বেনাপোলে পাচারকারীসহ ৪০ জন আটক

আগের সংবাদ

আপনারা ধৈর্য ধরেন, কেউ হতাশ হবেন না : মওদুদ

পরের সংবাদ

কুমিল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ১৩, ২০১৮ , ১০:২৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৮, ১০:২৪ অপরাহ্ণ

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা সদর দৌলতগঞ্জ বাজারে একটি ব্যক্তিগত বিরোধ নিয়ে দুইটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশের এক এএসআইসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দৌলতগঞ্জ বাজারের নোয়াখালী রেলগেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপে বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় অনেক দোকানপাট।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ব্যক্তিগত ঝামেলা নিয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় লাকসাম পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে হুমায়ুন ও ফরহাদের সঙ্গে পৌরসভার গাজিমুড়া গ্রামের আমির হোসেন নামে এক ব্যক্তির কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর রফিকুল ইসলামের ছেলে লাকসাম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি কাউসারসহ উত্তর বাজারের ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ দলীয় নেতাকর্মীরা নোয়াখালী রেলগেইট এলাকায় আসে। এদিকে গাজিমুড়ার আমির হোসেনের পক্ষ নেয় ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। এ সময় দুই পক্ষের মাঝে পড়ে লাকসাম থানা পুলিশের এএসআই আবু ইসহাক আহত হন। পরে পুলিশের সদস্যরা লাঠিচার্জ করে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে।

এ বিষয়ে লাকসাম উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শিহাব খান বলেন, আমির হোসেন আমার গ্রামের লোক। আর সে ঝামেলা থামাতে গেলে হুমায়ুন ও ফরহাদদের আঘাতে তার নাক ফেটে যায়। এতে গাজিমুড়া গ্রামের লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আমি পুলিশসহ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছি। এটা কোন দলীয় বিষয় নয়।

এদিকে ঘটনার পর এ বিষয়ে জানতে লাকসাম শহরের উত্তর বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে হুমায়ুন ও ছাত্রলীগ নেতা কাউসারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

হুমায়ুন ও ছাত্রলীগ নেতা কাউসারের চাচাতো ভাই লাকসাম পৌরসভা যুবলীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহীন বলেন, রফিকুল ইসলাম, হুমায়ুনসহ অপর আহতরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমি ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলাম না।

লাকসাম থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, দুই এলাকার লোকদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে দুই পক্ষের লোকদের দু’দিকে সরিয়ে দিয়েছে। এ সময় এএসআই আবু ইসহাক আহত হয়েছেন। আর ঘটনাটি দলীয় কোন বিষয় নিয়ে ঘটেনি। তবে দুই পক্ষের লোকজন ছাত্রলীগের ছিল বলে স্বীকার করেন তিনি।