উৎপল গুমের প্রতিবাদে নিউইয়র্কে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রতিবাদ সভা

আগের সংবাদ

হাতিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধ : ২ জলদস্যু নিহত

পরের সংবাদ

নিউইয়র্কে তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করলো যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ২১, ২০১৭ , ৪:০৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০১৭, ৫:৫২ পূর্বাহ্ণ

শামীম আহমেদ

শামীম আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি নিউইয়র্ক থেকে

  • হাওয়া ভবনে নামাজ পড়া বাধ্যতা মূলক ছিলো। নামাজ না পড়লে কর্মকর্তা-কর্মচারির বেতন কেটে রাখা হতো। আর এ বাধ্যবাধকতা জারি করেছিলেন খোদ তারেক রহমান নিজে। এমন তথ্য জানিয়ে হাওয়া ভবনের সাবেক মূখপাত্র আশিক ইসলাম বলেন, ‘আমি একবার বেতন তুলতে গিয়ে দেখি আমার বেতন থেকে আড়াই হাজার টাকা কেটে রাখা হয়েছে। এর কারন হিসেবে আমি জানতে পারি ওইদিন আমি পাচওয়াক্ত নামাজ পড়িনি। তাই এটা আমার বেতন কাটা হয়েছে।’
    নিউইয়র্কে বিএনপির সিয়ির ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন পালন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আশিক ইসলাম এসব কথা জানান। ১৯ নভেম্বর রোববার রাতে জ্যাকসন হাইটসের হাট বাজার পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির পক্ষ থেকে কেক কাটা এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাাতিক বিষয়ক সম্পাদক কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা ডা. মজিবুর রহমান, গিয়াস আহমেদ প্রমুখ।
    অনুষ্ঠানে বেবী নাজনীন বলেন, তারেক রহমান ইজ এ ব্র্যান্ড। তিনি আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক। তার নেতৃত্বে তার হাতকেই আমরা শক্তিশালী করবো। তারেক রহমান মূলদল, যুবদল, ছাত্রদলসহ তৃনমূল নেতৃত্বকে সমৃদ্ধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে সরকার যত প্রতিকুলতাই তেরী করুক, এগুলো সব সরকারের ক্রিয়েট করা। আজ পর্যন্ত সরকার এগুলোর কোন প্রমান দেখাতে পারেনাই। পারবেও না। আগামীদিনে তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে প্রবেশ করবেন। এটাই আমাদের আহ্বান।
    হাওয়া ভবনের সাবেক মূখপাত্র আশিক ইসলাম বলেন, তারেক রহমান তথ্য সন্ত্রাসের শিকার। আওয়ামীলীগ ও সবাই মিলে তাকে মানুষের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দলের নেতা-কর্মীদের উচিৎ বেশী বেশী করে তারেক রহমানের পজিটিভ দিকগুলো তুলে ধরা। কারন আওয়ামীলীগ জানে আগামী দিনে তাদের প্রধান এবং প্রথম প্রতিপক্ষ তারেক রহমান। এজন্য তাদের সকল আক্রোশ তারেক রহমানের ওপর।
    গিয়াস আহমেদ বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় তখন পত্রিকায়, টকশোতে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশী মিথ্যাচার করা হয়েছে যে, মালয়েশিয়াতে তার বিশাল সম্পাদ এবং বিদেশে ঘরবাড়ি।কিন্তু ওয়ান ইলেভেনর সরাকরও প্রমান করতে পারেনি তারেক রহমানের নামে-বেনামে তার কোন সম্পত্তি বাংলাদেশের বাইরে বা বাংলাদেশে আছে। এই সরকারও প্রমান করতে পারেনি। যারা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রপাকান্ডা করেছে তারা মিথ্যাবাদী।
    ডা. মজিবুর রহমান বলেন, তারেক রহমান আগামী দিনে বাংলাদেশের জন্য যে ভিশন দিয়েছেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে স্থান করে নিবে।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, জিল্লুর রহমান, মোস্তাফা কামাল পাশা বাবুল, সোলেমান ভূইয়াসহ, যুবদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবক দল, জাসাসহ অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতা-কর্মী। অনুষ্ঠানের শুরতে তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।