আলোচিত দুই নারী রেসলার

আগের সংবাদ

কালিয়ায়াকৈরে অগ্নিকাণ্ডে ৩৩ বসতঘর ভষ্মিভূত

পরের সংবাদ

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ স্থায়ী মিশনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭ , ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ

শামীম আহমেদ

শামীম আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি নিউইয়র্ক থেকে

যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন। আজ শনিবার সন্ধ্যায় এ উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কে মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এরপর মহামান্য রাষ্ট্রপতির লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান জাতিসংঘে স্থায়ী মিশনের উপ প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ ইকোনোমিক মিনিষ্টার ইকবাল আবদুল্লাহ হারুন, মিশনের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল খান ফিরোজ আহমেদ পড়ে শোনান পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাহমুদ আলীর বিবৃতি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বানী পাঠ করেন কাউন্সিলর ফাইয়াজ মোর্শেদ কাজী।
স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর তৌফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকীদ চৌধুরী, যুক্তরাস্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ড. মাসুদুল হক, জেনোসাইড ৭১ এর সভাপতি ড. প্রদীপ রঞ্জন কর,নজরুল গবেষক ড. গুলশান আরা, জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা ও রোটারি ডিষ্ট্রিক ৭২৩০ এর টেকনোলোজি ডাইরেক্টর মাহবুব আহমেদ, মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ।
এ সময় দেশে ও দেশের বাইরে ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। তিনি বলেন, এর ফলে বিশ্বের দরবারে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছে। তাই বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। অনেক ত্যাগ ও পরিশ্রমের বিনিময়ে সরকারের যে অর্জন, তা যেন নষ্ট না হয়ে যায় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন, ২৫ মার্চকে আমরা গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছি। এটাকে আন্তর্জাতিক ভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আমাদের গণহত্যাকে যদি আমরা আন্তর্জাতিক ভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত পারিনি বলেই আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রে এথিনিক ক্লিনজিং বা জাতিগত নিধন চালােচ্ছে। এগুলোকে যদি বিচারের আওতায় না আনা যায়, তাহলে বারে বারে এই গণহত্যার ঘটনা ঘটে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে অন্যান্য বক্তারা দেশে ও প্রবাসে বাংলাদেশীকে মুক্তিযুদ্ধের চেনতা অক্ষুন্ন রাখার অনুরোধ জানান। তারা বলেন, মুক্তিদ্ধের মাধ্যমে যে বিজয় আমরা অর্জন করেছি এ এক অসামান্য অর্জন। বাংলাদেশের সুনাম এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশকে রক্ষার স্বাথেই জাতির জনকের কন্যাকে আবার ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান বক্তারা। কারন জাতির জনকের অসামাপ্ত কাজ শেষ করতে হলে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় বসানোর কোন বিকল্প নেই। এর মাধ্যমেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখা সম্ভব হবে। আর আর ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার কাজও এগিয়ে যাবে।
সবশেষে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত টেবিল টেনিসের পুরস্কার বিতরন করা হয়।