মঠবাড়িয়ায় ওসি হামলা মামলায় জামিন পেল ১৪ আসামি

আগের সংবাদ

বিশ্ব ইজতেমা শুরু ১২ জানুয়ারি

পরের সংবাদ

কুবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন উপাচার্যকে প্রতিহতের ঘোষণা

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ১৬, ২০১৭ , ৮:২৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০১৭, ১০:২৭ অপরাহ্ণ

‘উপাচার্য দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত, আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, তার স্বেচ্ছাচারী মনোভাব মেনে নেয়া যায় না, উপাচার্যকে আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না, তাকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে’। আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের সামনে এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন। তার দুর্নীতি-অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও নিপীড়নমূলক কার্যক্রমের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে তারা এ মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. আবু তাদের, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা। তাদের দাবি মেনে নেয়া না হলে ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি চলতে থাকবে বলে জানান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান।
এর আগে রোববার বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদারের কাছে ১৪ দফা দাবি সম্বলিত একটি লিখিত দেয় শিক্ষক সমিতি। তাদের দাবির মধ্যে উপাচার্যকে দেয়া বাড়তি ভাতা বিশ্ববিদ্যালয় কোষাগারে ফেরত, প্রক্টরের পদত্যাগ, অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করা, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের দুর্নীতির বিচার, সান্ধ্যকালীন এমবিএ কোর্সের টাকা ফেরত, ছাত্র হত্যার বিচার, স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বন্যাদুর্গতদের জন্য শিক্ষকদের একদিনের বেতন-ভাতা প্রদানকারীর শাস্তি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা, নিম্নমানের আসবাবপত্র ক্রয়ের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি প্রদানসহ ১৪ দফা দাবি দেন তারা।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. আবু তাহের বলেন, উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতা এখন সীমা ছাড়িয়েছে। তিনি বিভিন্ন অনিয়মের জন্ম দিয়েছেন। চাকরির জন্য বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে অগ্রিম টাকাও নিয়েছেন বলে আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে। তাই আমরা তাকে ক্যাম্পাসে এসে দপ্তরে যেতে দেব না। এ জন্যই আমরা কর্মসূচি দিয়েছি।

উপাচার্য প্রফেসর ড. আলী আশরাফ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তুলে শিক্ষক নেতারা আন্দোলন করছেন, তা কতটুকু যৌক্তিক তারাই জানেন। আমি সান্ধ্যকালীন কোর্সে পড়িয়ে টাকা নেই এটাতো অন্য শিক্ষকরাও নেন। এখন যেসব শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে আন্দোলন করছেন, তারাই এক সময় আমার পাশে থেকে প্রশংসা করেছেন। তাহলে এখন কেন এমন করছেন।