেতে পারে সরকারবিরোধী বিক্ষুব্ধ সমাবেশ। কিন্তু বিএনপি সেই পথে যেতে সাহস পায়নি। জনগণের সিমপ্যাথি বা করুণাকে পুঁজি করতে উঠে দাঁড়াতে চেয়েছে। জনগণ এবং এমনকি দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষুব্ধ মনোভাব জাগ্রত করে জমায়েত করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রশ্নটা হলো সিমপ্যাথি বা করুণা লাভ করা কি এমন বিপাকে পড়া বিএনপি বা ২০ দলীয় জোটের রাজনীতির কোনো পথ হতে পারে!

যে দিক থেকেই দেখা হোক না কেন, ক্ষমতার রাজনীতিতে শক্তের ভক্ত নরমের যম প্রবাদটা একান্তভাবেই প্রযোজ্য। সিমপ্যাথি বা করুণা কার্যকর হয় তখন, যখন শক্ত অবস্থান বজায় থাকে। প্রসঙ্গত বাস্তবে লক্ষ্য উদ্দেশ্য কামিয়াব করার জন্য শেষ বিচারে রাজনীতিতে ক্ষমতা ছাড়া ষোল আনাই ফাঁকি। আর ক্ষমতা মানেই হচ্ছে সাহস ও দুরদৃষ্টির সম্মিলন। দলীয় নেতাকর্মীদেরই কেবল নয়, জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ করে সামনে এগিয়ে চলার সাহসও অনুপ্রেরণা জোগানো ছাড়া কোনো দল টিকে থাকতে পারে না। প্রধান নেতার পরিস্থিতি মোকাবেলা করার সৎ সাহস ও দুরদৃষ্টির ভেতর দিয়ে তা গণমনে জাগ্রত হয়। বিএনপি-জামায়াত জোট নেত্রী খালেদা জিয়া আর প্রজেক্টেড প্রধান নেতা তারেক রহমান তা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। করুণাপ্রার্থী বিএনপি দলকে তাই নিজের ব্যর্থতার দায়ভার আওয়ামী লীগকে দিয়ে লাভ নেই। ভুল রাজনৈতিক লক্ষ্য ও অবস্থান এবং উগ্রবাদী রাজনৈতিক কৌশলই বিএনপিকে বর্তমানে এই অবস্থায় এনে উপনীত করেছে। এ কারণেই বিএনপির রাজনৈতিক ইস্যু নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের দাবি এখন প্রায় শূন্যে মিলিয়ে গেছে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে সরে নিচে নেমে গিয়ে দাবি তুলেছিল সহায়ক সরকারের। আর এখন কোথায় সেই দাবি? ওই সরকারের রূপরেখাইবা কোথায়? লোটা কম্বল পর্যন্ত চলে যাচ্ছে। প্রকৃত বিচারে সেই দলই টিকে থাকার যোগ্যতা রাখে, যে দল সব ধরনের বিরূপ প্রতিক‚লতা মোকাবেলা করে কর্মী-সমর্থকসহ নিজ পক্ষে জনগণকে সমবেত করতে সক্ষম। বিএনপি দলটি আসলেই সেই যোগ্যতা হারিয়েছে।

দুই-তিনদিন আগে কথা হচ্ছিল সুদীর্ঘ দিনের সাথী তৃণমূলের এক মুক্তিযোদ্ধা রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে। তিনি আওয়ামী লীগ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তৃণমূলের রাজনীতির অবস্থা ও গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে গভীর আবেগ নিয়ে বললেন, বিএনপি-জামায়াতের দলীয় সাপোর্ট এখনো টিকে আছে, তাদের কর্মতৎপরতার জন্য নয়। আওয়ামী লীগের তৃণমূলের অনভিপ্রেত সব কর্মকাণ্ডের জন্য। তার কথার সূত্র ধরে আমি যখন বললাম, যে দেশের সমাজ জীবনে নির্বিঘ্নে তৃণমূলে সাভারের রানা ও নারায়ণগঞ্জের নূরুর মতো অমানুষ প্রতিষ্ঠা নিতে পারে, সেই দেশের সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে দুর্বৃত্তদের পদচারণা থাকবেই। তখন তিনি তা সমর্থন করলেন। রাজনীতি একেবারে এক ধাক্কায় আওয়ামী লীগ ফিলিপস বাতির মতো ফকফক করতে পারবে বলে তিনি মনে করেন না। তবে বললেন, তারও তো একটা সীমা রয়েছে। তৃণমূলের দলাদলি, দৌরাত্ম্য ও দখল প্রভৃতি ক্রমবর্ধমান হয়ে সরকারের সব সাফল্য ও অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে। জনগণ বলে, শেখ হাসিনা যা আনে তার সর্বনাশ করে ওরা।

