চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২

আগের সংবাদ

পহেলা ফাল্গুন বাংলা পঞ্জিকার একাদশতম মাস বসন্তের প্রথম দিন

পরের সংবাদ

গ্রাম পুলিশের চাকরি কেন রাজস্ব খাতে নয়: হাইকোর্ট

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮ , ৭:৩১ অপরাহ্ণ | আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮, ৭:৩১ অপরাহ্ণ

দফাদার ও মহলদার হিসেবে পরিচিত গ্রাম পুলিশের চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের নিস্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে গ্রাম পুলিশের চাকরি জাতীয় বেতন কাঠামো অনুসারে চতুর্থ শ্রেণির স্কেলের সমমর্যাদা কেন দেওয়া হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রুল জারি করেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় সরকার, অর্থ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, আইন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ৩৪ বিবাদিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. নওশের আলী মোল্লা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন মোতাহার হোসেন সাজু। ৭০ জন গ্রাম পুলিশের পক্ষে রাজশাহীর পবা উপজেলার সুইসাকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা গ্রাম পুলিশ মো. আব্দুল বারী রিট আবেদনটি করেন।

গত বছরের ৩ ডিসেম্বর ৫৫ জন গ্রাম পুলিশের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রুল জারি করেছিল আদালত। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাজশাহী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, জয়পুরহাট, গাইবন্ধাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার আরও ৭০ জন গ্রাম পুলিশ ও দফাদার রিট আবেদন করেন।

নওশের আলী সাংবাদিকদের বলেন, এ দুটি রিটই যুগপৎভাবে শুনানির জন্য রেখেছেন আাদালত।

জানা গেছে, সারা দেশ দফাদার ও মহলদার মিলে গ্রাম পুলিশের সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার। এদের মধ্যে দফাদারদের মাসিক বেতন তিন হাজার ৪০০ টাকা। আর মহলদারদের বেতন ৩০০০ টাকা। গ্রাম পুলিশের চাকরি সরকারের রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় এই বেতনের অর্ধেক দেয় ইউনিয়ন পরিষদ, বাকিটা যায় সরকারের কোষাগার থেকে।

ব্রিটিশ আমল থেকে এ বাহিনী বিভিন্ন আইনের অধীনে কাজ করে আসছে। সর্বশেষ স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ সালের অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এ আইনের অধীনে ২০১৫ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) গ্রাম পুলিশ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও চাকরির শর্তাবলী সম্পর্কিত বিধিমালা তৈরি করা হয়। কিন্তু এ বিধিতে তাদের কোনো শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়নি। এদিকে ২০০৮ সালের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় গ্রাম পুলিশদের চতুর্থ শ্রেণির স্কেল নির্ধারণে অর্থ বিভাগকে চিঠি দেয়। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় হাইকোর্টে রিট করা হয়।