সুন্দরভাবে উপস্থাপনাই কবিতার মুখ্য বিষয়ক নয়- আসাদুজ্জামান নূর

আগের সংবাদ

অ্যাস্টলের জায়গায় সোধি

পরের সংবাদ

ডিইপিটি ইনোভেশন ল্যাবের উদ্বোধন

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ১৯, ২০১৭ , ৩:৪৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০১৭, ৭:০২ অপরাহ্ণ

ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের উদ্যোগে গত মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ডিইপিটি ইনোভেশন ল্যাব বাংলাদেশ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর ফলে জরুরী স্বাস্থ্য সেবা ও দুর্যোগপ্রবন জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর, ড. কাজী কামরুজ্জামান, ডিইপিটি ইনোভেশন প্রোগ্রাম ম্যানেজার নীল টাউন্সেন্ড প্রমুখ।

রাশেদ খান বলেন, দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগপ্রবণতার দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়া বিভিন্ন ঝুঁকির সম্মুখীন। এছাড়া বাংলাদেশের জন্য, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলি কেবল এই চ্যালেঞ্জকেই বাড়িয়ে তুলেছে। বাংলাদেশে যেভাবে দুর্যোগের ঝুঁকি বেড়ে চলেছে তাতে জনগোষ্ঠীর প্রস্তুতি ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে নুতন সমাধান অত্যাবশ্যক। তিনি বলেন, তাই আমরা সবসময় এরকম বিশাল উদ্যোগের সাথে আছি। নিরাপদ জনগোষ্ঠী গড়তে ল্যাব এই প্রয়োজনগুলি মোকাবেলা করার জন্য বিভিন্ন ধ্যান-ধারণা ও সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করে।

ড. কাজী কামরুজ্জামান বলেন, বৈশ্যিকভাবে যে জনগোষ্ঠী অরক্ষিতভাবে চিহ্নিত তাদেরকে নিয়েই ল্যাব কাজ করবে। দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোর দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি এবং ঝুঁকিহ্রাসের জন্য এটি একটি সম্পুর্ন নুতন চিন্তাধারা। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য এই অঞ্চলের যথেষ্ট দক্ষতা রয়েছে এবং এই দক্ষতাকে চিহ্নিত করে তা সুপরিকল্পিতভাবে ব্যবহার ও উন্নয়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এই নুতন ধারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে শুধু মাত্র সাহায্যই করবে না, এটি বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতেও প্রবর্তন করে তাদের সমস্যার সমাধানে ভুমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কর্মসূচী বাস্তবায়নে “ইউ কে এইড” আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। এই কর্মসূচীর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে “সি.ডি.এ.সি.” এবং “স্টার্ট নেটওয়ার্ক”।