সামনে যে নির্বাচন রয়েছে, তা যেন তেমন কেউ মনে রাখছে না। তিনি দুঃখ করে বললেন, নিচে যেমন দলাদলি ওপরেও তো তেমন রয়েছে বলে মনে হয়। নতুবা এক এক মন্ত্রী এক এক ধরনের কথা বলেন কেন? পাট নিয়ে দুই মন্ত্রীর দুই কথা তিনি উল্লেখ করলেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে সংসদে বক্তব্য দেয়ার কথাও বললেন। আরো বললেন, ৭ মার্চ আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে এক ছাত্রীকে হয়রানি করার পর সাধারণ সম্পাদক ‘সমাবেশের বাইরে ঢাকার রাস্তায় কোথায় কী হয়েছে এটা আমাদের দলের বিষয় না। এটাতে অবশ্যই সরকারের দায় আছে।’ এমন ধরনের কথা বললেন কেন? দলগতভাবে এটা কি অনুসন্ধান ও ব্যবস্থা নেয়ার বিষয় নয়?

এ দিকে আওয়ামী লীগই প্রচার করছে, ‘উন্নয়নের গণতন্ত্র শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র।’ উন্নয়নের গণতন্ত্র কথাটা কেবল অতীতের শোষিতের গণতন্ত্রের কথাটাই স্মরণ করিয়ে দেয়। বলাই বাহুল্য গণতন্ত্রকে শর্তযুক্ত করা তো আর ভালো লক্ষণ নয়। গণতন্ত্র গণতন্ত্রই এবং সংসদীয় গণতন্ত্র আমাদের জাতীয় পছন্দ। ক্ষুদ্র এ কলামে বেশি কথায় না গিয়ে এটুকু বলাই যথেষ্ট যে, আগামী নির্বাচনে যে ফলাফলই হোক না কেন, গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা ‘ক্ষমতাধর শাসক’ হলে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগকে এজন্য মূল্য দিতেই হবে। গণতন্ত্রসহ জাতীয় চার মূল নীতির রক্ষক ধারক বাহক হিসেবেই দেশের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে স্থান করে নিতে হবে।

এ দিকে আওয়ামী লীগ যখন উন্নয়নের গণতন্ত্র বলে অগ্রসর হতে চাইছে, তখন উন্নয়ন নিয়ে বন্ধু হতে চাওয়া আওয়ামী লীগের সমালোচকরা কি প্রচার করছে, তা বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন। ‘আমার সমালোচক আমার বন্ধু’ শিরোনামে প্রথম আলোতে লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ লিখেছেন, ‘সরকার অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে। কোনো কোনো সরকারের সময় উন্নয়ন কাজ হয় বেশি, কোনো সময় কম।… উন্নয়ন করা সরকারের দায়িত্ব। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে এটাই মানুষ আশা করে।’ এ জন্য কোনো ‘প্রশংসা’ প্রাপ্য নয় বলা হয়েছে। উল্লিখিত সব অভিমত ও প্রচারগুলো বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগের কাজ অগ্রসর করছে কিনা এবং তা থেকে বিএনপি-জামায়াত জোট টিকে থেকে ফায়দা লুটতে পারবে কিনা, এটাই আজ রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন! তাই স্বাধীনতার মাসে বলতে হয় যে, এন্টি আওয়ামী লীগ সেন্টিমেন্ট কতটা দানা বেঁধে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারবে কি পারবে না, তা দিয়েই দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হবে।

শেখর দত্ত : রাজনীতিক, কলাম লেখক।